Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

দিল্লির বাংলো ছাড়ুন! মুকুলকে স্বপনের বার্তা

Share Link:

দিল্লির বাংলো ছাড়ুন! মুকুলকে স্বপনের বার্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি: দিল্লিতে মুকুল রায়ের দেড় দশকের ঠিকানা কী এবার বদলে যেতে চলেছে? এই প্রশ্নটা উঠে গেল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত রীতিমত চিঠি পাঠিয়ে মুকুলকে তাঁর দিল্লির বাংলো ছেড়ে দিতে বলার জন্য। যদিও মুকুল সেই চিঠির কোনও উত্তর দেননি। তবে মুকুল বাংলো ছাড়তে রাজি না হলে যে মোদি সরকার বলপ্রয়োগ করতে পিছুপা হবে না সেটা মুকুল নিজেই জানেন। তবে মুকুলের এই সঙ্কটকালে তৃণমূল তাঁর পাশেই থাকছে। তবে এই ক্ষেত্রে তাঁরা কোন রণকৌশল নেয়, বিজেপি তথা মোদি সরকারের পদক্ষেপ ঠেকাতে, এখন সেই দিকেই সবার নজরে থাকবে। এর সঙ্গে এটাও অস্বীকার করার উপায় রইল না যে, তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির যে সব বিষয়ে বিরোধ রয়েছে সেই তালিকায় এবার মুকুলের বাংলোর ইস্যুটিও সযত্নে জুড়ে গেল।
 
মুকুল তৃণমূলের হাত ধরেই রাজ্যসভার সাংসদ হন ২০০৬ সালে। সেই সময়েই তাঁকে থাকার জন্য কেন্দ্রের তরফে বরাদ্দ করা হয়েছিল দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের ১৮১ নম্বর বাংলোটি। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত মুকুল ছিলেন তৃণমূলেরই সাংসদ। রাজ্যসভায় তাঁর দ্বিতীয় টার্ম শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালে। কিন্তু তার এক বছর আগেই তিনি রাজ্যসভার পদ থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু তার আগে ২০০৬ সাল থেকে মুকুলের এই বাংলোই ছিল কার্যত দিল্লিতে তৃণমূলের প্রধান কার্যালয়। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার  মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও দিল্লিতে এলে মুকুলের এই বাংলোতেই উঠতেন। তৃণমূলের সব সংসদীয় কমিটির মিটিং দিল্লিতে হলে তা হত মুকুলেরই এই বাংলোতে। পরে মুকুল বিজেপিতে চলে গেলে মমতা দিল্লিতে গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলোতে উঠতেন। মুকুলের বাংলোয় তৃণমূলের বিচরণ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মুকুল ২০১৭ সালে রাজ্যসভার পদ থেকে ইস্তফা দিলেও সাউথ অ্যাভিনিউয়ের ১৮১ নম্বর বাংলোটি কিন্তু ছাড়েননি। এমনকি তৃণমূল থেকে সেই সময় তাঁকে বাংলো ছেড়ে দেওয়ার জন্য যেমন বলা হয়েছিল তেমনি কেন্দ্রের কাছেও সেই আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়কার বিজেপি সদস্য মুকুলকে যাতে ওই বাংলো ছাড়তে না হয় তার জন্য গেরুয়া শিবিরের তরফে এগিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁদের রাজ্যসভার বাঙালি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তকে।
 
স্বপনবাবু দীর্ঘদিন ধরেই দিল্লির বাসিন্দা। তাই দিল্লিতে তাঁর নিজেরই বাড়ি রয়েছে। কিন্তু তিনি রাজ্যসভার সদস্য হিসাবেও একটি বাংলো পাওয়ার অধিকারী। তাই ঠিক করা হয় সাউথ অ্যাভিনিউয়ের ১৮১ নম্বর বাংলোটি স্বপনবাবুর নামেই বরাদ্দ করা হবে। তবে সেখানে স্বপনবাবুর অতিথি হিসাবে থাকবেন মুকুল। সেই ভাবেই সরকারি ভাবে তা জানিয়ে দেওয়া হয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে। তাই মুকুলকে ওই বাংলো ছাড়তে হয়নি। কিন্তু এখন যখন তিনি সপুত্র বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে এসেছেন, রাজ্য বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন, তখন বিজেপি থেকেই এবার জোর তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে ওই বাংলো থেকে মুকুলকে কার্যত উৎখাত করার প্রক্রিয়া। যেহেতু বাংলোটি স্বপন দাশগুপ্তের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে, তাই সংসদের আবাসন কমিটি তাঁকেই চিঠি পাঠিয়েছে বাংলো খালি করে দেওয়ার জন্য। সেই চিঠি আবার স্বপনবাবু পাঠিয়েছেন মুকুল রায়কে। কেননা বিজেপির কাছে অস্বস্তির কারন হয়ে গিয়েছে যে ওই বাংলোর প্রবেশপথের দুই পাশেই এখন মমরা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সম্বলিত হোর্ডিং জায়গা করে নিয়েছে। সরে গিয়েছে মোদি, শাহ, নাড্ডার ছবি। পাশাপাশি এই বাংলোতে ফের যেমন তৃণমূল সাংসদদের আনাগোনা শুরু হয়েছে তেমনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসা সুনীল মণ্ডলের মতো সাংসদদেরও আসাযাওয়া শুরু হয়েছে।
 
বিজেপির নেতারা রীতিমত ভয় পেয়ে গিয়েছেন এটা ভেবেই যে, মুকুলকে দিল্লিতে ফের ঘাঁটি গাড়ার সুযোগ করে দিলে তিনি বিজেপি কেন এনডিএ-তেও ফাটল ধরিয়ে নেতা-মন্ত্রী-জোট সঙ্গীদের তৃণমূলে টেনে নিয়ে যাবেন। তাই যেন তেন প্রকারণে মুকুলকে দিল্লি থেকে উৎখাত করতে উঠে পড়ে লেগেছে মোদি সরকার। তবে মুকুলের এই দুর্দিনে তাঁর পাশে থাকছে তৃণমূল। শোনা যাচ্ছে মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনে মুকুলকে ফের প্রার্থী করতে পারে তৃণমূল। সেক্ষেত্রে মুকুলকে আর ওই বাংলো নাও ছাড়তে হতে পারে। বা আইনের বলে মুকুলকে তখন ওই বাংলো থেকে নাও সরাতে পারে মোদি সরকার। কিন্তু মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া সেই আসনে উপনির্বাচন হতে দেরি আছে। তাই এই মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে মুকুলকে মোদি সরকার জোর করে বাংলো ছাড়া করতে চাইলে তৃণমূল কী পদক্ষেপ নেয় এখন সেটাই দেখার।

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-Valentine RC
Comm Ad 2020-himalaya RC