Comm Ad 2020-Valentine body

সিলেন্ডার ফেটে বিধ্বংসী আগুন বাগবাজারের বস্তিতে

Share Link:

সিলেন্ডার ফেটে বিধ্বংসী আগুন বাগবাজারের বস্তিতে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার দুপুরে মানিকতলার এক ব্যাটারি কারখানায় লেগেছিল আগুন। তাতে হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও ঘটনাস্থলে দমকলীর ১১টি ইঞ্জিনকে দৌড়াতে হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই এবার বুধ সন্ধ্যায় বিধ্বংসী আগুন লাগার ঘটনা ঘটলো উত্তর কলকাতারই বাগবাজার এলাকায়। সিলিন্ডার ফেটে এদিন সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ বাগবাজারের বস্তি এলাকায় এই আগুন লাগে। এখনও পর্যন্ত আগুনে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া না গেলেও ঘটনাস্থলে দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। ঘটনার জেরে আতঙ্কের পাশাপাশি তীব্র যানজট ছড়িয়ে পড়েছে ওই এলাকায়।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বাগবাজার উইমেন্স কলেজের কাছে থাকা হাজারি বস্তিতে একটি ঝুপড়িতে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার ফেটেই এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গোটা বস্তি কার্যত দাহ্য বস্তুতে ঠাসা থাকায় মুহুর্তের মধ্যে গোটা এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দমকলের একের পর এক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। দমকলকর্মীরা নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে আগুন নেভানোর কাজও শুরু করে দেন। কিন্তু একের পর এক সিলিন্ডার ফেটে আগুন প্রায় ২০-২৫ তলা বাড়ির সমান উচ্চতায় উঠে যায়। সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে নানা সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ভাইরাল হতে দেরী হয়নি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে প্রায় ৪২টি বাড়ি কার্যত পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। বাড়িগুলিতে থাকা  সেখানকার বাসিন্দাদের ইতিমধ্যেই বার করে আনা হয়েছে বলে শ্যামপুকুর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগুন লাগায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের একাংশ গাড়ি চলাচল চূড়ান্ত ভাবে বিঘ্নিত হয়ে পড়েছে। ব্যাপক যানজটে নাজেহাল দশা অফিস ফেরত নিত্যযাত্রীদের।  



দমকল সূত্রে খবর, উত্তুরে হওয়ায় যত দ্রুত না আগুন ছড়িয়েছে তার থেকেই বেশি দ্রুত ছড়িয়েছে বস্তির ঘরে ঘরে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার ফেটে। কার্যত সেই কারনেই আগুন প্রথম থেকেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আগুনের লেলিহান শিখা ঝুপড়িগুলিকে গ্রাস করার পাশাপাশি সেই ঝুপড়ির পাশে থাকা বহুতল বাড়িগুলিকে ছুঁয়ে ফেলে। আগুন নেভানোর জন্য দমকল ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও ক্ষিপ্ত বস্তিবাসী শ্যামপুকুর থানার ওসির গাড়ি ভাঙচুর করে। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। সূত্রের খবর, কমপক্ষে শতাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তাঁদের বাসস্থান চলে গিয়েছে আগুনের গ্রাসে। সারদা মায়ের বাড়ির অফিসের একাংশও আগুনে পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। তারই মধ্যে পুলিসের বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। গিরিশ পার্ক থেকে সেন্ট্রাল অবধি যার জেরে বন্ধ করে দেইয়া হয় যান চলাচল। সেই কারনে আবার ব্যাপক যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দমকলকে খবর দেওয়া হলেও তাঁরা দেরীতে এসেছে। যদিও দমকলের দাবি বস্তির পথ সংকীর্ণ ও ঘিঞ্জি হওয়ার ফলে অকুস্থলে পৌঁছতে বেশ কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে দমকল কর্মীদের। বর্তমানে দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগুন লাগার প্রায় ৪৫ মিনিট পর দমকল এসে পৌঁছয়। কিন্তু ততক্ষণে প্রায় ৭-৮ সিলিন্ডার ফেটে যায়। ফলে হাওয়ার বেগে আগুন ছড়িয়ে যেতে থাকে এবং গোটা বস্তিকে গ্রাসে নিয়ে নেয়।



 

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-Valentine RC

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 008 Myra
corona 02