Comm Ad 005 TBS

নরমে গরমে শুভেন্দু কাঁটা সরাতে তৎপর তৃণমূল! বৈঠকের পাশাপাশি সক্রিয় সিআইডিও

Share Link:

নরমে গরমে শুভেন্দু কাঁটা সরাতে তৎপর তৃণমূল! বৈঠকের পাশাপাশি সক্রিয় সিআইডিও

নিজস্ব প্রতিনিধি: জননেতাকে ধরে রাখতে চেষ্টার ত্রুটি রাখতে চাইছে না রাজ্যের শাসক দল। কার্যত একসঙ্গে নরমে গরমে শুরু হয়েছে তাঁর সঙ্গে দর কষাকষির পালা। কারন এটা রাজ্যের শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বও জানে যে এই জননেতা দল ছাড়লে খুব কম করে হলেও দলের ১০ থেকে ১২ শতাংশ ভোট সঙ্গে নিয়ে যাবেন। যেখানে গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান মাত্র ৩ শতাংশ ছিল, সেখানে শাসক শিবিরই একদম এই রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ঝুঁকি নিতে চাইছে না। তাই এবার পর্দার পিছনেই শুরু হয়ে গিয়েছে দর কষাকষির খেলা। নজরে অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী ও তৃণমূল কংগ্রেস। 

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে শুভেন্দু অধিকারী কালিঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে না গেলেও তাঁর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কথা হয়েছে তৃণমূলের দুই মন্ত্রী ও ৩জন সাংসদের সঙ্গে। যারা শুক্ররাতে শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সাধন পাণ্ডে, সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই শিবির সূত্রেই জানা গিয়েছে, সেই বৈঠকে শুভেন্দুর তরফে বেশ কিছু দাবি রাখা হয়েছে। দলের রাজ্য সভাপতি পদ তাঁর অন্যতম। সেই সঙ্গে উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হাওড়া ও হুগলি জেলায় দলের প্রার্থী কারা হবেন সেই বিষয়টি নিজের হাতেই রাখতে চান বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। এই সব জেলার সংগঠনও তিনি নিজে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন এই জননেতা। যদিও এই বিষয়ে তাঁকে সুনিশ্চিত ভাবে কিছু জানাতে পারেননি তৃণমূলের তরফে তাঁর সঙ্গে কথা বলা ওই ৫জন। তবে বিষয়টি নিয়ে যে দলে আলোচনা হবে সেই আশ্বাস তাঁরা দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে গতকাল রাতের এই বৈঠকের জন্যই মোহন ভাগবতের সঙ্গে বৈঠক এড়িয়েছেন শুভেন্দু। আবার এদিন দিল্লি না গিয়ে রাজ্যেই রয়ে গিয়েছেন তিনি। তৃণমূল সূত্রে এটাও জানা গিয়েছে, শুভেন্দুকে ধরে রাখতে আলোচনাতেই জোর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই কিছু না কিছু একটা রাস্তা ঠিকই বার হবে বলে আশাবাদী তৃণমূল নেতৃত্ব।

তবে এই আলোচনার পাশাপাশি ভিন্ন পথও খোলা রাখছে রাজ্যের শাসক দল। শুরু হতে চলেছে জননেতার বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে সিআইডি তদন্ত। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জঙ্গলমহলে দলের সংগঠন দেখতেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সূত্রে মাওবাদীদের সঙ্গে শান্তিপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা ও তাঁদের সমাজের মূলস্রোতে ফেরানোর আলোচনা শুভেন্দু নিজেই করতেন। সম্প্রতি ছত্রধর মাহাতো ও সুচিত্রা মাহাতোর মাধ্যমে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব জানতে পেরেছে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের সময় বেশ মোটা অঙ্কের তহবিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে এসেছিল। যার পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। সেই টাকা কোথায় গেল বা কোন ঘটনার ক্ষেত্রে তা ব্যায় করা হয়েছে বা এই ঘটনা আদৌ সত্য কিনা তা নিয়ে এবার তদন্তে নামছে সিআইডি। এর জন্য ছত্রধর মাহাতো, সুচিত্রা মাহাতোর সঙ্গে সিআইডি আধিকারিকেরা কথা বলার পাশাপাশি যে সব মাওবাদী রাজ্য সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র সহ আত্মসমর্পণ করেছে তাঁদের সঙ্গেও কথা বলা শুরু করতে চলেছেন। একই সঙ্গে শুভেন্দু জমানার সেচ ও পরিবহণ দফতরের একাধিক বিতর্কিত ও মোটা অঙ্কের ফাইল নিয়েও নাড়াঘাটা শুরু করেছে সিআইডি। রাজ্যের ফেরি ঘাট সংস্কারে বিশ্ব ব্যাঙ্কের ৩ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার পেপার নিয়ে এখন মাথায় ভাঁজ পড়েছে পরিবহণের শীর্ষ কর্তাদের। কারন এখানেই বড়সড় গরমিল খুঁজে পেয়েছেন সিআইডি আধিকারিকেরা। এর পাশাপাশি জানা গিয়েছে, শহরের এক অতিথিশালায় কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কর্তা রাজীব কুমারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, সিআইডি ও কলকাতা পুলিশের কিছু অফিসার। সেই বৈঠকের নেপথ্যেও রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্কিত বিষয়। মনে করা হচ্ছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বড়সড় কোনও পদক্ষেপ করা হতে পারে সিআইডির তরফে। উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না গ্রেফতারির আশঙ্কাও।

2020 New Ad HDFC 04

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-WB Tourism RC
Comm Ad 2020-LDC Momo