Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

পুজোয় কী করা যাবে, কী করা যাবে না, কী নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, দেখে নিন একঝলকে

Share Link:

পুজোয় কী করা যাবে, কী করা যাবে না, কী নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, দেখে নিন একঝলকে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার বিকেলে শহর কলকাতা-সহ রাজ্যের সব পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুজো কমিটিগুলিকে একগুচ্ছ নিয়মে বেঁধে দিয়েছেন তিনি। কোভিডের এই প্রার্দুভাবের মধ্যে থেকেও কী করে পুজো করা যাবে, তার জন্য রাজ্যে লাগু করেছেন কিছু নিয়মবিধি। কী সেই নিয়মবিধি, কী করা যাবে, কী করা যাবে না তা একঝলকে দেখে নিন এখানে।

এছাড়াও একাধিক ঘোষণাও এদিন মুখ্যমন্ত্রী করেছেন, দেখে নিন সেগুলিই একনজরে।

 
  • মণ্ডপ যতটা সম্ভব খোলামেলা রাখতে হবে। ছাদ ঢাকা থাকলে চারপাশ খোলা রাখতে হবে। আবার চারপাশ ঢাকা থাকলে ছাদ খোলা রাখতে হবে।
  • মণ্ডপে ঢোকার আগে মার্কিং করে দিতে হবে সেখানে দাঁড়াবেন দর্শনার্থীরা। প্রত্যেক মণ্ডপে ঢোকার আগেই রাখতে হবে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা। সেখানেই রাখতে হবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। পারলে বসাতে হবে স্যানিটাইজেশন চ্যানেল।
  • মণ্ডপের ভিতরে যাতে ভিড় না হয় তার জন্য মণ্ডপে প্রবেশ ও প্রস্থানের আলাদা আলাদা দরজা রাখতে হবে। 
  • প্রতিটি পুজো মণ্ডপে আগের বছরগুলির তুলনায় বেশি সংখ্যক ভলেন্টিয়ার রাখতে হবে।
  • প্রতিটি ক্লাবকে তাঁদের মণ্ডপের হাফ কিলোমিটারের আগে থেকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার দিতে হবে। 
  • অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সিঁদুর খেলার ক্ষেত্রেও মুখ্যমন্ত্রী বিধি বেঁধে দিয়েছেন। কয়েক দফায় অঞ্জলি ও সিঁদুর খেলার আয়োজন করতে হবে যাতে সবাই সুযোগ পান, কিন্তু ভিড় না হয়। অঞ্জলিতে ফুল-বেলপাতা সঙ্গে নিয়ে এলে ভাল হয়।
  • প্যান্ডেল এমন ভাবে করুন যাতে ফিজিক্যাল ডিস্টেন্স বজায় থাকে। সোশ্যাল ডিস্টেন্স ভুল কথা। বজায় রাখতে হবে ফিজিক্যাল ডিস্টেন্স।
  • এলাকা ভেদে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য আলাদা আলাদা দিন করা হবে। একই দিনে সব বিসর্জন করা যাবে না। এটা পুলিশ-প্রশাসন সবটা দেখে ঠিক করবে।
  • পুজোর দিনগুলিতে কোনও পুজো কমিটি কোনওরকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না, এতে ভিড় হয়। তাতে কোভিড বাড়তে পারে।
  • এবারে রেড রোডে কোনও পুজো কার্নিভাল আয়োজিত হবে না, পরের বার দ্বিগুণ বড় করে হবে।
  • পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচারকেরা ২টি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। এই বিচারকমন্ডলী সকাল ১০ টা থেকে দুপুর্ ৩টের মধ্যেই মন্ডপে আসবেন। পারলে সবটাই ভার্চুয়াল করা হলে ভাল।
  • তৃতীয়া থেকে একাদশী পর্যন্ত রাতে ঠাকুর দেখা যাবে। পুলিশ সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা করবে।
  • একইসঙ্গে সব পুজো কমিটিকে রাজ্য সরকার ৫০ হাজার করে আর্থিক সহায়তা দেবে।
  • দমকল কোনও টাকা নেবে না। সরকারি বা সিইএসসি ক্ষেত্রে বিদ্যুত বাবদ টাকা ৫০ শতাংশ মকুব করা হল, অর্থাৎ অন্যবারের তুলনায় অর্ধেক টাকা দিলেই হবে।
  • কর্পোরেশন, মিউনিসিপ্যালিটি কিংবা পঞ্চায়েত পুজো বাবদ কোনও কর বা টাকা জমা নেবে না। 
  • বিগত ১০ বছর ধরে পুজো হচ্ছে কিন্তু তার প্রশাসনিক অনুমতি এখনও মেলেনি সেই সব পুজোকে এবারে অনুমতি দেওয়া হবে।
  • রাজ্য সরকারের কাছে নথিবদ্ধ ৮১ হাজার হকারকে পুজোর মাসে ২ হাজার টাকা সরকারি অনুদান দেওয়া হবে।
  • আশাকর্মী, সিভিক পুলিশ, ভিলেজ পুলিশ, গ্রিন পুলিশের বেতন পুজোর মাস থেকেই ১ হাজার টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
  • রাজ্যের সব অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের অবসরের পরে এককালীন ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে।
  • রাজ্য সরকারের নথিভুক্ত পুরোহিত, ইমাম, ফাদারদের নিজস্ব জমি থাকলেও যাঁরা বাড়ি করতে পারছেন না তাঁদের সরকার এককালীন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেবে।  

2020 New Ad HDFC 04

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-LDC Momo

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo