Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

ত্রিপুরা যেতে পারেন মমতা! লক্ষ্য ২০২৩ এর ভোট

Share Link:

ত্রিপুরা যেতে পারেন মমতা! লক্ষ্য ২০২৩ এর ভোট

নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা ২৫ বছর ক্ষমতায় ছিল বামেরা। তার মধ্যে শেষ ২০ বছরই দিন কেটেছে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের শাসনে। সেই শাসনেই ইতি টেনে ত্রিপুরার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মানে বামকে হটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে রাম। সেই রামকে ক্ষমতা থেকে হটাবার ক্ষমতা আর নেই বামেদের। তবে সেখানে এবার পা রাখতে চলেছেন বাংলার বুকে ৩৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটনাও পরিবর্তনের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্য ত্রিপুরাকে বিজেপি মুক্ত করা। তৃণমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বৃহস্পতিবার আগরতলায় পৌঁছে জানিয়েছেন, ‘ত্রিপুরায় দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতির প্রাথমিক কাজ সম্পূর্ণ হলেই খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্য সফরে যাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ত্রিপুরার মানুষ আহ্বান করছে। তৃণমূলের সব নেতা-নেত্রী এখানে যাওয়া-আসা করবেন। ত্রিপুরায় তৃণমূল নিশ্চয়ই সরকার গঠন করতে পারবে।’ তবে এই ঘোষণার জেরে একদিকে যেমন জল্পনা ছড়িয়েছে বিস্তর তেমনি প্রশ্নও উঠেছে বিস্তর।
 
তৃণমূল কংগ্রেসের যা কিছু বিস্তার আর দাপট এমনকি প্রভাবও সবটাই পশ্চিমবঙ্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েক দশক ধরেই গোটা দেশের মানুষের কাছে সুপরিচিত, সে নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, দেশের মানুষের কাছে তৃণমূলও সমান ভাবে গ্রহণযোগ্য। দিনের শেষে আজও কিন্তু তৃণমূল একটি আঞ্চলিক দলই। যতই তাঁর সর্বভারতীয় তকমা বা জাতীয় দলের স্বীকৃতি থাক না কেন, এটাই চরম সত্য। বাংলার বুকে পর পর ৩টি বিধানসভা নির্বাচনে আর তৃণমূলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারন সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক। সেই তৃণমূল যখন ত্রিপুরাতে পা রাখতে চলেছে তখন কিন্তু আদতে তাকে অগ্নিপরীক্ষার মুখেই দাঁড়াতে হচ্ছে। কেননা ত্রিপুরা পশ্চিমবাংলা নয়। সেখানকার পরিস্থিতি বাংলার মতো নয়। ত্রিপুরার বিধানসভায় আসন রয়েছে মাত্র ৬০খানি। তার মধ্যে ২০টি আসনই আবার তপশিলি উপজাতি বা আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত। অর্থাৎ বিধানসভার এক তৃতীয়াংশ আসনই আদিবাসিদের জন্য সংরক্ষিত। আবার ১০টি আসন সংরক্ষিত তপশিলি জাতিদের জন্য। অর্থাৎ বিধানসভার অর্ধেক আসনই সংক্ষণের আওতায়। বাকি অর্ধেক অবশ্য অসংরক্ষিত। অর্থাৎ কোনও একটি দলের পকেটে যদি তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের ভোট চলে যায় তো তাঁরাই ত্রিপুরার ক্ষমতা দখল করে বসে থাকবে।   
 
