corona 01

ছন্দহারা উৎসব, ছন্দহারা ট্রেন-মেট্রো! জারি হরেক কিসিমের বিধি

Share Link:

ছন্দহারা উৎসব, ছন্দহারা ট্রেন-মেট্রো! জারি হরেক কিসিমের বিধি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বছরটা যে স্বাভাবিক নয় সেটা সবাই জানে। তবুও সেই বছর মেনে উৎসব আজ এসে দাঁড়িয়েছে দুয়ারে। অনান্যবার এই উৎসবের জন্য এক হপ্তা আগে থেকেই সেজে ওঠে লোকাল ও মেট্রো রেল পরিষেবা। আলোয় ঝলমল করে ওঠে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন ভবন তথা চত্বর। কিন্তু এই বছর সেই ছন্দ কেটে গিয়েছে। কবে সেই ছন্দ ফের ফিরবে সেটা কিন্তু কেউ জোর গলায় বলতে পারছে না। কারন এক বছরের মধ্যে রাজ্যের সবাই ভ্যাক্সিন পেয়ে যাবেন সেটা মোটেও জোর দিয়ে বলা যায় না। তাই আগামী বছরও পুজোর দিনগুলিতে লোকাল ট্রেন বা মেট্রো রেল পরিষেবা মিলবে কিনা তার কোনও ঠিকঠিকানা নাই। এবারে কিন্তু দুটি পরিষেবাই মিলবে সীমিত ভাবে।
 
প্রথমেই আসি কলকাতার লাইফলাইন মেট্রো রেলের প্রসঙ্গে। এক্ষেত্রে বড় ধাক্কা এটাই যে মেট্রো সারা রাত চলবে না। দুই প্রান্ত থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত সাড়ে ১০টার সময়। তবে দিনের বেলা মেট্রো চলবে স্বাভাবিক ভাবেই। তবে প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আরোগ্য সেতু অ্যাপস যেমন থাকতে হবে তেমনি থাকতে হবে স্মার্ট কার্ড। ই-পাস কেটেই ধরতে হবে মেট্রো। সেই সঙ্গে মাস্ক বাধ্যতামূলক। মেট্রোর ক্ষেত্রে যে যে বিধিনিষেধ রয়েছে তা মেনে চলতে হবে সবাইকে। বিধি ভাঙা হচ্ছে চোখে পড়লেই কিন্তু জরিমান। প্রয়োজন হলে গ্রেফতারি ও সেক্ষেত্রে রেলওয়ে আইনের ১৪৫, ১৫৩, ১৫৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি দিতে পারে রেল কর্তৃপক্ষ। সেই ধরনের কিন্তু কোনও ঘটনা ঘটলেই জেল। তাই উৎসবের দিনগুলিতে মেট্রো চড়ুন, উৎসবকে উপভোগ করুন কিন্তু অবশ্যই বিধি মেনে।
 
চলে আসছি লোকাল ট্রেনের প্রসঙ্গে। অনান্য বছর প্রচুর বাড়তি লোকাল ট্রেন চড়ে পূর্ব রেলের হাওড়া ও শিয়ালদা ডিভিশনে। দক্ষিন পূর্ব রেলও বাড়তি লোকাল ট্রেন চালায় উৎসবের কথা মাথায় রেখে। কিন্তু এই বছর বাড়তি ট্রেন তো দূর কি বাত স্বাভাবিক পরিষেবাটাও মিলছে না সকলের জন্য। পূর্ব রেল হাওড়া ডিভিশনে ৫২টি ও শিয়ালদা ডিভিশনে ১৩০টি স্টাফ স্পেশ্যাল লোকাল ট্রেন চালাচ্ছে রেলকর্মী ও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে জড়িত মানুষদের জন্য। এই ট্রেনগুলি যথারীতি চলবে উৎসবের দিনগুলিতে। এর বেশি কিছু চলবে না। একই সঙ্গে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে শুধু মাত্র ওই রেলকর্মী ও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্যই। আমজনতা যাতে স্টেশনে স্টেশনে ভিড় করে ওই সব ট্রেন না চড়তে পারে তার জন্য বেশ কিছু স্টেশনের চারদিক ঘেরার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। সেই সব স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের শেষে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে টিন ও রেলিংয়ের বেড়া। পাশাপাশি একটি বা দুটি প্রবেশদ্বার রেখে বাকি এলাকা ঘিরে দেওয়া হচ্ছে যাতে প্ল্যাটফর্মে চট করে কেউ ঢুকতে না পারে।

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

2020 New Ad HDFC 05

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS