Comm Ad 2020-LDC epic

দিলীপের বিদায় শুধুই সময়ের অপেক্ষা মাত্র! সুব্রতকে ছেঁটে বার্তা নাড্ডার

Share Link:

দিলীপের বিদায় শুধুই সময়ের অপেক্ষা মাত্র! সুব্রতকে ছেঁটে বার্তা নাড্ডার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলায় একটা কথা আছে, ‘ঝিকে মেরে বউকে শাসন’। রাজ্য বিজেপির অন্দরে বুধবার বোধহয় সেই শাসনটাই দেখিয়ে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। কার্যত বুঝিয়ে দিলেন এই রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বকে, ভালোয় ভালোয় চলো না হলে চেয়ার ছেড়ে দাও। নেপথ্যে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) পদ থেকে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ। পক্ষান্তরে বার্তা রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। আর সেটা এমন একটা সময়ে ঘটলো যখন বাংলার দোরগড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। আবার বুধবারই জানা গিয়েছে যে আগামী মাসের প্রথম দিকেই বাংলায় আসতে চলেছেন নাড্ডা নিজেই। অর্থাৎ নিজে আসার আগেই দিলীপকে কার্যত কড়া বার্তা পাঠিয়ে দিলেন নাড্ডা। সরবার জন্য তৈরি থাকো। সুব্রত অপসারনের পরে এখন রাজ্য বিজেপির অনেকেই মনে করছেন দিলীপ বিদায়ও কার্যত শুধুই সময়ের অপেক্ষা মাত্র। হয়তো নতুন রাজ্য সভাপতির নেতৃত্বেই রাজ্য বিজেপিকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করতে হবে।
 
বুধবার দুপুরে সরিয়ে দেওয়া হল রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে। বিধানসভা ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরের এই সাংগঠনিক পরিবর্তন রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সুব্রতবাবুর জায়গায় ওই পদে আনা হল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) পদে থাকা অমিতাভ চক্রবর্তীকে। এখন যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে রয়ে গেলেন একমাত্র কিশোর বর্মণ। এদিন নিজের অপসারণের পরে সুব্রতবাবু জানান, ‘ভারতীয় জনতা পার্টি'র সৈনিক হিসাবে গত ৭ বছর আমার ওপর ভরসা করার জন্য দলের উচ্চ নেতৃত্বকে অনেক ধন্যবাদ। নব নিযুক্ত সাঃ সম্পাদক (সংগঠন)’কে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।’ এখন প্রশ্ন হচ্ছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সুব্রতবাবুকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া হল কেন! রাজ্য বিজেপির অলিন্দে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে কার্যত দিলীপবাবুকে কড়া বার্তা দিতেই এই পদক্ষেপ করেছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।
 
দিলীপের বিরুদ্ধে নাড্ডার কাছে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ জমা পড়েছিল। তার থেকেও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছিল সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরেই সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ যাচ্ছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। তাঁর অপসারণ নিয়ে গতবছর থেকেই চলছিল জল্পনা। কিন্তু সুব্রতবাবুর ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। অতিসম্প্রতি দিল্লিতে দলের বৈঠকে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করেন দিলীপ ঘোষ। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে দিলীপ রীতিমত হুঁশিয়ারি দেন যে, সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরানো হলে তিনি ইস্তফা দেবেন। কিন্তু বুধবার দিলীপের হুঁশিয়ারিকে পাত্তাই দিলেন না নাড্ডা। কার্যত বুঝিয়ে দিলেন দিলীপ রইলেন কী গেলেন তাতে তাঁর কিছুই আসে না। দিলীপের বিরুদ্ধে সব থেকে বড় অভিযোগ, তৃণমূল বা অন্য দল থেকে আসা লোকদের গুরুত্ব না দেওয়া। তাঁর এই গুরুত্ব না দেওয়ার জেরে এখন অনেকেই ফের তৃণমূলমুখী হচ্ছেন যা রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরে অশনি সংকেত। একই সঙ্গে দিলীপের কথাবার্তা, দিলীপ ঘনিষ্ঠদের হুমকি, ধমকি, দুর্নীতি রাজ্যে দলের ভাবমূর্তিতে যে বড়সড় আঘাত হেনেছে সেটা দেরীতে হলেও বুঝতে পেরেছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই সরাসরি দিলীপ বিদায়ের আগে তাঁকে কড়া বার্তা দিতেই সুব্রতকে স্রিয়ে দিলেন নাড্ডা। পরিবর্তে সেই পদে আনলেন সঙ্ঘেরই লোক অমিতাভ চক্রবর্তীকে।
 
বুধবারই আবার জানা গিয়েছে, ফের বাংলায় আসতে চলেছেন নাড্ডা। আগামী ৬ নভেম্বর ২ দিনের সফরে বাংলায় আসছেন তিনি। ৬ নভেম্বর বর্ধমানে এক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। সেই বৈঠকে থাকবেন বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, এই ৫ সাংগঠনিক জেলার নেতা-কর্মী-জনপ্রতিনিধিরা। ৭ তারিখ জঙ্গলমহল এলাকার নেতৃত্বে সঙ্গে বৈঠকে বসবেন নাড্ডা। সেই বৈঠকে ২ মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি জেলার প্রতিনিধিরাও থাকবেন। ৬ নভেম্বর বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি ভার্চুয়াল সভাও করতে পারেন জে পি নাড্ডা। তবে এই সব কিছুর থেকে কিন্তু ছাড়িয়ে গিয়েছে দিলীপের বিদায় বার্তা। সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

Comm Ad 2020-tantuja-body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 006 TBS

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 006 TBS

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM
Comm Ad 008 Myra