এই মুহূর্তে

মোদি চাপ বাড়ালেও জলে কর বসাবেন না মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর বিনা পয়সায় জল নয়! দ্রুত চালু হোক জল কর(Water Tax)। এমনটাই চাইছে মোদি সরকার(Modi Government)। ২০১৯ সালে এই ইস্যুতে দেশের পুরসভাগুলিকে একপ্রস্থ পরামর্শ দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই ইস্যুতে চাপ বাড়াচ্ছে কেন্দ্র। ২০২৪ সালের মধ্যেই ‘জল জীবন মিশনের’(Jal Jiban Mission) মাধ্যমে ‘হর ঘর নল কি পানি’ ব্যবস্থায় প্রত্যেকের ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সেই ব্যবস্থা সফল করতে মরিয়া মোদি সরকার। কারণ এই প্রকল্প শেষ করার সময়সীমা বার বার বদলেছে। তাই আর দেরি করতে নারাজ তাঁরা। কিন্তু এবার মোদি সরকার চা‌ইছে, রাজধানী দিল্লির মতো দেশজুড়ে পুরসভাগুলি চালু করুক জল কর। কিন্তু বাংলায়(Bengal) ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার মানুষের ওপর জলকর বসাতে নারাজ। উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্দেশ ও অবস্থান নতুন কোনও ঘটনা নয়। রাজ্যের বিরোধী শক্তি থাকাকালীন সময়েও মমতা এই নির্দেশ দিয়েছিলেন দলকে। পরে রাজ্যের ক্ষমতায় এসে গেলেও এই নীতি থেকে একচুলও সরে আসেননি বাংলার অগ্নিকন্যা। তাঁর সেই নীতি ও নির্দেশ আজও বাংলায় মেনে চলেছে তৃণমূল(TMC) পরিচালিত প্রতিটি পুরসভা(Municipalities) কর্তৃপক্ষ। 

আরও পড়ুন সরে যাচ্ছে Indian Tectonic Plate, বাড়ছে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা, বিপদ উত্তরবঙ্গেরও

শুধু বাংলা নয় দেশের সব পুরসভা বা পুরনিগমগুলিতে জল সরবরাহ করে সেই সব শহরে পৌর সংস্থাগুলিই। প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার সেই জল পাওয়া যায়। কোথাও কোথাও আবার তারও বেশি। কিন্তু সিংহভাগ রাজ্যেই কোনও পুরসভাই কোনও জলকর নেয় না। কিন্তু মাটির নীচের জল দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে জল ব্যবহার ও জল সংরক্ষণের ওপর জোর দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সুপারিশকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন মোদি সরকার একটি সাধারণ গাইডলাইন তৈরির লক্ষ্যে Water Framework Bill তৈরি করেছিল যা সংসদে আনবে কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রক। সেই খসড়া বিল পাঠানো হয়েছিল বিভিন্ন রাজ্যে। জল সরবরাহ যেহেতু রাজ্যের এক্তিয়ারে, তাই জল নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকার একক ভাবে চাপিয়ে দিতে পারে না রাজ্যগুলির ওপর। কিন্তু জল জীবন মিশন যাতে সব রাজ্যে সমানভাবে প্রযুক্ত হয় এবং পুরসভা এলাকায় জল সরবরাহে ন্যূনতম কর যাতে ধার্য হয়— সেই প্রস্তাব দিয়ে ওই গাইডলাইন পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন BSF’র লেডি কনস্টেবল ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার কিতাব সিং

সেই গাইডলাইনে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছিল, এই খসড়া বিল নিয়ে তাঁদের মতামত জানাতে। ১৩টি রাজ্য ইতিমধ্যে সেই মতামত জানিয়েছে। কিছু রাজ্য অন্তর্বর্তী রিপোর্ট পাঠিয়েছে। তাদের বক্তব্য, আরও আলোচনার প্রয়োজন আছে। জলসম্পদ মন্ত্রকের এই প্রস্তাবকে সামনে রেখে নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দেশের পুরসভাগুলিকে পরামর্শ দিতে চলেছে, নিজেদের আয় বাড়াতে হলে কিছু কিছু কর চাপানো উচিত। কিন্তু এই জায়গাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র আপত্তি। তাঁর দাবি, আয় বাড়ানোর জন্য জলের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জীবনস্বরূপা তরলের ওপর কোনও কর বসানো যায় না। জল মানুষের জীবন। পুরসভাগুলি যদি সাধারন মানুষকে বিনামূল্যে জলটাও দিতে না পারে তাহলে সেই পুরসভায় ক্ষমতায় থাকাও উচিত নয়। এটা আমজনতার বেঁচে থাকার উপাদান। সেখানে কোনও ভাবেই কোনও কর বসানো যাবে না। কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থানের দরুণই মোদি সরকার চাইলেও বাংলার বুকে আগামী দিনেও জলের ওপর কর বসবে না বললেই ধরে নেওয়া যায়। 

Published by:

Koushik Dey Sarkar

Share Link:

More Releted News:

আগামী বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু কবে, দিনক্ষণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

‘লাখপতি দিদি’ হওয়ার প্রস্তাব ফেরাচ্ছেন বাংলার মহিলারা, নাজেহাল বিজেপি

৬ বছরের জন্য শেখ শাহজাহানকে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেস

শাহজাহান গ্রেফতার হতেই আদালতের দ্বারস্থ ইডি

আদালত থেকে সরাসরি ভবানী ভবনে শাহজাহান

কেন্দ্রের আইনের প্রতিবাদে ৫ মার্চ রাজ্যে পরিবহণ ধর্মঘট

Advertisement

এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর