Comm Ad 2020-LDC epic

ফের গণআন্দোলনে বাংলার অগ্নিকন্যা! কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে পথে মমতা

Share Link:

ফের গণআন্দোলনে বাংলার অগ্নিকন্যা! কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে পথে মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন এখনও বাকি ৬ মাস। আরও অন্তত ৩ মাস বাদে ঘোষিত হতে পারে ভোটের দিনক্ষন। কিন্তু তার আগেই বাংলার পথে নেমে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে দিতে চান বাংলার অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই পথে নেমে আন্দোলন হবে কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে। কার্যত নিজে পথে নেমে মমতা গোটা দলটাকে আন্দোলনমুখী করে তুলতে চাইছেন যাতে ভোটের আগে দলের সব নেতাকর্মী শুধু লড়াই করার রসদটুকুই পেয়ে যান তাই নয়, শরীরে যেন লড়াই করার এনার্জিটাও চলে আসে। একই সঙ্গে লড়াইয়ের অভিমুখটাও ঠিক করে দিতে চান। বুঝিয়ে দিতে চান এবারের লড়াই আর বাম-কংগ্রেস জোটের বিরুদ্ধে নয়ম লড়াই এবার বিজেপি বিরুদ্ধে। মোদি-অমিতের বিরুদ্ধে। আর তাই এবার তৃণমূলের নতুন শ্লোগান, নতুন কর্মসূচী ‘অল আউট মমতা’। এই ব্যানারেই এবার জেলায় জেলায় শুরু হবে গণআন্দোলনের কর্মসূচি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধেই পরিচালিত হবে সেই গণআন্দোলন যার মধ্যমণি অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 
 
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ি ময়দানে যেভাবে তৃণমূলের সভা করে এসেছেন দলনেত্রী ঠিক সেই ধাঁচেই এবার জেলায় জেলায় হবে সভা আর মিছিল। প্রত্যেকটি কর্মসূচিতে মধ্যমণি থাকবেন মমতাই। জেলায় জেলায় ইয়িনি নিজে গিয়ে করবেন সভা আর মিছিল। সেই সঙ্গে দলের সংগঠনেও চলবে সমান্তরাল নজরদারি ও প্রয়োজনীয় রদবদল। আগামী ৭ ডিসেম্বর কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় পদযাত্রা করবেন তৃণমূলনেত্রী। জেলায় জেলায় কবে কখন তাঁর কর্মসূচি থাকবে তা দলের তরফে পরে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেই জানা গিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন মমতা নিজে যে গণআন্দোলনের মধ্যে দিয়ে রাজ্যের মসনদে উঠে এসেছেন সেই একই কায়দায় দলকে আবারও গণআন্দোলনমুখী করে তুলতে চাইছেন। কারন তাঁর সরকার ক্ষমতায় রয়েছে পারয় এক দশক। এই অবস্থায় কিছু নেতিবাচক ইস্যু তো থাকছেই। সেই নেতিবাচক প্রভাবকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি গোটা লড়াইটা তিনি কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধেই করে তুলতে চাইছেন। তাতে লাভও আছে। এক তো লড়াইটা বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি করা যাবে আর দুই, কেন্দ্রের সরকারকেও ধাক্কা দেওয়া যাবে। রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সুবাদে শুধু বাম-কংগ্রেস বা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে নামলে সেখানে সেমি.ক থাকতো না। কিন্তু গোটা দলকে রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নামিয়ে দিলে তখন গেরুয়া শিবিরও থমকে দাঁড়াতে বাধ্য।
 
মমতার এই রণনীতি নিয়ে বেশ ভালই ওয়াকিবহাল আছে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিশেষ করে বাম-কংগ্রেস। তাই প্রকাশ্যে না হলেও তাঁরা স্বীকার করে নিচ্ছেন যে মমতা রাস্তায় নামলে যে কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দলের পক্ষে চাপা পড়ে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। কারন এই পথেই আন্দোলন করে মমতা আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে তিনি আজও সিদ্ধহস্থ। এই অবস্থায় মমতা যদিও সত্যিও ‘অলআউট’ খেলেন তো সেখানে তৃণমূলের ভোট বাড়তে বাধ্য। কারন সব জায়গায় গিয়ে মমতা শুধু একটাই কথা হয়তো বলবেন, ‘আমায় দেখে ভোট দিন। রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী।’ ঠিক ২০১৬ সালে যেমনটি বলেছিলেন। এমনিতেই স্বাস্থ্যসাথীর ধাক্কা বিজেপি সামলে উঠতে পারছে না। বলতে পারছে না রাজ্যবাসী বঞ্চিত। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিলেও তার হাত ধরে ঠিক কতখানি বিজেপি লাভবান হবে তা ভোটের ফলাফল না বার হওয়া অবধি বোঝা যাবে না। এরওপর মমতা রাস্তায় নেমে জেলায় জেলায় মিছিল আর সভা করে বেরোলে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব তো বটেই, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও ধাক্কা খেতে বাধ্য। কারন মমতা রাস্তায় নামলেই জনপ্লাবন। বিরোধী রাজনৈতিক দলের রক্তচাপ তা বাড়াতে বাধ্য।

Comm AD 12 Myra

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 026 BM

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-himalaya RC

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-WBSEDCL RC
Comm Ad 006 TBS