2020 New Ad HDFC 04

​পাড়ার দোকানের রুটি কালচার আর দরিদ্র দোকানী...

Share Link:

​পাড়ার দোকানের রুটি কালচার আর দরিদ্র দোকানী...

মা উনুনের পাশে বসে গরম গরম রুটি বানাচ্ছেন। আর তাঁর পাশে বসে শিশুটি গরম রুটিতে ছোট ফুটো করে তাঁর ধোঁয়া নিচ্ছে পরম তূপ্তিতে। এই দূশ্য কয়েক বছর আগেও দেখা যেত। তবে ধীরে ধীরে এই সংস্কূতির পরিবর্তন হচ্ছে। পাড়ার মোড়ে বা রাস্তায় রাস্তায় আকছার গজিয়ে ওঠা রুটির দোকান গূহস্থের সেই চেনা-পরিচিত ছবি পাল্টে দিচ্ছে। এখন আর বাড়িতে রুটি তৈরী হয় না। অফিস ফেরৎ কর্তা বা গিন্নী পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে রুটিটি নিয়েই ফেরেন। আর রুটি বেচেই সংসার চালাচ্ছেন সেই দোকানী।

 
বাঙালী তথা ভারতীয়দের প্রধান খাবারের মধ্যে রুটি অন্যতম। রুটি নিয়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য লিখেছিলেন, "পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি"। সেই রুটিই এখন রুজি-রুটি অনেক মানুষের। অফিস থেকে ফিরে আটা মেখে রুটি করার ঝামেলা পোহাতে চান না কর্মরত মহিলারা। অগত্যা ভরসা করতে হয় পাড়ার মোড়ের দোকানের ওপর। তবে রুটির দোকান হওয়ায় কর্মরত বা গূহস্থ মহিলাদেরই শুধু নয়, দোকানীরও যথেষ্ট লাভ হচ্ছে। ইদানীং যেভাবে ছত্রাকের মতো রুটির দোকান গজিয়ে উঠছে তাতে বোঝাই যাচ্ছে, রুটির চাহিদা দিনদিন বাড়ছে।
শহরের পাশাপাশি মফস্বলেও পাড়ার দোকানের রুটি কালচার বেড়ে উঠছে। রুটির দোকানকে ঘিরে অর্থনৈতিক পরিকাঠামোও আবর্তিত হচ্ছে। আগে স্বামীর দিনমজুরির টাকায় সংসার চালানো দায় হয়ে উঠেছিল মিতালীর। পাড়ারই এক দাদার পরামর্শে ভ্যানে করে রুটির বিক্রির কথা মাথায় আসে মিতালী ও তাঁর স্বামীর। প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টির মতো রুটি বিক্রি করে মিতালী। সন্ধে থেকে তেলেভাজা আর রাতে রুটি, সঙ্গে তরকারি বিক্রি করে ভালই আয় হচ্ছে তাঁদের। দুই মেয়েকে নিয়ে এবারের গরমের ছুটিতে দিঘা ঘুরে আসার ইচ্ছা রয়েছে স্বামী-স্ত্রীর। বাসস্ট্যান্ডের পাশে ছোটখাটো রুটির দোকান চালান পবন কুমার। দোকানে প্রায় ৫-৬জন কর্মী রেখেছেন। রুটির সঙ্গে মনপসন্দ তরকা, চানা মশলা, চিকেনের কিছু আইটেম রেখেছেন পবন। হাত রুটির পাশাপাশি রুমালি রুটিও বানাচ্ছেন তিনি। সন্ধের পর থেকে দোকানে ভিড় সামলানো দায় হয়ে ওঠে পবনের।
 
মায়ের হাতের তৈরি রুটি হয়ত মুখে ওঠে না। কিন্তু পাড়ার মোড়ে মোড়ে রুটির দোকানের কালচার আখেরে বহু মানুষের উপকার করেছে। যেই মানুষটির সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছিল, রুটি বেচে সেই মানুষটিই দুবেলা অন্নের সংস্থান করছে।

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-himalaya RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Pujo2020-T01

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS