এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




রবি সকালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল রামোজি রাওয়ের শেষকৃত্য




নিজস্ব প্রতিনিধি: বিনোদন মহলে এখনও শোকের ছায়া। গতকাল ভোরে মারা গিয়েছেন শিল্পপতি ও মিডিয়া মোগল রামোজি রাও। যিনি হায়দরাবাদের রামোজি রাও ফিল্মসিটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হল একটি যুগের। রবিবার সকালে রামোজি ফিল্মসিটি তেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হল রামোজি রাওয়ের। সূত্রের খবর, তেলঙ্গানা সরকারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রামোজি রাওয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। রাওয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছেন টিডিপি প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডুও।এছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার তার শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য তিনজন সিনিয়র IAS অফিসারকে মনোনীত করেছেন। আর রামোজি রাওয়ের মৃত্যুর কারণে তেলেঙ্গানা সরকার রবিবার এবং সোমবার (৯ এবং ১০ জুন) রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা করেছে।

এদিন শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে টিডিপি প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডু রামোজি রাওয়ের মরদেহ খাটিয়া এক কাঁধে নিলেন। তাঁর কাধে ছেপেই শেষকৃত্যের জন্য আগ্রসর হল রামোজি রাওএর দেহ। শনিবার ভোররাতে তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের স্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রামোজি রাও মারা গিয়েছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল, ৮৭ বছর। শনিবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত নরেন্দ্র মোদিসহ দেশের শীর্ষ নেতারা রাওয়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।শিল্পপতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি নিবন্ধে মোদি বলেছেন, “যখন আমি রামোজি রাও গারুর কথা ভাবি, তখন আমি এমন এক বহুমুখী আলোকিত ব্যক্তির কথা মনে করি যার তেজের কোনো সমান্তরাল ছিল না। তিনি একজন কৃষিপ্রধান পরিবার থেকে এসেছেন এবং বিভিন্ন বিশ্ব-সিনেমা, বিনোদন, মিডিয়া, কৃষি, শিক্ষা এবং শাসনব্যবস্থায় একটি চিহ্ন তৈরি করেছেন। কিন্তু তাঁর সমগ্র জীবনযাত্রায় যা সাধারণ ছিল তা হল তাঁর নম্রতা। তিনি একজন স্বপ্নদর্শী ছিলেন যিনি ভারতীয় মিডিয়াতে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। তার সমৃদ্ধ অবদান সাংবাদিকতা এবং চলচ্চিত্রের জগতে একটি অমোঘ চিহ্ন রেখে গেছে। তার উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে, তিনি মিডিয়া এবং বিনোদন জগতে উদ্ভাবন এবং শ্রেষ্ঠত্বের জন্য নতুন মান স্থাপন করেছেন,রামোজি রাও গারু ভারতের উন্নয়ন সম্পর্কে অত্যন্ত উৎসাহী ছিলেন। আমি সৌভাগ্যবান যে, তাঁর সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছে। এই কঠিন সময়ে তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অগণিত ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।”

 

রামোজি রাও-এর উত্তরাধিকার বিশাল, এতে অসংখ্য সফল ব্যবসায়িক উদ্যোগ এবং মিডিয়া প্রোডাকশন রয়েছে। তার নেতৃত্বে এনাডু তেলেগু মিডিয়ার একটি বড় শক্তি হয়ে ওঠে। তার অন্যান্য ব্যবসায়িক উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস উষা কিরণ মুভিজ, ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ময়ুরী ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটরস, আর্থিক পরিষেবা সংস্থা মার্গাদারসি চিট ফান্ড এবং হোটেল চেইন ডলফিন গ্রুপ অফ হোটেল। তিনি টেলিভিশন চ্যানেলের ইটিভি নেটওয়ার্কের প্রধানও ছিলেন। ২০১৬ সালে, তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মবিভূষণ পেয়েছিলেন।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

লোকসভা ভোটে ভরাডুবির পরে শুক্রে ভাগবতের সঙ্গে বৈঠকে যোগী আদিত্যনাথ

হিন্দু ধর্মকে অপমান, আমির-পুত্রের ডেবিউ ছবি মুক্তির স্থগিতাদেশ গুজরাত হাইকোর্টের

খালি গায়ে পা তুলে ‘লিটল বাবুমশাই’, ছেলেকে প্রকাশ্যে আনলেন জিৎ

সিকিমের মঙ্গন সাংকালাং-এ ব্রিজ ভেঙে পড়ার পর লাচুং এবং চুংথাং-এ আটক ১৫০০ এর বেশি পর্যটক

‘AI-এর ব্যবহার দিন দিন সাংঘাতিক হচ্ছে’, ফের ডিপফেকের শিকার আলিয়া ভাট

নিটে প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কি সিবিআই তদন্ত, কেন্দ্রের মত চাইল সুপ্রিম কোর্ট

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর