এই মুহূর্তে

বাংলা ছবির ক্ষেত্রে নতুন ছবির চাহিদা কী, সন্ধানে চলচ্চিত্র উৎসব

নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমানে বাংলা সিনেমার প্রতি অনেকটাই টান কমেছে দর্শকদের। সুপারস্টারদের ছবিগুলি দর্শকদের সিনেমাহলের দিকে টানলেও হতাশ হচ্ছেন তরুণ প্রতিভারা। এদিকে আজকাল ওয়েবসিরিজগুলি এতটাই মানুষের নজর কেড়ে নিচ্ছে যে, সিনেমাহলে খুব মানুষই ভিড় জমায়। বলিউড সিনেমাগুলি মানুষকে হলে নিয়ে যেতে পারলেও সেক্ষেত্রে বাংলা সিনেমা ব্যর্থ। একটি ছবি সুপারহিট তো অন্য ছবি মুখ থুবড়ে পড়েছে বক্সঅফিসে। আসলে সবটাই দর্শকের হাতে, বর্তমান প্রজন্ম কী দেখতে পছন্দ করেন সেটাই এখন আলোচ্য বিষয়! গত ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ২৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৩। আগামী মঙ্গলবার উৎসবের শেষদিন। এ বছর উৎসবে ৩৯ টি দেশের ২১৯ টি ছবি এসেছে। ভেনু সংখ্যা নন্দন চত্বর পেরিয়ে সাউথ সিটি মল, স্টার থিয়েটার পর্যন্তও পেরিয়েছিল। উৎসবের প্রায় প্রতিদিনই ছিল একের পর এক চমক।

দিন দুয়েক আগে উৎসবে এসেছিলেন বলিউড অভিনেতা সৌরভ শুক্লা। এছাড়াও উৎসবে আসার কথা মনোজ বাজপেয়ী, অনুরাগ কাশ্যপেরও। শনিবার কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সিনে আড্ডা’র বিষয় ছিল, ‘আজকের প্রজন্মের কাছে কোনটা আকর্ষণীয়? কাল্পনিক না বাস্তবধর্মী চলচ্চিত্র’। মঞ্চে এই বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, ঋতাভরী চক্রবর্তী এবং জিতু কমল। আর অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন রাজ চক্রবর্তী। আলোচনার শুরুতেই প্রসেনজিৎ বললেন, “কল্পনার মিশেলে বাণিজ্যিক ছবি যতখানি প্রয়োজন, ঠিক ততটাই বাস্তবধর্মী ছবিরও প্রয়োজন।’ শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ ছবিটা না করলে আমার মনে হয় না, ‘উৎসব’ করতে পারতাম। কারণ, বাণিজ্যিক ছবিই আমাকে তারকা তৈরি করেছে।” তাঁর কথায় সাহিত্য-নির্ভর বাংলা ছবিও আজকাল দর্শকরা দেখতে চান। তবে ঋতাভরী বিতর্ককে না বাড়িয়ে যুক্তি দিলেন, “যিনি পেন্টিং পছন্দ করেন, তাঁর কাছে পাবলো পিকাসো এবং রাজা রবি বর্মার ছবি সমান গুরুত্বপূর্ণ।” নতুন প্রজন্ম পছন্দের বিষয়ে আবীর বলেন, “আমাদের তাঁদের থেকেই বেশি করে শোনা উচিত। কারণ, দিনের শেষে ছবি তৈরি হয় দর্শকদের কথা ভেবেই।”

খরাজ বলেন, “আগের মতোই লার্জার দ্যান লাইফ চরিত্র দর্শক এখনও দেখতে চান। শুধু খেয়াল রাখতে হবে, অভিনয়টা যেন বাস্তবধর্মী হয়।” আর জিতু বললেন, “আমার সেই ছবিই পছন্দ, যেখানে কল্পনা বাস্তবের কাছাকাছি যায়।” অন্যদিকে প্রসেনজিৎ উপসংহারে বলেন, “আগে দেখতাম, ১০-১২ বছর অন্তর বাংলা ছবির ধারায় পরিবর্তন আসে। এখন দেখি, খুব দ্রুত বদল আসছে। কারণ, ওটিটির জন্য প্রতি দিন অগণিত কনটেন্ট দর্শক দেখছেন এবং তাঁদের চাহিদা বদলে যাচ্ছে।” এদিকে শনিবার উৎসবে সত্যজিৎ রায় স্মারক বক্তৃতা দেন আমেরিকান পরিচালক লরেন্স কার্ডিশ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অপর্ণা সেন।

Published by:

Sushmitaa

Share Link:

More Releted News:

‘পোচার’ মুক্তির পরেই পোষ্য এডওয়ার্ডের সঙ্গে ছবি পোস্ট আলিয়ার

প্রকাশ্যে ‘The Crew’ টিজার, নজর কাড়ল করিনা-কৃতি-টাবুর অভিনয়

ফের বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করছেন টলিউড অভিনেত্রী ইধিকা

১৩ বছর ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার জনপ্রিয় অভিনেতা

মায়ের মৃত্যু দিবসে গোপন ছবি সামনে আনলেন কন্যা খুশি কাপুর

ডোনা ও রচনার হাত ধরে ধামসা নাচলেন মুখ্যমন্ত্রী, প্রকাশ্যে বিশেষ পর্বের প্রোমো

Advertisement

এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর