Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

পুজো বন্ধ করার পথে হাঁটা দিল না হাইকোর্ট! মুখ পুড়ল গেরুয়ার

Share Link:

পুজো বন্ধ করার পথে হাঁটা দিল না হাইকোর্ট! মুখ পুড়ল গেরুয়ার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপির বাড়া ভাতে কার্যত ছাই দিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্গাপুজো বন্ধ করার জন্য যে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল সেই মামলায় আদালত পুজো বন্ধ করার কোনও রায়ই দিল না। তবে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার করে যে অনুদান দিচ্ছে তা মণ্ডপসজ্জা, প্রতিমা, পুজাচারের জন্য খরচ করা যাবে না। খরচ করা যাবে না বিনোদন ক্ষেত্রেও। ওই টাকা খরচ করতে হবে জনগনের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় সাধনের জন্য ও মাস্ক-স্যানিটাইজার কেনার জন্য। সেই টাকা খরচের হিসাব হিতে হবে রাজ্য সরকারকে। রাজ্য তা জামা দেবে আদালতে। একই সঙ্গে পুজোর সময় পুলিশ যে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে তা নিয়ে হলফমামা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে।

কলকাতা হাইকোর্টে মোট ২টি মামলা দায়ের হয় দুর্গাপুজো নিয়ে। একটি মামলা দায়ের হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া রাজ্য সরকারের অনুদান নিয়ে ও দ্বিতীয়টি দায়ের হয় করোনাকালে বারোয়ারি পুজো বন্ধ করে দেওয়ার আর্জি নিয়ে। দুইটি মামলাই গেরুয়া শিবিরের মদতেই দায়ের করা হয়। দুইটি মামলাই একযোগে শুনানি শুরু হয়েছে গতকাল থেকে। আজ ছিল শুনানির দ্বিতীয় দিন। মামলাকারীদের তরফে আদালতে দাবি করা হয়েছিল পুজোর অনুদান বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হোক ও বারোয়ারি পুজো বন্ধ করা হোক। কিন্তু বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সেই পথে হাঁটা দেননি। ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানিয়ে দেন, কোনও পুজো কমিটি রাজ্য সরকারের দেওয়া অনুদানের টাকা বিনোদনের জন্য খরচ করতে পারবে না। সেই সঙ্গে টাকা খরচের পূর্ণাঙ্গ হিসেবও তাদের দিতে হবে রাজ্য সরকারের কাছে। রাজ্য সরকারকে আবার তা হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে হাইকোর্টের কাছে। তারপর সেই খরচের অডিট হবে।
 
এদিন ডিভিশন বেঞ্চ এটাও জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকারের দেওয়া অনুদানের টাকা কোনও আলংকারিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। ওই টাকা থেকে ২৫% পুলিশ ও জনগণের সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। বাকি ৭৫% টাকা খরচ করতে হবে সরকারের কথা অনুযায়ী, মাস্ক ও স্যানিটাইজার কেনার কাজেই। একই সঙ্গে ডিভিশন বেঞ্চ এটাও জানিয়েছে এই মামলা এখনই শেষ করা হচ্ছে না। এদিনকার দেওয়া নির্দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঠিক ভাবে পালন করা হয়েছে কিনা, এ ব্যাপারে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে। সেই সঙ্গে পুলিশকে এটাও হলফনামা দিতে হবে যে পুজোর ভিড় ঠেকাতে তাঁরা সক্ষম। এই রায়ের জেরে এখন পুজো নিয়ে দেখা দেওয়া যাবতীয় দুশ্চিন্তা কার্যত এক নিমেষে হাওয়া হয়ে গেল। পুজো হওয়া নিয়ে আর কোনও বাধা রইল না। একই সঙ্গে যারা পুজো বন্ধ করতে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছিল তাঁদের মুখ পুড়লো। তবে একথাও ঠিক এই অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে সমস্যায় পড়বে ছোট পুজোগুলি। কারন পুজো করার ক্ষেত্রে তাঁদের ভরসা ছিল রাজ্য সরকারের দেওয়া অনুদান। সেই অনুদান যদি পুজো জন্য খরচ না করা যায় তাহলে পুজো হবে কীভাবে!

Comm Ad 2020-LDC epic

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-himalaya RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-himalaya RC

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS