2020 New Ad HDFC 04

আজকের মিছিলে যোগ না দিলেই পদ হারাবেন শোভন-বৈশাখী

Share Link:

আজকের মিছিলে যোগ না দিলেই পদ হারাবেন শোভন-বৈশাখী

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত সোমবারের মিছিলে যোগ দেবেন বলেও শেষ মুহুর্তে সেই মিছিলে আর যোগ দেননি তাঁরা। তার জেরে ভরা বাজারে রীতিমত অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। যাদের জন্য মিছিলের আয়োজন সেই তাঁরাই যদি না আসেন তাহলে দলের প্রস্টিজ আর থাকে কোথায়। সেই প্রেস্টিজ তো পাংচার হয়েইছিল সেই সঙ্গে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছিল দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আজ আবার আরেক সোমবার। আজ আবার আরও এক মিছিলের হয়েছে আয়োজন। এবারেই ওই দুইজনকে মাঠে নামানোর তাগিদেই হয়েছে মিছিলের বন্দোবস্ত। তবে এবারে আমন্ত্রণের পাশাপাশি সতর্কীকরণের বার্তাও পৌঁছে গিয়েছে দুইজনের কাছেই। ‘হয় এবার নয় নেভার’এর ধাঁচে তাঁদের এখন পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সোমবারের মিছিলে না এলে, না যোগ দিলে, না হাঁটলে খোয়া যাবে পদ। দলও আর তাঁদের পাশে থাকবে না। কার্যত সেই রামঠেলার জেরেই রবি রাতে তাঁরা সোজা চলে এলের দলের নির্বাচনী কার্যালয়ে বৈঠকে যোগ দিতে। তাঁরা মানে শোভন আর বৈশাখী।
 
রবিবার রাতে বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয়ে আসেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের স্বাগত জানান শঙ্কুদেব পন্ডা। এরপরেই শুরু হয় বৈঠক। সূত্রে জানা গিয়েছে বৈঠকে এই ৩জন ছাড়াও ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সুনীল বনসল, দেবজিৎ সরকার, গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত সহ আরও বেশ কিছু নেতা। তবে বৈঠক নিয়ে খুব একটা বেশি মুখ খোলেনি উভয়পক্ষই। শোভন শুধু জানান, ‘দল ডেকেছে তাই এসেছি।’ তবে শোভন এদিন কিছুটা হলেও হাল্কা চালে তৃণমূলকে ছুঁয়ে গিয়েছেন সমালোচনার ধাঁচে। বলেছেন, ‘যাঁরা দল প্রতিষ্ঠা করলেন, তাঁরা যে ব্যবহার পেলেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। কাদের বহিরাগত বলা হচ্ছে, বুঝতে পারছি না। নাড্ডাজির কনভয়ে হামলা অভিপ্রেত নয়।’ বৈশাখী জানান, ‘কেউ কেন্দ্রীয় ভূমিকায় থাকব না। সকলেই বিজেপি কর্মী হিসেবে কাজ করব।’ যদিও সোম বিকালে তাঁরা ঠিক কী করবেন তা বোধহয় জানেন স্বয়ং ভগবান। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের মিছিলে না যোগ দিলে শোভন ও বৈশাখীর পদ কেড়ে নিতে পারে দল। শোভনকে সম্প্রতি দলের কলকাতা জোনের পর্যবেক্ষক আর বৈশাখীকে সহ পর্যবেক্ষক করা হয়েছে।  
 
রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম বিকালে দক্ষিন কলকাতার গোলপার্ক থেকে মিছিল শুরু হয়ে তা যাবে সেলিমপুর পর্যন্ত। তবে শোনা যাচ্ছে, গতবারের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার মিছিল থেকে নিজেদের দূরে রাখতে চলেছেন দলের অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা। বরং দুই পর্যবেক্ষককে তাঁরা কার্যত পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এদিন দক্ষিণ কলকাতাতেই আরেকটি মিছিলের প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে গেরুয়া শিবির। বস্তি উন্নয়ন শাখার নামে হতে চলা সেই মিছিলে আবার কারা শামিল হবেন, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু সেই মিছিলের জন্য পুলিশ এখনও অনুমতি দেয়নি বলেই খবর। বিজেপির কলকাতা জোনের কমিটির পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। সহ-আহ্বায়ক পদে বৈশাখীর পাশাপাশি রয়েছেন শঙ্কুদেবও। আর সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন বৈশাখী। গতবার মিছিলে যোগ না দেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছিল এই বিষয়টি। যদিও শোভন কেন মিছিলে যোগ দিতে চাননি, তা স্পষ্ট করেননি। এবার দুই নেতাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে পদ্ম শিবির। কিন্তু তাঁরা শেষমেষ কী করেন তা বোধহয় একমাত্র ভগবানই জানেন।

Comm Ad 2020-WB Tourism body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-WBSEDCL RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo