Comm Ad 2020-tantuja-body

প্রত্যেক রাজ্যে ভ্যাকসিনের পরিকাঠামো তৈরি, করোনা পরীক্ষা বৃদ্ধিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

Share Link:

প্রত্যেক রাজ্যে ভ্যাকসিনের পরিকাঠামো তৈরি, করোনা পরীক্ষা বৃদ্ধিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: করোনা ভ্যাকসিন কীভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রীদের কাছ থেকে লিখিত পরিকল্পনা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সকাল থেকে একাধিক দফায় করোনা সংক্রমণ, সেই সংক্রমণ প্রতিরোধ ও ভ্যাকসিন প্রদান নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে।

সেই বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘শীঘ্রই আপনারা আমাকে লিখিত পরিকল্পনা পাঠান। তারপর সেই পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সারা দেশে ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, কীভাবে এই ভ্যাকসিন ব্লক স্তর পর্যন্ত যাবে, সেই নিয়েই পরিকল্পনা করুন।’ তবে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, কী ভ্যাকসিন দেশের মানুষকে দেওয়া হবে। তার দাম কত হবে তা নিয়ে কিছুই স্থির হয়নি। রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা বলেই তা স্থির করতে হবে। তবে যে ভ্যাকসিনই দেওয়া হোক না কেন, তা বিশ্বের সেরা ভ্যাকসিনই হবে, আশ্বস্ত করেছেন মোদি।

পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে এই ভ্যাকসিনের পরিকাঠামো তৈরিতে জোর দেওয়ার কথা বলেন। কোল্ড স্টোরেজ তৈরি, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, ব্লকস্তর পর্যন্ত পরিকাঠামোআ তৈরি সবই রাজ্যগুলিকে এখনই করে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পরের বছর প্রথমেই ভ্যাকসিন চলে এলে, তা সমস্যাহীন ও মসৃণভাবে কী করে প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তার পরিকল্পনা করার জন্য রাজ্যগুলির কাছে আর্জি জানান এদিন। 

এদিন প্রধানমন্ত্রী করোনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সচেতনতার অভাব সেই কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রথম দিকে মানুষ করোনাকে যে রকম ভয় পেত, পরে তা অনেকটাই কেটে গিয়েছে। বর্তমানে মানুষ মনে করছে করোনা নিয়ে ভয়ের কিছুই নেই। সেই কারণেই মাস্ক ছাড়া, শারীরিক দুরত্ব মানা হচ্ছে না। ফলে অনেক বেশি করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।’ এই প্রবণতা রোধে রাজ্যগুলিকে প্রচারে আরও জোর দেওয়ার আর্জি করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে রাজ্যগুলিকে আরও বেশি করে আরটি পিসিআর পরীক্ষা করার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, ‘যত পরীক্ষার সংখ্যা বাড়বে, ততই পজিটিভিটি কমবে। বর্তমানে এই পজিটিভিটি রয়েছে ৫ শতাংশের উপরে। তা এর নিচে আনতেই হবে যে কোনও মূল্যে। পাশাপাশি, মৃত্যুহারও ১ শতাংশের নিচে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই এই লড়াইয়ে ইতিবাচক অবস্থানে থাকা যাবে।’

একইসঙ্গে, তিনি গত ৮-৯ মাস ধরে প্রতিটি রাজ্যের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে বলেছেন, ‘দেশের এই করোনা লড়াই কারও একার নয়, সব রাজ্য ও কেন্দ্রকে একযোগে এই লড়াই লড়তে হবে। তাহলেই তাতে জয় সম্ভব।’

corona 01

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Egg

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM
Comm Ad 2020-Valentine RC