এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




শনিবারেও যাত্রীদের ভোগান্তি অব্যাহত শিয়ালদা উত্তর আর মেন শাখায়

Courtesy - Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্রবারের পর শনিবারেও যাত্রীদের ভোগান্তি অব্যাহত পূর্ব রেলের(Eastern Railway) শিয়ালদা উত্তর আর মেন শাখায়। শনিবারও ট্রেন আসছে দেরিতে। অনেক ট্রেন থেমে থেমে আসছে। স্টেশনগুলিতে ভিড়ের চাপ এতটাই যে অনেকে ট্রেনের কাছাকাছিও পৌঁছতে পারছেন না। শুক্রবার রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল, শিয়ালদা স্টেশনে কাজ চলায় কিছু রেল বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি ততটাও খারাপ না। তবে নিত্যযাত্রীদের(Daily Passengers) দাবি, শুক্রবারের থেকে শনিবারের পরিস্থিতি আরও খারাপ। আরও ভিড় বেড়েছে স্টেশনগুলিতে। ট্রেনে চাপতে কালঘাম ছুটে যাচ্ছে।   

শিয়ালদা স্টেশনে(Sealdha Station) ১ থেকে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ চলছে। তার জেরে বদল আনা হয়েছে রেল পরিষেবায়। বহু ট্রেন বাতিল। অনেক ট্রেন যাত্রা শুরু ও শেষ করছে দমদম জংশন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, বারাসত এবং কল্যাণী স্টেশনে। এর জেরে যাত্রী দুর্ভোগের অন্ত নেই। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় সকাল থেকে রাত অবধি স্টেশনগুলিতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল গতকাল। এদিন সকালেও সেই একই ছবি ধরা পড়েছে। গতকাল টিটাগড় আর খড়দহ স্টেশনের মাঝে ভিড়ের চাপে এক তরুণ ট্রেন থেকে পড়েও যান। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। সেই ঘটনা নিয়েও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। যদিও রেল কর্তৃপক্ষ সেই ঘটনার দায় নিতে চায়নি। এদিন সকালে কিন্তু নিত্যযাত্রীরা বলছেন, ভয়ঙ্কর অবস্থা। শুক্রবারের থেকে শনিবারের পরিস্থিতি আরও খারাপ, আরও ভয়ঙ্কর। কী ভাবে তাঁরা গন্তব্যে যাবেন তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। অনেকেই ভিড়ের চোটে ট্রেনে উঠতে পারছেন না বা উঠতে ভয় পাচ্ছেন।   

যাত্রীদের সব থেকে বড় ক্ষোভ, রেলের তরফে কোনও ঘোষণা করা হচ্ছে না ঠিক ভাবে। তাই যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি আরও বেড়ে চলেছে। ভিড়ের চাপে ট্রেনে উঠতে না পারার কারণে বিকল্প ভাবে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন নিত্যযাত্রীরা। কিন্তু বাসগুলিতেও প্রচন্ড ভিড়। ব্যারাকপুর এবং সোদপুরে অটো পেতে লম্বা লাইন মানুষের। যে ট্রেনগুলি চলছে, সেগুলির সব ক’টি ট্রেন আবার শিয়ালদা স্টেশনে ঢুকছে না। অনেক ট্রেন দমদম পর্যন্ত আসছে। দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনেও থেমে যাচ্ছে বহু ট্রেন। এক একটি স্টেশনে ট্রেন আসছে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর পর। সেই ট্রেনগুলিতে তিলধারণের জায়গা নেই। ফলে অনেকেই উঠতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝুলে ঝুলেই যাচ্ছেন।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

কলকাতায় মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হবে, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি চলবে

অস্ত্রোপচারের পর স্থিতিশীল রয়েছেন অভিষেক

রবিবার মানিকতলার আটটি ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী সুপ্তি পান্ডের হয়ে প্রচারে নামল তৃণমূল

রাজ্যের সব চাকরিতে Transgender-দের জন্য ১ শতাংশের সংরক্ষণ

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ Acropolis Mall, মাথায় হাত কর্মীদের

কিশোর সহ গঙ্গায় ডুবল গাড়ি, স্থানীয়দের তৎপরতায় বাঁচল জীবন

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর