Comm Ad 005 TBS

পুজোর বাংলাকে কোভিডকালে বিধিতে বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী! হচ্ছে না কার্নিভাল

Share Link:

পুজোর বাংলাকে কোভিডকালে বিধিতে বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী! হচ্ছে না কার্নিভাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: অপেক্ষার অবসান। অবসান যাবতীয় উৎকণ্ঠারও। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠকে কার্যত পুজোর সরকারি গাইড লাইন এদিন বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজো কমিটি থেকে দর্শনার্থী মায় ভক্তদেরও কী করতে হবে আর কী করা যাবে না তা বিস্তারিত ভাবে এদিন জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সব গাইড লাইন মেনেই যে এই বছর কোভিড কালে পুজো করতে হবে বা ঠাকুর দেখতে হবে সেটা সবাই বুঝে গিয়েছেন। তবে এই বছর দুটি জিনিসে রাশ টেনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এক তো রেড রোডে পুজোর কার্নিভাল এবার হচ্ছে না সেই সঙ্গে পুজোর সময় কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করতেই পুজো কমিটিগুলিকে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অনুমানটা আগে থেকেই ছিল যে পুজোর সময়ে বেশ কিছু বিধি লাগু থাকবে যেগুলি সবাইকে মেনে চলতে হবে। তা সে পাড়ার পুজো হোক কী ক্লাবের পুজো কিংবা আবাসনের পুজো। সেই সব বিধির মধ্যে যে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা, মাস্ক ব্যবহার করা বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করার ওপর জোর দেওয়া হবে সেটা খুব সহজেই অনুমেয়। মুখ্যমন্ত্রী এই সবের ওপরেই জোর দিয়েছেন। তবে এতাইও জানিয়েছেন সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথাটা বলা ভুল। আমাদের মানতে হবে শারীরিক দূরত্ব। কারন আমরা মানুষ। সমাজবদ্ধ জীব। আমরাই তো সমাজে মিশনো, সমাজে সবাইকে নিয়ে থাকবো। তাই সামাজিক দূরত্ব নয় মানতে হবে শারীরিক দূরত্ব। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়েছেন মণ্ডপের বিষয়েও। মণ্ডপ যতটা সম্ভব খোলামেলা রাখতে হবে। ছাদ ঢাকা থাকলে চারপাশ খোলা রাখতে হবে। আবার চারপাশ ঢাকা থাকলে ছাদ খোলা রাখতে হবে। মণ্ডপে ঢোকার আগে মার্কিং করে দিতে হবে সেখানে দাঁড়াবেন দর্শনার্থীরা। প্রত্যেক মণ্ডপে ঢোকার আগেই রাখতে হবে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা। সেখানেই রাখতে হবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। পারলে বসাতে হবে স্যানিটাইজেশন চ্যানেল।

একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন মণ্ডপের ভিতরে যাতে ভিড় না হয় তার জন্য মণ্ডপে প্রবেশ ও প্রস্থানের আলাদা আলাদা দরজা রাখতে হবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপে আগের বছরগুলির তুলনায় বেশি সংখ্যক ভলেন্টিয়ার রাখতে হবে। ক্লাব কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন পারলে এই ভলেন্টিয়ারদের ফেস শিল্ড দিতে। প্রতিটি ক্লাবকে তাঁদের মণ্ডপের হাফ কিলোমিটারের আগে থেকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার দিতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক ভাবে করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মাস্ক ছাড়া কার্যত মণ্ডপে কাউকে ঢুকতেই দেওয়া হবে না। অঞ্জলি প্রসাদ বিতরণ ও সিঁদুর খেলার ক্ষেত্রেও মুখ্যমন্ত্রী বিধি বেঁধে দিয়েছেন। কয়েক দফায় অঞ্জলি ও সিঁদুর খেলার আয়োজন করতে হবে যাতে সবাই সুযোগ পান কিন্তু ভিড় না হয়। অঞ্জলির ক্ষেত্রে যাতে শারিরীক দূরত্ব মানা যায় সেটা ক্লাব কর্তাদের দেখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে আমজনতাকে বাড়ি থেকে ফুলবেলপাতা নিয়ে যেতে বলেছেন। ক্লাবগুলিকেও তা রাখতে বলেছেন। বিসর্জনের ক্ষেত্রেও খুব অল্প লোক নিয়ে তা সারতে বলেছেন তিনি। একই দিনে যাতে সব ঠাকুর বিসর্জন না হয় সেটাও দেখতে বলেছেন তিনি। এই বিষয়ে প্রতিটি পুজো কমিটির সঙ্গে স্থানীয় থানাগুলির যাতে কো-অর্ডিনেশন  ঠিকঠাক থাকে তা থানার এএসআইদের দেখতে বলেছেন। মনে করা হচ্ছে এলাকা ভেদে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য আলাদা আলাদা দিন করা হবে। 

তবে মুখ্যমন্ত্রী রাশ টেনেছেন পুজোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। জানিয়েছেন পুজোর দিনগুলিতে কোনও পুজো কমিটি যেন কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন না করেন। বিশেষ করে রাস্তার ধারে বা মণ্ডপের ধারে যেন সাংস্কৃতিক কোনও অনুষ্ঠান না হয়। সেক্ষেত্রে ভিড় জমবে ও সেখান থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। তবে পুজোর পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে বলেই তিনি জানিয়েছেন। তবে সেক্ষেত্রে কড়া ভাবে মানতে হবে শারীরিক দূরত্ব। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন এবারে রেড রোডে পুজোর কার্নিভাল আয়োজিত হবে না। তবে আগামী বছর তিনি তা বাড়তি আয়োজনের মাধ্যমে পুষিয়ে দেবেন। সেই সঙ্গে জানিয়েছে এবার দর্শনার্থীরা তৃতীয়া থেকে একাদশী পর্যন্ত ঠাকুর দেখতে পারবেন। তবে পুজোর পুরস্কারদাতা ক্ষেত্রে তিনি জানিয়েছেন তাঁরা যেন ২টির বেশি গাড়ি না নিয়ে আসেন এবং সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে’র মধ্যে মণ্ডপ পরিদর্শন, পুরস্কার বিতরণ সব কাজ সেরে ফেলতে হবে।

Comm Ad 2020-LDC epic

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 008 Myra

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Pujo2020-T01

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 008 Myra

Editors Choice

Comm Ad 026 BM