Comm Ad 2020-tantuja-body

শুরুতেই ধাক্কা, ইজেডসিসি’র পুজো উদ্বোধনেই মোদির মুখরক্ষা

Share Link:

শুরুতেই ধাক্কা, ইজেডসিসি’র পুজো উদ্বোধনেই মোদির মুখরক্ষা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কত ছিল আশা। ষষ্ঠীর সন্ধ্যাতেই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনিয়ে বঙ্গবাসীকে চমকে দেবে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে আশা ছিল প্রধানমন্ত্রীকে কোনও না কোনও ক্লাব ঠিকই আমন্ত্রণ দেবে পুজোর উদ্বোধনের জন্য। কিন্তু অমিত শাহ শিলিগুড়িতে পুজো উদ্বোধনের ডাক পেলেও বাংলার কোনও পুজো উদ্বোধনের ডাক পেলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শেষে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর মুখরক্ষা হয়েছে। তিনি ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি সল্টলেকের ইজেডসিসি’র দুর্গাপুজো ভার্চুয়াল ভাবে উদ্বোধন করবেন। অথচ এই সল্টলেকের বুকেই বিগ বাজেটের বেশ কিছু বড় বড় পুজো হয়। লাগোয়া এলাকাতেও হয় বড় মাপের পুজো। কিন্তু তাঁদের কেউই মোদির শরণাপন্ন হয়নি। এতেই বেশ ভালই বোঝা যাচ্ছে আগামী রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির কাছে কোন অ্যাসিড টেস্ট হতে চলেছে।

সল্টলেক উপনগরী আগে ছিল পুরসভা এলাকা। ২০০৯ সালে যখন নতুন ডিলিমিটেশন অনুযায়ী লোকসভা নির্বাচন হয় তখন বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রটি প্রথমবার তৈরি করা হয়। সেই বিধানসভা কেন্দ্রে সল্টলেক পুরসভা এলাকার সঙ্গে দক্ষিন দমদম পুরসভার বেশ কিছু ওয়ার্ডও জুড়ে দেওয়া হয়। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণদাঁড়ি, শ্রীভূমি ও লেকটাউন এলাকা। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে লিড পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু ২০১৬ সালে সেই বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সেবার সল্টলেকে সুজিত পিছিয়ে পড়েছিলেন বিজেপির কাছে। কিন্তু লেকটাউন, শ্রীভূমি আর দক্ষিণদাঁড়ির ভোট তাঁকে জয়ের মুখ দেখিয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আবারও বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লিড তুলেছে বিজেপি। তাই এবার তাঁদের পাখির চোখ এই বিধাননগর আসনটি। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের আশা ছিল বিধাননগরের কোনও না কোনও পুজোকমিটি এগিয়ে এসে প্রধানমন্ত্রীকে ঠিকই দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে বলবেন। রাজ্য বিজেপির সূত্রে জানা গিয়েছে এই পরিকল্পনা সফল করতে কার্যত আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। কিন্তু হতাশা ছাড়া আর কিছুই জোটেনি।
 
শেষে প্রধানমন্ত্রীর মুখরক্ষা করতে ঠিক করা হয় ইজেডসিসি’র পুজোই প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে উদ্বোধন করানো হবে। একই সঙ্গে ইজেডসিসি’র প্রেক্ষাগৃহে জায়েন্ট স্ক্রিনে দেখানো হবে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণ। সেখানে ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় উপস্থিত থাকবেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। পাশাপাশি রাজ্যের বেশ কিছু বিজেপির কার্যালয়ে জায়েন্ট স্ক্রিনে দেখানো হবে সেই ভাষণ। কিন্তু ঘটনা এটাই যে ইজেডসিসি’র ওই পুজো কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের পুজো হিসাবেই চিহ্নিত হয়। তার সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনও যোগ নেই। অর্থাৎ জনবিচ্ছিন্ন হয়েই পুজো উদ্বোধন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। একই সঙ্গে এই পুজো নিয়ে এখন আবার রাজ্য বিজেপিতে কুরুক্ষেত্র বেঁধে গিয়েছে। দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, এই পুজোর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। আবার মুকুল রায় বলেছেন এই পুজোর দায়িত্বে আছেন রাজ্য বিজেপিরই বিভিন্ন শাখা। এমনটাও শোনা যাচ্ছে মুকুল গোষ্ঠীর হাত ধরেই এই পুজো হচ্ছে আর সেই পুজো প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করতে রাজি হওয়ায় গোঁসা হয়েছে দিলীপবাবুর। তাই নাকি অসুস্থতার কথা ছড়িয়ে নিজেকে ঘরবন্দি করেছেন। কার্যত এই পুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিজেপিতে মুকুল গোষ্ঠীর উত্থান এখন চোখ টাটাচ্ছে দিলীপ গোষ্ঠীর।

Comm Ad 005 TBS

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Momo

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-WBSEDCL RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-Valentine RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-WBSEDCL RC