Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

হোম আইসোলেশনে মৃত্যুহার কমাতে হাতিয়ার আলাপনের ত্রিভুজ নীতি

Share Link:

হোম আইসোলেশনে মৃত্যুহার কমাতে হাতিয়ার আলাপনের ত্রিভুজ নীতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুজোর পর থেকেই রাজ্যে কমছে কোভিডের সংক্রমণের হার। কমছে মৃত্যুর সংখ্যাও। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতর এই মৃত্যুগুলি সম্পর্কে এমন বিশেষ কিছু তথ্য পেয়েছে যা কোভিড নিয়ে উদ্বেগ নতুন করে বাড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। আর তা হল রাজ্যে নিঃশব্দে বেড়ে গিয়েছে হোম আইসোলেশনে থাকা মৃত্যর হার। অর্থাৎ কোভিডে সংক্রমিত হওয়ার কারনে যারা হোম আইসোলেশনে থাকছেন তাঁদের মধ্যে এখন অনেকেরই মৃত্যু হচ্ছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, গত দুই সপ্তাহে করোনায় মৃত রোগীর ৩০ শতাংশই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। এই ঘটনা ঠেকাতে এবারে বিশেষ পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হল হোম আইশোলেশনে থাকা কোভিড রোগীদের স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা।  
 
স্বাস্থ্য দফতর জানতে পেরেছে যে গত দুই সপ্তাহে যাঁরা হোম আইসোলেশনে থেকে মারা গিয়েছেন তাঁরা হোম আইসোলেশনে থাকার সময় না ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ খেতেন না নির্দিষ্ট সময় অন্তর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা পরিমাপ করতেন। এরই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে এই সব রোগীদের বেশিরভাগেরই বাড়িতে অক্সিমিটারই নেই। ফলে রোগীর তুমুল শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য জটিল উপসর্গ শুরু হলে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে এবং চিকিৎসার কোনও সুযোগ না দিয়েই তাঁদের কার্যত মৃত্যু হচ্ছে। এবার এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঠেকাতেই হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা।
 
একই সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আরও একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট এসেছে। আর তা হল, হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের পরিবারের বাকি সদস্যদের একটা বড় অংশই আবার করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না। আক্রান্তের পরিবারে একজনের কোভিড পজিটিভ হলে অন্যরা টেস্ট না করেই সংক্রমিতের প্রেসক্রিপশন দেখেই নিজেরা ওষুধ খাচ্ছেন। যাঁদের হাই ব্লাড সুগার বা কিডনিজনিত কো-মর্বিডিটি আছে তাঁরাও এই ভাবে ওষুধ খাচ্ছেন। আর তার জেরে এদের অনেকেই আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে গেলে দেখা যাচ্ছে ভুলভাল ওষুধ খেয়ে শরীরের কোনও না কোনও অঙ্গ গুরুতর ভাবে যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গিয়েছে তেমনি ফুসফুসেরও ভয়ানক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। সেই অবস্থাতেও ভেন্টিলেশনে দিয়েও মৃত্যু আটকানো যাচ্ছে না। কলকাতা বা রাজ্যের শহরাঞ্চলে হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীরা অনেকে ডাক্তারের পরামর্শ নিলেও জেলায় অধিকাংশ মানুষই চিকিৎসকের ধার মাড়াচ্ছেন না। আর সেই কারণেই এখন জেলায় মৃত্যুর হার বাড়ছে।
 
এবার এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রতিটি জেলায় হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের সঙ্গে জেনারেল ফিজিশিয়ান ও প্রশাসনের ‘ত্রিভুজ’ তৈরি করার পথে হাঁটা দিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। এই পদ্ধতিতে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর রাজ্যের সব পুরসংস্থাগুলিকে হোম আইসোলেশন ‘পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নিয়ে একটা বিশেষ মডিউলের প্রশিক্ষণ দেবে। সেই প্রশিক্ষণে পুরআধিকারিকেরা যেমন থাকবেন তেমনি স্থানীয় জেনারেল ফিজিশিয়ান ও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরাও থাকবেন। আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ শেষ করে দেওয়া হবে। তবে তার আগে আগামী বৃহস্পতিবার এই বিষয়টু নিয়েই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের সব পুরসংস্থার পুরপ্রধান বা পুরপ্রশাসকদের নিয়ে বৈঠক করবেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।

Comm AD 12 Myra

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-Valentine RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 006 TBS

Editors Choice

corona 02