2020 New Ad HDFC 04

২০০ কোটির দাওয়াইয়েই রাজ্যের উৎসব অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

Share Link:

২০০ কোটির দাওয়াইয়েই রাজ্যের উৎসব অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঘোষনাটা তিনি করেছেন লক্ষ্মীবারে সন্ধ্যাবেলায়। কিন্তু সময় যতই গড়াচ্ছে ততই তার রেশ ছড়িয়ে পড়ছে দেশের আনাচেকানাচে। কোভিডকালেও রাজ্যের উৎসবমুখী অর্থনীতিকেও যে চাঙ্গা করে তোলা যায় তা দেখিয়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত দেশের মধ্যে এই দুর্দিনে এই দুঃসাহসটা কিন্তু কেউ করে দেখাতে পারেননি। দেশের কোনও মুখ্যমন্ত্রী নন, প্রধানমন্ত্রীও নন। কেন্দ্র তো শুধু একের পর এক ঘোষণাই করে গিয়েছে কোভিডকালে। কিন্তু তার ছিঁটেফোঁটা কিছু চোখে পড়েনি দেশের আমজনতার। আর একইউ সঙ্গে রাজ্যগুলির দাবিকে খারিজ করে দেশবাসীর ওপর গায়ের জোরে চাপিয়ে গিয়েছে একের পর এক মারণ বিল। একের পর এক অর্থনীতিবিদ কিন্তু বার বার বলে যাচ্ছিলেন দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে সরাসরি দেশের মানুষের হাতে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মমতা কিন্তু সেটাই করে দেখিয়ে দিলেন।
 
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন এই বছর রাজ্য সরকারের রেজিস্ট্রিকৃত পুজো কমিটিগুলি রাজ্য সরকারের কাছে ৫০ হাজার টাকার অনুমোদন পাবে। গত বছর এই অনুদানের পরিনাম ছিল ২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ দ্বিগুন অনুদান এবাত তাঁরা পেতে চলেছেন। আর এর জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে এই অনুদানের সঙ্গে আমজনতার সম্পর্ক কোথায়। এটা ঠিকই যে এই অনুদানের সঙ্গে আমজনতার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু সম্পর্ক রয়েছে পুজোর ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা কয়েক হাজার মানুষের রুজি রোজগার। এবারে করোনা কালে অনেক পুজো কমিটিই নিদারুন আর্থিক সংকটে ভুগছে। অনেক জায়গায় এবারে ঠিকই করে নেওয়া হয়েছিল পুজো কত্রা হবে না। প্রয়োজনে ঘটে বা পটে পুজো করা হবে। রাজ্যে অর্ধেক পুজোর বাজেট কিন্তু ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যেই ঘোরাফেরা করে সেটা ভুললে চলবে না। এই পুজোগুলিই এবারে কার্যত না হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ও রাজ্য সরকারের অনুদান সেই পুজোগুলিকে নবজীবন প্রদান করলো।
 
এর ফলে মৃৎশিল্পীরা ঠাকুর গড়ার অর্ডার পাবেন। সেই শিল্পীর স্টুডিয়োতে যারা কাজ করেন তাঁরাও আয়ের সুযোগ পাবেন কাজ পেয়ে। প্রতিমার সাজসজ্জার সঙ্গে যারা জড়িত থাকেন তাঁরাও কাজের বরাত পেয়ে যাবেন। প্রতিমা স্টুডিয়ো থেকে মণ্ডপে নিয়ে যাওয়ার জন্য কুলিমজুর থেকে ম্যটাডোর বা ট্রাকের চালক বা মালিকেরা ভাড়া পাবেন। ঢাকি পুজোর মণ্ডপে এসে বাজাবার বায়না পাবেন। মণ্ডপ নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ডেকোরেটার্স কর্মীরা কাজ পাবেন। আলোকমিস্ত্রী থেকে শিল্পীরা কাজ পাবেন। মাঝারি ও বড় বাজেটের পুজোগুলি বাড়তি অর্থের সংস্থানে পেয়ে আরই কিছু মানুষকে কাজ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। হকারদের আর্থি সাহায্য তাঁদের পুজোর মুখে কিছুটা হলেও জামাকাপড় কিনতে সহায়তা করবে। এরফলে ফুটপাতের হকারদেরও বিক্রিবাটা বাড়বে। ৮১ হাজার হকার ২ হাজার টাকা করে অনুদান পেতে চলেছেন। সব মিলিয়ে রাজ্য সরকারের এই আর্থিক অনুদান কিন্তু সেই সব মানুষের কাছেই পৌঁছে যাবে যারা এই উৎসব আঁকড়ে বেঁচে রয়েছেন। করোনার আঘাতে যখন সেই উৎসবমুখী অর্থনীতি ভূমিশয্যা নিয়েছে তখন তাঁকে নতুন করে চাঙ্গা করে দিতে চূড়ান্ত ভাবে সফল হয়ে উঠতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর এই ২০০ কোটি টাকার ত্রাণ তহবিল। করোনাকালে দেশের অর্থনীতি যখন চূড়ান্ত দুরাবস্থার মুখে এসে দাঁড়িয়েছে তখন বার বার করে দেশের অর্থনীতিবিদ থেকে বিশ্বের তাবড় তাবড় অর্থনীতিবিদ বলে চলেছেন মোদি সরকারকে, সাধারন মানুষের হাতে পুঁজি তুলে দিতে। যাতে তাঁরা ক্রয়ক্ষমতা ফিরে পান। তাঁরা ক্রয়ক্ষমতা ফিরে পেলেই দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরতে শুরু করবে। কিন্তু ময়ূরবিলাসী প্রধানমন্ত্রীর সময় কোথায় মানুষকে নিয়ে ভাবার। তাঁর ভাবনায় তো শুধু বেনিয়াপ্রীতি। অনেক সময় স্বল্প কিছু আর্থিক সাহায্য অর্থনীতির বড় চাকাকে ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম হয়। মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু বৃহস্পতিবার সেটাই করে দেখিয়ে দিলেন যা দেশের চালকরা করে দেখাতে পারলেন না।

Comm Ad 018 Kalna

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-himalaya RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Egg

Editors Choice

Comm Ad 026 BM