Comm Ad 2020-tantuja-body

ভোটের মুখে জোটকে ধাক্কা দিয়ে জার্সি বদল বাম বিধায়কের! যোগদান তৃণমূলে

Share Link:

ভোটের মুখে জোটকে ধাক্কা দিয়ে জার্সি বদল বাম বিধায়কের! যোগদান তৃণমূলে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঠিক ৬ মাস দূরে যখন রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন তখনই উইকেট পড়লো বাম-কংগ্রেস শিবিরে। দুই শিবিরের মধ্যে যখন জোট প্রক্রিয়ার আলোচনা শুরু হতে চলেছে ঠিক সেই সময়ে জার্সি বদলে ফেললেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) বিধায়ক রফিকুল ইসলাম। এদিন তিনি যোগদান করলেন তৃণমূলে। যোগ দেওয়ার কারন হিসাবে তুলে ধরলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার কথা। সাফ জানালেন, ‘বিজেপির বিরুদ্ধে একমাত্র লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলাম।’

জানা গিয়েছে, এদিন কলকাতায় এসে তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে গিয়ে লাল শিবির ছেড়ে ঘাসফুলে নাম লেখান বিধায়ক রফিকুল ইসলাম। এদিন তিনি রাজ্যের পূর্ত মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা তুলে নিয়ে নিজের জার্সি বদলে ফেলেন। ২০১৬ সালে এই রফিকুল বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী হয়েছিলেন। মাত্র ৪৯২ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাস্ত করেন তৃণমূলের প্রার্থী তথা এলাকার তৎকালীন বিধায়ক এটিএম আবদুল্লাহকে। ২০১৯ সালে তৃণমূল বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র ধরে রাখার পাশাপাশি বসিরহাট উত্তর কেন্দ্রেও লিড তোলে। এবারে ওই আসন পুনরুদ্ধারের জন্য তৃণমূল এখন থেকেই কোমর বেঁধেছে। এইরকম অবস্থাতেই এদিন জোড়াফুলে যোগদান করলেন রফিকুল। যোগদান করে এদিন তিনি জানান, ‘বাংলা তথা দেশের এখন সব থেকে বড় শত্রু বিজেপি। সেই বিজেপির বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আর কেউ লড়ছে না। তাই সেই লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছি।’
 
তবে বাম শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারে রফিকুল সাহেব বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট পেতেন না। তাই নিজের সিট বাঁচাতে দল বদলে ফেলেছেন। তবে এটা সন্দেহ নেই যে বাম-কংগ্রেসের মধ্যে যখন জোট নিয়ে আলোচনা শুরু হতে চলেছে তখন গতবারের জোট প্রার্থী ও জয়ী বিধায়কের দলবদল কার্যত বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল। অনেকেরই অভিমত বাম-কংগ্রেস জোট বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে নামার বদলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নামছে। এতেই দুই দলের নীচুতলার কর্মী ও সমর্থকদের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে। তার জেরেই দলত্যাগের ঘটনা ঘটছে বারংবার। ২০১৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে জোট প্রার্থী হিসাবে যারা জয়ী হয়েছিলেন তাঁদের অনেকেই খাতায় কলমে বাম বা কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে রয়ে গেলেও তাঁরা কার্যত তৃণমূলের হয়েই কাজ করছেন। সেই দলে ঢুকে গেলেন রফিকুলও। স্বাভাবিক ভাবেই এবার জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাবে আমজনতার মধ্যে।

Comm Ad 018 Kalna

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Momo

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

2020 New Ad HDFC 05

Editors Choice

Comm Ad 2020-WB Tourism RC