Comm Ad 2020-LDC epic

সোহরাবের হোটেলে-অফিসে তল্লাশি ইডির! নজরে সল্টলেকের ব্যবসায়ীও

Share Link:

সোহরাবের হোটেলে-অফিসে তল্লাশি ইডির! নজরে সল্টলেকের ব্যবসায়ীও

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার সকাল থেকেই কয়লাপাচার কাণ্ডে কলকাতা সহ রাজ্যের ১০-১২টি জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি শুরু করেছে সিবিআই। ঘটনাচক্রে এদিন সকাল থেকেই আবার অভিযানে নেমেছে ইডিও। আর ইডি এদিন সকালে যার বাড়িতে হানা দিয়েছেন তিনি রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক মহম্মদ সোহরাব যার ছেলের নাম উঠে এসেছিল রেড রোডে এক নৌসেনাকে ধাক্কা দিয়ে পিষে মারার ঘটনায়। একই সঙ্গে সল্টলেকেও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডি অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। দুইজনের সঙ্গেই কয়লা ও গরুপাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলে ইডির কাছে তথ্য এসে পৌঁছেছে। এই দুজনের মাধ্যমে বেশ মোটা অঙ্কের কালো টানা নানা জায়গায় বিনিয়োগ হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। সেই কারনেই ইডির এই হানাদারি।
 
জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকেই সোহরাবের হোটেলে ও অফিসে তল্লাশি চালাছেন ইডির আধিকারিকেরা। সোহরাবের ফলের ব্যবসাও রয়েছে। তাঁর এই সব ব্যবসার মাধ্যমেই গরু ও কয়লা পাচারের টাকা নানা জায়গায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। কোথায় কোথায় কত পরিমাণের টাকা বিনিয়োগ হয়েছে সেটাই এখন খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। একইসঙ্গে তাঁর আয় বহির্ভূত সম্পত্তির বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসাররা। রেড রোডে গাড়ি দুর্ঘটনায় শিরোনামে আসে মহম্মদ সোহরাবের ছেলের নাম। সেই সময় বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়ি থেকে শুরু করে নানা ধরনের ব্যবসার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছিল কলকাতা পুলিশের হাতে। এমনকি, বাংলাদেশ যোগও পাওয়া যাচ্ছিল সোহরাবের। এখন ইডির আধিকারিকেরা খতিয়ে দেখতে চাইছেন, সোহরাব কোনও ভাবে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে গরু পাচার কাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত কিনা। পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে সোহরাবের। সেই টাকার উৎস সন্ধানেও নথিপত্র ঘেঁটে দেখছেন ইডির আধিকারিকেরা। বুধবার ভোর থেকেই ইডির একটি দল কলকাতার বড়বাজারের মেছুয়াপট্টিতে সোহরাবের হোটেল এবং অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছে। বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
 
একই রকম ভাবে বুধবার সকাল থেকেই সল্টলেকে অভিযান শুরু করেছেন ইডির আধিকারিকেরা। বিজন হালদার নামে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেন আয়কর দফতরের বেশ কয়েকজন আধিকারিক। তাঁর কাছে হিসাব বহির্ভূত টাকা রয়েছে, এমনটাই খবর আধিকারিকদের কাছে। সূত্রের খবর, গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত এনামূল হকের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। প্রায় ১৫ বছর ধরে সল্টলেক বিবি ব্লকে পরিবার নিয়ে থাকেন বিজন। তবে এলাকায় খুব একটা মেলামেশা করেন না। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, এনামূলের অবৈধ টাকা বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হতো। এদিন সেরকমই কয়েকজনের বাড়িতে হানা দেন সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা। তালিকায় নাম রয়েছে বিজনেরও। সল্টলেকের বিবি ব্লকের বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে সিআরপিএফ মোতায়েন করে ভিতরে প্রবেশ করেন আয়কর কর্তারা।

Comm AD 12 Myra

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-Valentine RC

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Momo
corona 02