এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




সুপ্রিম নির্দেশের পরেও বর্ধিত হারে পেনশন থেকে বঞ্চিত সাড়ে ১৭ লক্ষ মানুষ

Courtesy - Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ধিত হারে পেনশনের(Pension) দাবি মধ্যবিত্তের বহুদিনের। সুবিচার পেতে একাধিক রাজ্যের হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court) স্পষ্ট জানায়, বর্ধিত হারে পেনশনের সুযোগ দিতে হবে EPF গ্রাহকদের। তারপরও সাড়ে ১৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে শিকে ছিঁড়েছে মাত্র এক হাজারের। গ্রাহকদের(Pensioner) অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে জটিল শর্ত আরোপ করেই বর্ধিত পেনশনে রাশ টানছে কেন্দ্র। এমনকি তাঁদের অভিযোগ, যে সব শর্ত(Conditions) চাপানো হচ্ছে বর্ধিত হারে পেনশন পাওয়ার দাবি জানানোর ক্ষেত্রে তা আসলে পেনশন না দেওয়ার বাহানা। যদিও কেন্দ্রের আমলাদের দাবি, যে সব শর্তের কথা এখানে বলা হচ্ছে, তা আদতে নিয়ম(Rules and Regulations)। সেই সব নিয়ম লঙ্ঘণ করে বর্ধিত হারে পেনশন দেওয়া সম্ভব নয়। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্যই বর্ধির হাতে পেনশন দিতে বলেছে, কিন্তু নিয়ম লঙ্ঘণ করে তা দিতে বলেনি। আর সেই সব নিয়ম মেনে দেখা যাচ্ছে সামান্য কিছু মানুষই বর্ধিত হারে পেনশন পাচ্ছেন। সংখ্যায় মাত্র ১ হাজার। অথচ আবেদনের সংখ্যা সাড়ে ১৭ লক্ষ।

পুরো বেতনের ওপর ভিত্তি করেই বর্ধিত হারে পেনশন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু তারপরও EPF গ্রাহকেরা বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন তাঁদের নায্য পাওনা থেকে। প্রবীণ গ্রাহকদের অভিযোগ, জটিল থেকে জটিলতর শর্তের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের কাঁধে। ফলে নিজেদের বেতন থেকে কেটে দেওয়া টাকাই এখন পেতে কালঘাম ছুটছে তাঁদের। সমস্যা ঠিক কোথায়? Employees Provident Fund Organization বা EPFO’র আধিকারিকদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী বর্ধিত পেনশন পেতে গেলে কর্মদাতা সংস্থার অনুমতি দরকার। সেই অনুমতি পাওয়ার পরে দেখা হবে, বর্ধিত হারে পেনশনের জন্য যাঁরা আবোদন করেছেন তাঁরা তাঁদের কর্মজীবনে সেই অনুপাতে পেনশন ফান্ডে টাকা রেখেছেন কিনা। যদি সেই টাকা রাখা থাকে তাহলে কোনও সমস্যা হবে না বর্ধিত হারে পেনশন পেতে। কিন্তু যদি তা না থাকে তাহলে কর্মদাতা সংস্থা এবং আবেদনকারী উভয়ের কাছে যাবে Demand Notice।

সেই নোটিস পাওয়ার পরে দুই তরফই যদি বর্ধিত পেনশনের জন্য বাড়তি টাকা জমা দিতে রাজী হন তবেই বর্ধিত পেনশন চালু হবে। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, যে সাড়ে ১৭ লক্ষ গ্রাহক বর্ধিত হারে পেনশন পেতে আবেদন জানিয়েছেন তাঁদের মধ্যে  ১০ লক্ষের বেশি ক্ষেত্রে তাঁদের কর্মদাতা সংস্থাই অনুমতি দেয়নি। আর বাকিদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বর্ধিত হারে পেনশনের জন্য কর্মজীবনে সেই অনুপাতে পেনশন ফান্ডে টাকা জমা করেননি। এখন তাঁরা না নতুন করতে টাকা দেওয়ার জায়গায় আছেন না কর্মদাতা সংস্থা সেই খরচ টানতে চাইছে। এখন এই সমস্যা সমাধানের জন্য হয় নিয়ম, পাল্টাতে হবে নাহয় কেন্দ্র সরকার বা সুপ্রিম কোর্টকে নিয়ম শিথিল করতে হবে। তবে তারপরেও কর্মদাতা সংস্থাগুলি নতুন করে খরচ টানতে চাইবে কিনা তা নিয়ে যেমন প্রশ্ন থাকবে, তেমনি বহু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কর্মদাতা সংস্থাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে বা তা অন্য কেউ কিনে নিয়েছে। তাঁরা আর পুরাতন মালিকের কর্মীদের খরচ টানতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। আর তাই বর্ধিত হারে পেনশন মিলছে না।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্কের বার্তা, হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে মোদি

বদলার রাজনীতি চন্দ্রবাবুর, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জগনের দলের কার্যালয়

প্রজ্বল রেভান্নার ভাই সুরজ ‘সমকামী’, গ্রেফতার হলেন দলেরই কর্মী

সৌজন্য বজায় রাখলেন মমতা, মোদি-শাহকে পাঠালেন আম

ওয়ানাডে প্রিয়াঙ্কার হয়ে প্রচারে যেতে পারেন মমতা

তামিলনাডুতে বিষ মদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১  

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর