এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




বিয়ের ১২ দিন পর স্বামী জানতে পারলেন তাঁর স্ত্রী নারী নয়, পুরুষ, তারপর কী হল?




নিজস্ব প্রতিনিধি: কী কাণ্ড! বিয়ের ১২ দিন পরে, একজন বর জানতে পারলেন তাঁর স্ত্রী নারী নয়, আসলে একজন পুরুষ। কেসটা কি? নারী নয়, পুরুষের সঙ্গে তিনি ঘর করছেন, তা একেবারেই বুঝতে পারলেন না ওই ব্যক্তিটি! কীভাবে সম্ভব? যদিও ঘটনাটি ইন্দোনেশিয়ার। বর্তমানে সমলিঙ্গ প্রেম, বিয়ের সংখ্যা বেড়ে গেলেও তা সীমিত সংখ্যক এবং ব্যতিক্রম। নারিতে নারিতে বা পুরুষে পুরুষে ভালবাসার বিষয়টি অতীতে অনেক আগে প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই বিষয়টি ঘৃণার চোখে দেখলেও সমাজের একাংশ মেনে নিয়েছেন, এ নিয়ে আইনও প্রণয়ন হওয়ার অপেক্ষায়। মূলত, বিপরীত লিঙ্গ মানুষের মধ্যেই ভালবাসা হবে, সেটাই স্বাভাবিক। সেটাই প্রত্যেকটা মানুষের বৈশিষ্ট্য। কিন্তু এখন এর ব্যতিক্রমও হচ্ছে। কিন্তু তা বলে নারী বেশে পুরুষের আরেক পুরুষকে বিয়ে, এটা মানা যায়! তাও আবার গোপনে! সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ান ব্যক্তিটি যখন জানতে পারলেন তাঁর স্ত্রী নারী নন, তিনি একজন পুরুষ, স্বাভাবিকভাবেই বিশাল ধাক্কা খেয়েছেন তিনি।

প্রায় ১২ দিন মহিলার ছদ্মবেশে ছিলেন ওই পুরুষটি। একটি বিদেশী প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১২ দিন পরে ২৬ বছর বয়সী স্বামী জানতে পারেন যে তাঁর স্ত্রী আদিন্দা কানজা একজন পুরুষ। প্রতারিত ব্যক্তিটির কথায়, ২০২৩ সালে একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাঁর সঙ্গে আদিন্দা কানজার যোগাযোগ হয়। তারপর তাঁদের কথা এগোলে ব্যক্তিগতভাবে তার দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন। AK-এর কথায়, আদিন্দা সবসময় ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পোশাক পরতেন এবং তাঁর পুরো মুখ ঢেকে রাখতেন। অবশেষে দুজনেই প্রেমে পড়েন এবং বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। আদিন্দা AK কে বলেছিলেন যে বিয়েতে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর কোনও পরিবার নেই। অবশেষে আদিন্দার সব কথা শুনে তাঁরা গত ১২ এপ্রিল শালীন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিয়ের পরেও, আদিন্দা ক্রমাগত তার নতুন স্বামীর কাছ থেকে তার মুখ লুকিয়ে রাখেন। এমনকী তিনি শ্বশুর বাড়ির গ্রামে তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশাও করতেন না। এমনকী স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি অজুহাত দেন যে, তাঁর মাসিক চক্র চলছে।

তাই এখন তিনি ঘনিষ্ঠতা করতে চান না। এরপর বারো দিনের সন্দেহজনক আচরণের পর, AK তার স্ত্রীকে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি জানতে পারেন যে, আদিন্দার বাবা-মা এখনও জীবিত আছেন এবং তাদের সন্তানের এরূপ আচরণে তারা সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিলেন। এরপর AK জানতে পারেন, আদিন্ডা আসলে একজন পুরুষ , ইএসএইচ হিসাবে চিহ্নিত, যিনি ২০২০ সাল থেকে ক্রস-ড্রেসিং করছেন। পুলিশের তদন্তের সময়, ESH প্রকাশ করেছে যে, সে তার পরিবারের সম্পদ চুরি করার জন্য একে-কে বিয়ে করেছে। ইতিমধ্যেই পুলিশরা তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর কন্ঠস্বরও মহিলা দের মতো ছিল। তাই কেউ সন্দেহ করতে পারেনি। তাদের বিয়ের ছবিতেও আদিন্দাকে দেখতে একেবারে সত্যিকারের মহিলার মতো ছিল। ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় আইনের অধীনে, আদিন্দা এখন জেল হেফাজতে বন্দী এবং তাঁর চার বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

মায়ের মৃতদেহের সামনে মেয়ের বিয়ে,শ্মশানেই সিঁদুর দান ও মালা বদল

ন্যাটোর পরবর্তী মহাসচিব হচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুত্তে

মক্কায় তীব্র তাপপ্রবাহে মৃত্যু ১,০৮১ হজযাত্রীর, বাংলাদেশের ৩১

‘ফল ভাল হবে না’ দক্ষিণ কোরিয়াকে কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের!

হজ করতে গিয়ে মক্কায় মৃত ৯৮ ভারতীয়

হামাসের মর্টার হামলায় ইজরায়েলি ২ সেনা নিহত

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর