2020 New Ad HDFC 04

বিদ্যুৎ পরিষেবা বিপর্যস্ত, স্বীকার শোভনদেবের! ববি দিলেন আশ্বাস

Share Link:

বিদ্যুৎ পরিষেবা বিপর্যস্ত, স্বীকার শোভনদেবের! ববি দিলেন আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিনিধি: আম্ফানের তান্ডবে কলকাতা সহ দুই ২৪ পরগনা জেলা এবং হাওড়া ও হুগলি জেলায় চূড়ান্ত ভাবে বিপর্যস্থ জল, বিদ্যুৎ ও মোবাইল-ইন্টারনেট-ফোন পরিষেবা। এই পাঁচ জেলায় বিদ্যুৎ পরিষেবা যে কার্যত ভেঙে পড়েছে সেটা এদিন স্বীকার করে নিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কারণ হিসাবে উঠে এসেছে এই জেলাগুলির প্রায় ৯০ ভাগ সাবস্টেশন আম্ফানের দাপটে ক্ষতিগ্রস্থ, বিদ্যুতবাহী তার ছিঁড়ে পরিষেবা চূড়ান্ত ভাবে বিপর্যস্ত এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে কিছু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা রাখার ঘটনা। তবে তারই মধ্যে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, আগামী ৭দিনের মধ্যে কলকাতাকে আবার সচল করে দেওয়ার।


 
রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে রাজ্যের ৬০ শতাংশ সাবস্টেশন বিপর্যস্ত। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি, এই পাঁচ জেলায় বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই বললেই চলে। সেই সঙ্গে নদিয়া, দুই মেদিনীপুর, মালদা, বীরভূম-সহ একাধিক জেলায় আংশিক ভাবে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। আম্ফান বিধ্বস্ত জেলাগুলির মোট ২৩৫টি সাবস্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়ের দাপটে। শুক্রবারের মধ্যে ১৪৯টি সাবস্টেশনকে সক্রিয় করতে পেরেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। রাজ্যের প্রায় ১ কোটি গ্রাহকের বাড়িতে বিদ্যুৎ পরিষেবা চূড়ান্তভাবে ব্যাহত হয়েছে। তবে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাজ্য বিদ্যুৎদপ্তরের ১৫-২০ হাজার কর্মী পরিষেবা সচল রাখার চেষ্টায় লেগে রয়েছেন।


 
এদিকে, ৪৮ ঘণ্টা পরেও কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও বিদ্যুৎ ও পানীয় জলহীন। দুর্ভোগে দিশেহারা শহরবাসী। ক্ষোভের জেরে শুক্রবার বাইপাস, বেহালা, তপসিয়া, যাদবপুর, খিদিরপুরে রাস্তা অবরোধ করেন দুর্ভৈগে থাকা জনতা। শহরবাসীর অভিযোগ, সিইএসসির টিম ঢিমেতালে কাজ করছে। পুরসভা গাছ সরাচ্ছে না, এই অভিযোগে তারা বিদ্যুৎ দিচ্ছে না। বারবার ফোন করলেও সিইএসসি সাড়া দিচ্ছে না। ফলে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎহীন। এর জেরে কলকাতার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সিইএসই’র সঙ্গে এদিনই বৈঠকে বসেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। তবে সিইএসসির তরফে রাত পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি এই বেহাল পরিষেবা নিয়ে।


 
অন্যদিকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম শুক্রবার কার্যত হাতজোড় করে শহরবাসীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, ‘সাতদিন সময় দিন, তার মধ্যে কলকাতাকে সচল করে দেব।’ শুক্রবার পুরভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এই আশ্বাস দেন মন্ত্রী তথা প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘শহর কলকাতায় বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন। সিইএসসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তারা আমাকে জানিয়েছেন, শনিবারের মধ্যে বিদ্যুৎসংযোগ জুড়ে দেওয়া হবে। শনিবারের মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যা মিটে যাবে। দরকার পড়লে আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আমি কাজ শেষ করব।’ তবে পুরভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিদ্যুৎ পরিষেবার ব্যাঘাত নিয়ে সিইএসসি ও পুরনিগমের মধ্যে সংঘাতের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য একে অপরের দিকে দোষারোপ করছে সিইএসসি ও কলকাতা পু্রনিগম কর্তৃপক্ষ।


 
যদিও এদিন প্রাক্তন মেয়র জানিয়েছেন, ‘এত বড় বিপর্যয় হবে তা কে ভেবেছিল। কেউই প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু এখন ঝগড়া করার সময় নয়। আমার কাছে জাদুদণ্ডও নেই যে ম্যাজিক করে সব ঠিক করে দেব। কেউই পারবে না। আমিও সিইএসসিকে বলেছি, পারস্পরিক দোষারোপ করার সময় নয়। গাছ কাটা নিয়ে দুই কর্তৃপক্ষই মিলে কাজ করতে হবে। সিইএসসি কলকাতা পুরনিগমের অধীনে নয়। তাই আমরা আজ সমন্বয় বৈঠক করে সবকিছু ঠিক করার চেষ্টা করছি। আয়লার পর ওড়িশা দেড় মাস সময় নিয়েছিল স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে। একটু সময় তো দিতেই হবে। অনন্ত সাতদিন লাগবে কলকাতাকে স্বাভাবিক করতে। ফের সচল করতে হলে এই সময়টুকু দিতেই হবে।’

Comm AD 12 Myra

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 008 Myra

Editors Choice

Comm Ad 025 Confed