চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মদনমোহনের পাশেই কাঠামিয়া মন্দিরে ‘বড় তারা’র পুজো হয় কোচবিহারে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজাদের রাজত্বপাট আজ আর নেই। কিন্তু তাঁদের হাতে শুরু হওয়া পুজো আজও সমান ভক্তিভরেই আয়োজিত হয় প্রতিবছর কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে। উত্তরবঙ্গের(North Bengal) এক কোনে রয়েছে কোচবিহার জেলা(Coachbehar District)। সেই জেলার প্রাণজেন্দ্র কোচবিহার শহর। এই শহরই ছিল কোচ রাজাদের(Coach Dynasty) রাজধানী। তাই আজও কোচবিহারকে রাজাদের শহর বলা হয়। এই শহরেই রয়েছে রাজপরিবারের ইষ্টদেবতা মদনমোহনের মন্দির। সেই মন্দিরের পাশেই আছে কাঠামিয়া মন্দির। সেখানেই প্রতিবছর কালিপুজোর(Kali Puja 2023) দিন পুজো পান ‘বড় তারা’ মা। এই পুজো দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কোচবিহার দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ড। কোচবিহারের অন্যতম প্রাচীন ও বড় কালিপুজো হল ‘বড় তারা’র পুজো(Bara Tara Puja)। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে কোচবিহারের এই পুজো হয়ে আসছে। স্থানীয়দের কাছে দেবী ‘বড় তারা’ নামেই পরিচিত। এই পুজো ঘিরে রয়েছে বহু ইতিহাস, বহু সম্ভ্রমের গল্প। এলাকাবাসীর মতে, ‘দেবী মা এতটাই জাগ্রত যে মায়ের কাছে কোনও কিছু নিষ্ঠা ভরে চাইলে মা কখনও কাউকে খালি হাতে ফেরান না।’

জানা যায়, কোচবিহার রাজপরিবারের(Royal Family) হাতেই শুরু হয়েছিল এই পুজো। তাঁরাই এই পুজোর নিয়মকানুন চালু করে দিয়ে গিয়েছেন। ট্রাস্ট বোর্ডের মতে, পুজোর বয়স ২০০ বছরেরও বেশি। এই পুজোকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের উৎসাহে কিন্তু কোনওদিনও একটুও ভাঁটা পড়েনি৷ এই পুজোর রীতি, সাধারণ কালী পুজোর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। দেবী মূর্তিরও আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। এখানে দেবী প্রতিমার গায়ের রং কালো। এক হাতে খড়্গ, অন্য হাতে কাটারু। দেবী প্রতিমার দৃষ্টি যে দিকে থাকে, সেই দিকেই মাথা দিয়ে শায়িত থাকেন শিব। তাঁর জটার মধ্যে থাকে পদ্ম। প্রতিমার পাশে একটির বদলে দু’টি শেয়াল থাকে। দীপান্বিতা অমাবস্যার রাতে ১০৮টি সোনা ও রুপোর মুণ্ডমালায় সেজে ওঠেন কোচবিহারের রাজপরিবারের ‘বড় তারা’। সঙ্গে থাকে রাজপরিবারের অন্যান্য স্বর্ণালঙ্কারও।  

লক্ষ্যণীয় ভাবে এখানে প্রতিমার হাতে কোনও মুন্ডমালা থাকে না। তাঁর জায়গায় থাকে রক্ত ভর্তি একটি পাত্র। বংশ পরম্পরায় এই মূর্তি তৈরি করে প্রভাত চিত্র করের পরিবার। এই পুজোর রীতি অন্য পুজোর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হওয়ায় বলি ও ভোগের নিয়মও আলাদা। এই পুজোতে পাঁচ রকমের বলির নিয়ম রয়েছে — পাঁঠা, হাস, মেষ, পায়রা ও মাগুর মাছ। আগে অবশ্য কচ্ছপও বলি দেওয়া হত। তবে এখন তা হয় না। একই সঙ্গে পাঁঠার মাংসের ভোগ নিবেদন করা হয় দেবীকে। সঙ্গে থাকে শোল মাছ পোড়াও। পুজোর পরের দিন সকালের পুজো শেষে ‘বড় তারা’কে লম্বা দিঘিতে বিসর্জন দেওয়া হয়।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ক্ষমতায় এলে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের লাথি মেরে তাড়ানোর হুমকি হেমন্তের

ভোটের পরই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল, জানা যাবে মোবাইল অ্যাপেও

নির্বাচনের আগে উত্তরে দুর্যোগ বাড়লেও দক্ষিণে তাপমাত্রা পৌঁছবে ৪০ ডিগ্রির ঘরে

‘‌মথুরাপুরকে আলাদা মহকুমা করা হবে’‌, রায়দিঘি থেকে বড় আশ্বাস অভিষেকের

ডুয়ার্সের মাল বিধানসভা কেন্দ্রে জোরকদমে নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী

ডিলিট নাম ভোটার লিস্টে তুলে দেওয়ার অছিলায়, সোনার বালা নিয়ে চম্পট শান্তিপুরে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