Comm Ad 2020-WB Tourism body

অধীরকে মমতার বিকল্প মানতে নারাজ বামেরা! জোট নিয়ে জট শুরুতেই

Share Link:

অধীরকে মমতার বিকল্প মানতে নারাজ বামেরা! জোট নিয়ে জট শুরুতেই

নিজস্ব প্রতিনিধি: বামেরা তখন ক্ষমতায়। বাংলা পেয়েছিল তাঁর অগ্নিকন্যাকে। এখন তাঁর হাতেই বাংলার কর্তৃত্ব। বছর বছর নানা ক্ষেত্রে তাঁর হাত ধরেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নজীর গড়ছে বাংলা। গোটা বাংলা কার্যত ‘দিদি’ নামে অজ্ঞান। আজও তিনি মাঠেঘাটে অবাধ বিচরণ যেমন করতে পারেন তেমনি রাস্তায় নামলে নামে মানুষের ঢল। একটু কাছ থেকে দেখার আশায়, একটু ছোঁয়ার আশায়, একটু স্নেহ পাওয়ার আশায় মানুষে আজও তাঁকে দেখতে কাতারে কাতারে ভিড় করে রাস্তার দুই ধারে। তাঁর বিকল্প কিনা অধীর চৌধুরী, যে তাঁর নিজের জেলাতেই নিজের দলের প্রার্থীদের জেতাতে পারে না। যে তাঁর নিজের দলের বিধায়কদের-নেতাদের দলে ধরে রাখতে পারে না। তাই তিনি আর যাই হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প নন। তাই তাঁকে মুখ করে ভোটে যাবে না বামেরা। তাতে যদি জোট নাও হয় নাও হবে। এমনটাই জানিয়ে দিল রাজ্য বাম নেতৃত্ব।
 
কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের আসন রফা সংক্রান্ত আলোচনা এখনও শুরু হয়নি। কিন্তু সেই আলোচনা শুরুর আগেই কংগ্রেসের একটি অংশ প্রকাশ্যেই সরব হয়েছে আগামী রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তুলে ধরে ভোটে যেতে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই তীব্র আপত্তি রয়েছে বামেদের। এক তো বামেরা যতদিন রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল তাঁরা কাউকে মুখ হিসাবে তুলে ধরে কোনও নির্বাচনে যেত না। তা সে বিধানসভার নির্বাচনই হোক, কী লোকসভার নির্বাচন, কিবা পঞ্চায়েত-পুরসভা। সব সময় ভোটের পরেই এই বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা দলের তরফেই নেওয়া হত। তবে জ্যোতি বসু বা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি ব্যতিক্রমী ছিল। কোনও ঘোষণা ছাড়াই তাঁরা কার্যত মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ওই দুইজনের পাশে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে মেনে নেওয়া বামেদের পক্ষে সম্ভব নয়। একই রকম ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা বা গ্রহণযোগ্যতার ধারে কাছে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে দেখা যায় না। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁকে মুখ কত্রে ভোটে নামলে মানুষ ফিরেও তাকাবে না, সেটাই স্বাভাবিক। তাই বামেরা রাজি নন অধীরকে মুখ করে ভোটে যেতে।
 
এই হিসেবনিকেষের বাইরেও আরও হিসাব আছে যা বাম নেতৃত্ব মাথায় রাখলেও এখনই সামনে আনতে দিতে চান না। আলিমুদ্দিন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে যেভাবে আসন বন্টন হয়েছিল দুই শিবিরে তাতে চূড়ান্ত ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি ও সিপিআইয়ের মতো বাম শরিকদলগুলি। তাঁরা যে সব আসনে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছিলেন সেই সব আসনে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু বিকল্প আসন সেভাবে এই বাম দলগুলি পায়নি। আবার এটাও দেখা যায় দুই শিবিরে জোট হলেও ভোটপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে দুই শিবিরে দুই ভিন্ন চিত্র। বামেদের ভোট কংগ্রেস প্রার্থী পেলেও কংগ্রেসের ভোট বাম প্রার্থীরা পাননি, সেই ভোট চলে গিয়েছে তৃণমূলে। আর সেই ধাক্কাতেই কিবা সিপিএম কিবা বাম শরিকদলগুলি, সকলের আসন কমে গিয়েছে। কিন্তু কংগ্রেসের আসন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। এবার আর এই ভুল করতে রাজি নন বাম নেতারা। দীর্ঘদিন ধরে বামেরা যে আসনে লড়াই করে আসছে সেই সব আসন এবার তারা আর কংগ্রেসের হাতে তুলে দিতে চান না। শরিকদলগুলির কিছু আসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজেদের আসনও নিশ্চিত করতে চাইছে সিপিএম। নিশ্চিত মানে জিত আসবে যে জায়গা থেকে। আর এই ক্ষেত্রে কংগ্রেসের সঙ্গে যদি মতের অমিল হয় তাহলে প্রয়োজনে বামেরা একাই লড়বে বলে ঠিক করে রাখা হয়েছে। তার জন্য তলে তলে সিপিএম তো বটেই শরিক দলগুলিকেও আসন ধরে ধরে প্রার্থী ঠিক করে রাখতে বলা হয়েছে।

Comm Ad 005 TBS

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 006 TBS

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

2020 New Ad HDFC 05

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-himalaya RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-Valentine RC