corona 01

করোনাকে হারিয়ে জয়ী বিশ্বের অন্যতম স্থুলকায় ব্যক্তি

Share Link:

করোনাকে হারিয়ে জয়ী বিশ্বের অন্যতম স্থুলকায় ব্যক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সর্বকনিষ্ঠ ও সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তিরা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে অনায়াসে হারিয়ে জয়ী হয়ে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন। তাঁদের অদম্য লড়াইকে কুর্ণিশ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। তবে এবার করোনার সঙ্গে জীবনযুদ্ধে লড়াই হয়ে তিনি সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি সর্বকনিষ্ঠও নয়, সবচেয়েও প্রবীণও নন। বরং এক অন্য রেকর্ডের অধিকারী।

তিন বছর আগে বিশ্বের সবচেয়ে স্থুলকায় ব্যক্তি হিসেবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পাতায় ঠাঁই পাওয়া মেক্সিকোর বাসিন্দা জুয়ান পেদ্রো ফ্রাঙ্কোর নাম অনেকেই হয়তো শুনেছেন। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং পাকস্থলীর নানা সমস্যায় জর্জরিত ৩৬ বছরের পেদ্রো এবার মারণ ভাইরাসকে জয় করে চিকি‍ৎসকদেরও চমকে দিয়েছেন।

করোনার বেনজির তাণ্ডবে গত কয়েক মাস ধরেই লণ্ডভণ্ড মেক্সিকো। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে মৃত্যুঝড়ও উঠেছে। প্রতিদিন শ’য়ে-শ’য়ে মানুষ অদৃশ্য ভাইরাসের ছোবলে মৃত্যুর মিছিলে নাম লিখিয়ে চলেছেন। এখনও পর্যন্ত ঝরেছে ৭৪ হাজারের বেশি প্রাণ। করোনায় মৃতদের অনেকেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং স্থুলতার মতো রোগে আক্রান্ত ছিলেন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছিল পেদ্রোর পরিবারেও। মারণ ভাইরাসের ছোবলে নিজের মাকে হারিয়েছিলেন এক সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে মোটা মানুষের তকমা পাওয়া পেদ্রো ফ্র্যাঙ্কো। নিজেও আক্রান্ত হয়েছিলেন মারণ ভাইরাসের শরীরে।

পেদ্রোর শারীরিক স্থুলতার কারণে বেশ আতঙ্কে ছিলেন চিকি‍ৎসকরা। পেদ্রোর চিকি‍ৎসক জোসে অ্যান্টনিও কাসটানেদার কথায়, ‘যারা ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগে ভুগছেন, তারা করোনাভাইরাসের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই ভাইরাসকে হারিয়ে তাদের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবে পেদ্রোর ফিরে আসার ঘটনা অবশ্যই ব্যতিক্রমী।’ আর করোনার মতো মারাত্মক শত্রুকে হারিয়ে পেদ্রো ফ্র্যাঙ্কো ফরাসি বার্তা সংস্থা ‘এএফপি’কে বলেছেন, ‘করোনা নিশ্চিতভাবে মারণ রোগ। আমার মাথা ব্যথা, শরীর চুলকানো, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা এবং জ্বর ছিল। চিকি‍ৎসকরা জানিয়েছিলেন, আমি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিলাম। কিন্তু লড়াইয়ে কখনও জাল ছাড়িনি।’

মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলের আগুয়াসকালিয়েনতেস শহরের বাসিন্দা ফ্র্যাঙ্কো পেদ্রো তাঁর স্থুলকায় চেহারার জন্য ২০১৭ সালে গোটা বিশ্বে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বিশ্বের সবচেয়ে স্থুলকায় ব্যক্তি হিসেবে ঠাঁই পেয়েছিলেন। তখন তাঁর ওজন ছিল ৫৯৫ কেজি। যা পুরুষ পোলার ভাল্লুকের চেয়ে বেশি। যদিও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিন বছরে ৩৮৭ কেজি ওজন কমেছে পেদ্রোর।  

corona 01

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-himalaya RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-LDC Egg

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

2020 New Ad HDFC 05

Editors Choice

Pujo2020-T01