এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




আবাস যোজনায় বাংলার টাকা আটকে মুখ পুড়ল মোদিরই, বলছে কেন্দ্রের রিপোর্ট

Courtesy - Facebook and Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের ভোটের ধাক্কা কাটাতে লক্ষ্য হয়ে উঠেছিল বাংলার(Bengal) মানুষকে ভাতে মারা। সেই লক্ষ্যপূরণের জন্যই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলায় বন্ধ করে দেওয়া হয় নানা কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টাকা পাঠানো। তার মধ্যে যেমন ১০০ দিনের কাজের টাকাও আছে তেমনি আছে আবাস যোজনার(PMGAY) টাকাও। মুখে দুর্নীতির বুলি আউড়ে আসলে পদ্ম শিবিরের লোক ছিল বাংলার জনতাকে উচিত শিক্ষা দেওয়া। যদিও সেই উচিত শিক্ষাই এখন ব্যুমেরাং হয়েছে বিজেপির(BJP) জন্য তো বটেই কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকারের জন্যও। কেননা এখন কেন্দ্রের রিপোর্ট বলছে, বাংলায় আবাস যোজনার কাজ না হওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে দেশের বুকে আবাস যোজনার কাজেও। সেখানে নেমে গিয়েছে এই প্রকল্পের সাফল্যের খতিয়ান। আর তাতেই ২৪’র ভোটের আগে মুখ পুড়ছে খোদ নরেন্দ্র মোদির সরকারের। সেখানেও প্রকল্পের ব্যর্থতার ছাপ পড়েছে। 

দেশবাসীর মাথার ওপর ছাদ তৈরি করার লক্ষ্যের কথাই বলেছিল মোদি সরকার। সেই লক্ষ্যপূরণের ছবিও ভেসে উঠেছিল। তরতর করে এগোচ্ছিল প্রকল্প। সেই প্রকল্পের গতিকেই মোদি সরকারের সাফল্য হিসাবে তুলে ধরে দেশজুড়ে প্রচারে নেমে পড়েছিল মোদি বাহিনী। কিন্তু যা তাঁরা লক্ষ্য করেনি তা হল এই সাফল্য আদতে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সাফল্য। তাঁর সরকারের সাফল্য। কেননা আবাস যোজনার যে সব কাজ দেশজুড়ে হচ্ছিল তার অর্ধেক কাজই হচ্ছিল বাংলাতে। বিজেপি শাসিত একের পর এক ডবল ইঞ্জিনের রাজ্য পড়েছিল পিছিয়ে। কার্যত বাংলার কাঁধে ভর দিয়েই এই প্রকল্প এগিয়ে চলছিল তরতর করে। কিন্তু রাজনৈতিক অভিসন্ধি নিয়ে বাংলার জন্য আবাস যোজনার টাকা পাঠানো কেন্দ্র বন্ধ করে দিতেই সামগ্রিক ভাবে ধাক্কা লেগেছে সেই প্রকল্পেও। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রকের(Ministry of Statistics and Program Implementation) রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দেশজুড়ে পাকা বাড়ি দেওয়ার কাজের নিরিখে মোদি সরকারের পারফরম্যান্স বা কাজের অগ্রগতি রীতিমত Poor।

কেন এই হাল? জানা গিয়েছে, আবাস যোজনায় বাংলার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা আটকে সেই টাকা দেওয়া হয়েছিল গুজরাত, উত্তরপ্রদেশের মতো ডাবল ইঞ্জিন রাজ্য সহ ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে। কিন্তু টাকা দেওয়া সত্ত্বেও বলার মতো কাজই সেখানে হয়নি। এ রাজ্যের অনুমোদিত ১১ লক্ষ বাড়ির টাকা আটকে রেখেছে মোদি সরকার। ফলে আবাস প্লাসের কাজ বন্ধ। তার প্রভাব পড়ছে গোটা দেশের গড় হিসেবে। সম্প্রতি 20 Point Programme সংক্রান্ত ত্রৈমাসিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক।

সেই রিপোর্ট চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের। তাতেই তুলে ধরা হয়েছে সড়ক উন্নয়ন, গরিবদের জন্য বাড়ি তৈরি, অঙ্গনওয়াড়ি, বিদ্যুৎ সরবরাহ, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উন্নয়ন সহ একাধিক প্রকল্পের অগ্রগতি। পাশাপাশি, উঠে এসেছে এই সব প্রকল্পের আর্থ-সামাজিক প্রভাবের দিকটিও। গ্রামোন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত আধিকারিকদের মতে, একসঙ্গে এতগুলি রাজ্যে কাজের অগ্রগতি খারাপ হওয়া একেবারেই নজিরবিহীন ঘটনা। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, সময়ে টাকা পেয়েও কাজ শেষ করতে পারছে না রাজ্যগুলি। তাতে কিন্তু নাম রয়েছে একাধিক ডাবল ইঞ্জিনেরও। এখানেই শেষ নয়, উত্তরপ্রদেশ তো কাজের হিসেবই দেয়নি।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

কলকাতা-সহ রাজ্যে সরকারি জমি দখল হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ মমতা

কাটমানি নিয়ে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

নবান্নে মমতার সঙ্গে ৪০ মিনিট একান্ত বৈঠক চিদম্বরমের

বিজেপির পার্টি অফিসে চলল চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি, ধস্তাধস্তি, মারামারি

২ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষক –শিক্ষিকাদের তথ্য আসবে পোর্টালে, নির্দেশ হাইকোর্টের

সরকারি দপ্তরে মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, এসি চালানো নিয়ে কড়া নির্দেশ মমতার

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর