Comm Ad 2020-Valentine body

নবমীর দুপুরে মণ্ডপে মণ্ডপে জনস্রোত! সামাল দিতে রাজপথে পুলিশ

Share Link:

নবমীর দুপুরে মণ্ডপে মণ্ডপে জনস্রোত! সামাল দিতে রাজপথে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আকাশ পরিস্কার। রোদ ঝলমলে দিন। তারওপর পুজোর শেষ দিন। রাত পোহালেই বেজে উঠবে বিসর্জন্বর বাদ্যি। তাই আর সময় নষ্ট না করে নবমীর সকাল থেকেই রাজপথের দখল নিল পুজোপাগল জনতা। এই পুজো পাগল মানুষগুলির জন্যই আজ বাংলার দুর্গাপুজো বিশেষ করে কলকাতার দুর্গাপুজো পরিণত হয়েছে উৎসবে। যদিও এবারে সেই পুজোর তাল, ছন্দ, সুর সবই কেটে গিয়েছে কোভিডের প্রকোপে। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে হাইকোর্টের রায়। সব মিলিয়ে বাঙালির সেরা উৎসব এবারে ঘরবন্দি হয়েই কেটেছে সিংহভাগ বাঙালির। তবুও উৎসবের শেষ লগ্নে এসে সেই বাঙালি আর পারল না ঘরে বসে থাকতে। কার্যত নবমীর সকাল থেকেই তাই কলকাতার রাস্তায় রাস্তায়, মণ্ডপে মণ্ডপে উপচা পড়া জনতার ভিড়। আর সেই ভিড়কে সামাল দিতে কার্যত কালঘাম ছুটে যাচ্ছে পুলিশকর্মী থেকে সিভিল ভলেন্টিয়ারদের।
 
কলকাতায় ইদানিংকালে তৃতীয়া-চতুর্থী থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে পুজোপাগল মানুষদের ভিড় শুরু হয়ে যায়। এবারে এই কোভিডকালের মধ্যেও রাজ্য সরকারের তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন সব রকম সাবধানী বজায় রেখে তৃতীয়া থেকেই মানুষ পারবেন মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে। এমনকি তৃতীয়া থেকেই যাতে সবাই রাত জেগে ঠাকুর দেখতে পারে তার জন্যও যথাযথ পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। তারপরেও কলকাতা হাইকোর্ট একটি জনস্বার্থ মামলায় রাজ্য সরকারের বন্দোবস্ত দেখে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে মনে হয়। তাই আদালত নির্দেশ দেয় সব মণ্ডপ হবে দর্শকশূণ্য। কোনও মণ্ডপেই প্রবেশ করতে পারবেন না দর্শক। তার জেরেই কার্যত তৃতীয়া থেকে কলকাতার একের পর এক মণ্ডপ হয়ে যায় জনশূন্য। এর সঙ্গে আবার দোসর হয় নিম্নচাপজনিত আবহাওয়া। সপ্তমী পর্যন্ত কলকাতায় বৃষ্টি যেমন হয়েছে তেমনি আকাশও ছিল মেঘে ঢাকা। যদিও সেদিন থেকেই কাটতে শুরু করে মেঘের ঘোর। নিম্নচাপ সরে যায় বাংলাদেশে। এরপর অষ্টমির বিকাল থেকেই কলকাতার একাধিক পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে থাকেন পুজোপ্রেমিরা।
 
নবমীর সকাল থেকেই এই ভিড় কার্যত জনস্রোতে পরিণত হয়। কিবা উত্তর, কিবা দক্ষিন। বেহালা হোক কী দমদম পার্ক। হাতিবাগান হোক কী রাসবিহারী, সর্বত্রই শুধু মানুষের ভিড়। তাতে না আছে মাস্কের কড়াকড়ি, না আছে স্যানিটাইজারের ব্যবহার। আর শারীরিক দূরত্ব সেতো কার্যত হাস্যকৌতুকের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তবে সব থেকে বড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে হাইকোর্টের রায় নিয়ে। আদালত শুধুমাত্র মণ্ডপকে দর্শকশূণ্য রাখতে বলেছেন। সেই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে সর্বত্রই পালন করা হয়েছে। যে দূরত্ব মানতে বলা হয়েছে তাও মানা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও পুজোপাগল মানুষের কাছে কিন্তু হেরে গিয়েছে আদালতের রায়। কার্যত সেই রায়কে বাতিলের খাতায় ঠেলে দিয়ে মানুষ নিজেই পুজোর রায় দিতে নেমে পড়েছে রাস্তায়। আগামী দিনে এই ঘটনা আদালতের পর্যবেক্ষনে অবশ্যই থাকা উচিত বলে তাই এদিন মনে করেছেন শহরের অসংখ্য আইনজীবি। তাঁদের প্রায় সকলেরই অভিমত পুজোর মুখে দাঁড়িয়ে মণ্ডপ দর্শকশূণ্য রাখার রায় যে ঠিক নয়, সেটা মানুষ রাস্তায় নেমে বুঝিয়ে দিয়েছে। আদালতের রায় সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, পুজোকমিটি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে বাধ্য, কিন্তু পুজোপাগল আমজনতা নয়। আর এই ভিড় যে নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়িয়ে দেবে না তার কী গ্যারেন্টি। সেই সংক্রমণ ছড়ানো রোধই যখন করা গেল না তখন রায়ের উদ্দেশ্য ও তার প্রয়োগ কী সঠিক হল! পুজোমণ্ডপ দর্শকশূণ্য করার রায় সত্যিই কী প্রয়োজন ছিল! সেই তো রাস্তায় ভিড় নামলো। শুধু মণ্ডপ দর্শকশূণ্য রেখে কি সংক্রমণ রোধ করতে পারলো কলকাতা হাইকোর্ট! এইসব প্রশ্ন কিন্তু উঠে গিয়েছে।

Comm AD 12 Myra

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-himalaya RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Egg