বামেরা ত্রিপুরায় মোট ৩৫ বছর রাজত্ব চালিয়েছে। এর মূলে ছিল বাঙালি ও তপশিলি সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা। আদিবাসীদের মধ্যে অবশ্য বাম নিয়ন্ত্রণ কোনও কালেই সেভাবে ছিল না। বরঞ্চ আদিবাসীরা পৃথক রাজ্যই চেয়ে এসেছে বারে বারে। তার জন্য একসময় ত্রিপুরা ভীষণভাবেই রক্তাক্ত হয়েছে। হিংস্র সশস্ত্র জঙ্গি হানায় অনেক মানুষের জীবন ঝরে গিয়েছে অকালেই। সেই অশান্তি কাটিয়ে উঠে ত্রিপুরা ছিল বামেদের হাতেই। কিন্তু রাজ্যে যুবপ্রজন্মের বেকারত্ব, একঘেঁয়েমি বাম শাসন, অর্থনৈতিক উন্নতিসাধন না ঘটার জেরে ত্রিপুরাবাসী ডেকে এনেছে রামবাহিনীকে। তাতে অবশ্য বিপদও বেড়েছে তাঁদের। সেই বিপদ থেকেই ত্রিপুরাবাসীকে রেহাই দিতেই সেখানে পা ফেলেছে তৃণমূল। যদিও এখনও পর্যন্ত সেভাবে রাজনৈতিক সাফল্যের মুখ দেখতে পারেনি ঘাসফুল। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরা ২৬টি আসনে প্রার্থী দিয়েও ১টি আসনেও কিন্তু জয়ের মুখ দেখতে পারেনি। এর একটা বড় কারণ ত্রিপুরায় তৃণমূলের সংগঠন যেমন নেই তেমনি নেই সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটব্যাঙ্কও। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ত্রিপুরায় সংখ্যালঘু মুসলিম মানুষের সংখ্যা মাত্র ৮.৬০শতাংশ। ত্রিপুরার প্রায় ৬৪ শতাংশ মানুষ হিন্দু বাঙালি। ২৬ শতাংশ মানুষ ত্রিপুরী যারা আদতে ত্রিপুরার আদি বাসিন্দা কিন্তু আজ তাঁরাই সেখানে তপশিলি হয়ে গিয়েছেন। আর আছেন আদিবাসীরা। এই জনভিত্তিতে তৃণমূলের ভোটবাঙ্ক কোথায়?
 
ত্রিপুরায় সংগঠন বাড়াতে তৃণমূল নজর দিচ্ছে সেই সব নেতাদের যাদের নিয়ে এখন আর কোনও দলেই সেভাবে আর টানাটানি নেই। আগেকার বাম নেতা থেকে কর্মী সমর্থকেরা এখন রামভক্ত হয়ে গিয়েছেন। যারা আছেন তাঁরা বামেই জীবনপাত করবেন। তাই তৃণমূলের ভরসা ঘরে বসে থাকা সেখানকার কংগ্রেস নেতারা। লক্ষ্যণীয় বিষয় বিজেপি ত্রিপুরার ক্ষমতা দখল করে সেখানকার বাঙালিদেরকেই কিন্তু সব থেকে বেশি ধাক্কা দিয়েছে। তুলনায় ধাক্কা লাগেনি তপশিলি জাতি ও উপজাতি সমাজে। তাই তাঁরা সেখানে এখনও বিজেপি বিরোধী হয়ে ওঠেননি। ফলে ওই দুই সমাজ থেকেও তৃণমূল সেভাবে অক্সিজেন পাবে না রাজ্যে বিস্তার লাভের জন্য। এই অবস্থায় মমতা গিয়ে কী করবেন? বামেরা তাঁকে নিয়ে ইদানিংকালে চর্চা করছে ঠিকই, কিন্তু বাম ভোট তৃণমূলে আসবে কিনা তা সন্দেহের বিষয়। আর সর্বোপরি ত্রিপুরায় মমতা গেলে সেখানে তাঁর বাম বিরোধী লড়কু ইমেজ কোনও কাজে লাগবে না। বরঞ্চ তিনি কতটা বিজেপি বিরোধী সেটাই সেখানে কাজে লাগাতে হবে। আর এখানেই মমতারও বড় পরীক্ষা। ২০২৪ এর আগে ২০২৩ সালে ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দাগ না কাটতে পারলে দিল্লি দূর অস্ত। 

Puja21-Ad02

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-Valentine RC
Comm Ad 2020-LDC Momo