Comm Ad 2020-tantuja-body

নিয়মের বেড়াজাল তুলে ধরে দেহ বহনে অস্বীকার একের পর এক বিমানসংস্থার

Share Link:

নিয়মের বেড়াজাল তুলে ধরে দেহ বহনে অস্বীকার একের পর এক বিমানসংস্থার

নিজস্ব প্রতিনিধি: কোভিড-১৯। মারাত্মক সেই ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত তার না আছে কোনও চিকিৎসা, না আছে কোনও ওষুধ। বাজারে এখনও আসেনি কোনও ভ্যাকসিন। আছে শুধু সীমাহীন আতঙ্ক আর সাবধানে থাকার দোহাই দিয়ে যতটা সম্ভব মানবিকতাকে দূরে ঠেলে রাখার প্রয়াস। সেই প্রয়াসেরই জীবন্ত ছবি এলেনের ফ্রিজড দেহ। এলেন লজারসর, কলকাতা ট্রাম সংস্থার কর্মী। ৫৮ বছরের এই ব্যক্তি আদতে তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের বাসিন্দা। ছিলেন কলকাতা ট্রাম কোম্পানির ক্যাশিয়ার। গত ২২ তারিখ সকালে তাঁর ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়। সহকর্মীরা তাঁকে নিয়ে ছোটেন এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যেহেতু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে, তাই দেহের পোস্টমর্টেম করানো হয়। একই সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তাঁর পরিবারকেও। মাদুরাই থেকে এলেনের একমাত্র কলেজপড়ুয়া সন্তান এবং আত্মিয়রা কলকাতায় এলে তাঁদের হাতেই দেহ তুলে দেওয়া হয়। মৃতদেহ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা দমদম এয়ারপোর্টে যান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও বিমানসংস্থা সেই দেহ নিয়ে যেতে চায়নি শুধু এই কারনেই যে এলেনের দেহের সঙ্গে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নেই।
 
গত তিনদিন ধরে তাই এলেনের কফিনবন্দি দেহ নিয়ে কলকাতায় বসে তাঁর পরিবার। ময়নাতদন্ত হওয়া মৃতদেহের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নেই। তাই ডিজিসিএ নিয়ম দেখিয়ে এলেনের কফিনবন্দি দেহ কলকাতা থেকে চেন্নাই নিয়ে যেতে চাইছে না। এলেনের দেহ এখন তাই একটি সিমেট্রির ফ্রিজে বন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে। তাঁর অসহায় পরিবার এখন সাহায্য চাইছে রাজ্য প্রশাসনের কাছে। নিজেদের থাকার জন্য তো হোটেল ভাড়া গুনতেই হচ্ছে সেই সঙ্গে মৃতদেহ ফ্রিজে রাখার জন্য প্রতিদিন ৩০০০ টাকা করে গুনতে হচ্ছে এলেন লজারসর পরিবারকে। মৃত এলেনের আত্মীয় প্রদীপ ও শান্তরয় জানিয়েছেন, ‘আমরা পোস্টমর্টেমের পর দেহ আমাদের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাই। কিন্তু এয়ারপোর্টের এয়ারলাইন্স কোম্পানি বলেছে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট না হলে তাঁরা প্লেনে দেহ তুলবেন না। এসএসকেএম হাসপাতাল বলছে, পোস্টমর্টেমের পরে আর কোনও সার্টিফিকেট দেওয়া সম্ভব নয়, নিয়ম নেই। আমরা এখন অথৈ জলে পড়েছি। কি করে দেহ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাবো? বুঝতে পারছি না। তাই রাজ্য প্রশাসনের কাছে সাহায্য চাইছি।’
 
কলেজের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ছেলে ইসাক, এলেনের ছেলে। বাবাকে হারিয়ে অথৈ জলে। জানে না সামনে তাঁর কোন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ দাঁড়িয়ে রয়েছে। আদৌ পড়াশোনা আর শেষ হবে কিনা জানা নেই। তবুও কাতর কন্ঠে তাঁর একটাই আর্তি, ‘বাবাকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে চাই। আমাদের টাকা পয়সা ফুরিয়ে আসছে। যেভাবে হোক দেহ নিয়ে বাড়ি ফিরতে চাই। প্রয়োজনে সড়ক পথেও হলেও ফিরতে চাই। এ প্রসঙ্গে এসএসকেএম হাসপাতালে সুপার রঘুনাথ মিশ্র জানান, ‘পোস্টমর্টেমের পর দেহ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী প্যাক করে দেওয়া হয়। তারপর সেই মৃতদেহের কোনও করোনা পরীক্ষা করানো হয় না। নিয়ম নেই। মৃতদেহ থেকে করোনা ছড়ায় না। আর এক্ষেত্রে মৃতদেহের ময়নাতদন্তের পর নতুন করে আর কোন করোনা পরীক্ষা করার নিয়ম নেই। তাই এটা সম্ভব নয়।’ কি সম্ভব আর কি অসম্ভব তা পিতৃহারা ইসাক বুঝতে চায় না। চায় শুধু সে বাবার প্রার্থিব শরীরকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে।

Comm Ad 2020-tantuja-body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 008 Myra

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 006 TBS

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

2020 New Ad HDFC 05

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo