Comm Ad 005 TBS

কেন্দ্রের আর্থিক প্যাকেজ ‘নির্দয় মস্করা’ - সোনিয়া

Share Link:

কেন্দ্রের আর্থিক প্যাকেজ ‘নির্দয় মস্করা’ - সোনিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে কেন্দ্রের আর্থিক প্যাকেজকে ‘নির্দয় রসিকতা’ বলে আখ্যা দিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি। শুক্রবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিয়ো বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন দেশের ২২টি বিরোধী দলের শীর্ষ নেতা-নেত্রী। বৈঠকে অবিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি বাংলায় বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ যে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে তাকে জাতীয় বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণারও দাবি জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধ ভুলে সব বিরোধী দলকে একছাতার তলায় আনার জন্য এদিন ভিডিয়ো বৈঠক ডেকেছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী। প্রত্যাশিতভাবে সেই বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছে বিরোধী শিবিরে বিজেপি ‘বান্ধব’ হিসেবে পরিচিত আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি ও মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি। ওই তিন দল বাদে বৈঠকে অংশ নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি, ডিএমকে, আরজেডি, ন্যাশনাল কনফারেন্স, জেডিএস, সিপিআইএম সহ কট্টর বিজেপি বিরোধী দলের নেতারা। সব জল্পনা উড়িয়ে যোগ দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও। ‘আম্ফান’ নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য মিনিট কুড়ির জন্য বৈঠকে ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পরিবর্তে দলের প্রতিনিধিত্ব করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন।

সূত্রের খবর, বৈঠকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েন, সীতারাম ইয়েচুরি, গুলাম নবি আজাদরা অভিযোগ করেন, ‘করোনার মতো মারণ ভাইরাস মোকাবিলায় অ-বিজেপি রাজ্যগুলিকে শুধু কেন্দ্র বঞ্চনাই করছে না। নানারকমভাবে অপদস্থ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কেন্দ্রের ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর আর্থিক প্যাকেজকে তুলোধনা করেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি। তাঁর অভিযোগ, ‘করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ না করে মোদি সরকার বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের পিছিয়ে পড়া ও গরিব মানুষদের প্রতি তারা বিন্দুমাত্র সমব্যথী নয়। নিয়ে ভাববার মতো সময় নেই তাদের হাতে। দারিদ্র্যসীমার  নিচে বসবাসকারী ১৩ কোটির মতো মানুষের ভবিষ্যত নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয় সরকার। লোক দেখানো সংস্কারের নামে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে বেচে দিয়ে অ্যাডভেঞ্চারে নেমেছে।’

লকডাউন নিয়েও এদিন প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সূত্রের খবর বৈঠকে সোনিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রথমে বলেছিলেন ২১ দিন লকডাউন করলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু ৬৯ দিন লকডাউন করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিষেধক না বের হওয়া পর্যন্ত মারণ ভাইরাসের দাপট থাকবে বলেই মনে হচ্ছে। কীভাবে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া যাবে, তা নিয়ে কেন্দ্রের সরকার নিজেরাই দোটানায়।’

2020 New Ad HDFC 04

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 006 TBS

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 023 MZP

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 025 Confed

Editors Choice

corona 02