Comm Ad 005 TBS

বেলা বোসের বয়স বাড়ল আরও পঁচিশ, কিন্তু কোথায় গেলেন সেই প্রেমিক?

Share Link:

বেলা বোসের বয়স বাড়ল আরও পঁচিশ, কিন্তু কোথায় গেলেন সেই প্রেমিক?

সবুজ মুখোপাধ্যায়: তখনও ঘরে-ঘরে ল্যান্ড ফোন আসেনি৷ মোবাইল তো দূরঅস্ত৷ ফোন করতে গেলে ভরসা সেই মান্ধাতা আমলের কয়েন-ফেলা ফোনের বুথ৷ আর সেইসঙ্গে কিছু এসটিডি বুথ৷ সেখানে অবশ্য খরচ একটু বেশি ছিল৷  তা, প্রেমিকাই বলুন বা বান্ধবী, ফোনে দীর্ঘক্ষণ প্রেমালাপের ব্যাপার তখন মধ্যবিত্ত পরিবারে ছিল না বললেই চলে৷ তবে হ্যাঁ, আজ কোথায় আসবে, এটুকু বলার জন্য তখন বড় ভরসা ছিল ওই সেই পাবলিক বুথ৷ নব্বই দশকের মাঝামাঝি ওই পাবলিক টেলিফোনে গিয়েই বেলা বোসকে ফোন করেন তাঁর প্রেমিক৷ জানাতে চান, শেষ অবধি একটা চাকরি তিনি জোটাতে পেরেছেন৷ আর তাই সম্বন্ধটা যেন ভেস্তে দেন বেলা নিজেই৷ কিন্তু সেই রং-নাম্বারের যুগে বারবার সেই লাইন কেটে যায়৷ প্রশ্ন থেকে যায়, বেকার  প্রেমিকের চাকরি পাওয়ার খবর কি শেষ অবধি পৌঁছোয় বেলা বোসের কানে?

ভাইরাল শব্দটি তখন মিডিয়াতে ব্যবহার করা হত না বললেই চলে৷  রোগের বেলাতেই কেবল ব্যবহার করা হত শব্দটা৷ যদি তখন সোশাল মিডিয়া থাকত, তা তাহলে নির্ঘাত ওই  ভাইরাল  শব্দটিই ব্যবহার করা হত বেলা বোসের গান নিয়ে৷  টু ফোর ফোর ওয়ান ওয়ান থ্রি নাইন, পুরো নম্বরটাই তখন আজকের পরিভাষায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল৷ মনে আছে, ওই নম্বরটি ছিল কলকাতার একটি হিন্দি দৈনিকের৷ সেই দৈনিকের কার্যালয়ে এত ফোন আসে যে খোদ সম্পাদক মশাইয়ের একেবারে পাগল-পাগল অবস্থা হয়ে গিয়েছিল৷  নেহাত নির্বিবাদী মানুষ ছিলেন তিনি৷ তাই কোর্ট কাছারি অবধি গড়ায়নি বিষয়টা৷

আজ থেকে ঠিক পঁচিশ বছর আগের কথা৷  বেশ মনে আছে, দূরদর্শনের একটি অনুষ্ঠানে অঞ্জন দত্ত আর তাঁর ছোট্ট ছেলে নীল দত্ত একটি অনুষ্ঠান করেন৷ অক্টোবরের দু-তারিখ ছিল খুব সম্ভবত৷ ঠিক তার পরেই বেরোয় অঞ্জনের  প্রথম বেসিক অ্যালবাম শুনতে কি চাও তুমি...৷ কী নস্টালজিক গান ছিল!

দু-বছর আগে সুমনের তোমাকে চাই প্রকাশিত হয়েছে৷ নচিকেতার প্রথম বেসিক অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছে তার আগের বছর৷ এরপরই অঞ্জন দত্ত-র ডেবিউ৷  ক্যাসেটে তখন দুটো করে পিঠ থাকত৷ আমরা বলতাম, এ-পিঠ আর ও-পিঠ৷ ও-পিঠের সবচেয়ে শেষে ছিল বেলা বোসের গান৷ কী জনপ্রিয়ই-না হয়েছিল সেই গান৷ তবে অন্য গানগুলোও কিছু কম জনপ্রিয় হয়নি৷ তোমার কথা শুনতে ভাল লাগে, আকাশভরা সূর্যতারা, বাপি আর মা গেছে সিনেমা... একের-পর-এক গান তখন লোকের মুখে মুখে৷

১৯৯৪ সালের এমনই এক শরতে চাকরি না-পাওয়া এক বেকার যুবকের আর্তি শোনা গিয়েছিল অঞ্জন দত্তের গলায়৷ সামনে পুজো৷ সদ্য চাকরি পেয়ে এক যুবক তাঁর প্রেমিকাকে বলছেন, সম্বন্ধটা এইবারে তুমি ভেস্তে দিতে পার, মাকে বলে দাও বিয়ে তুমি করছো না

এখনও মনে আছে, কীভাবে এগারোশো টাকা মাস-মাইনের চাকরি পেয়ে প্রেমিকার সঙ্গে কসবায় (তখন অত পশ হয়ে ওঠেনি, বরং একেবারে ছা-পোষা মধ্যবিত্তের জায়গা ছিল) নীল দেওযালের ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিলেন এক যুবক৷ আজকের প্রজন্ম কুড়ি হাজার স্মার্ট ফোন নিয়েও এই সাহস দেখাতে পারবে কিনা সন্দেহ!

দেখতে –দেখতে পঁচিশ বছর কেটে গেল৷ বেলা বোসের আরও পঁচিশ বছর বয়স বাড়ল৷ দেখতে-দেখতে তরুণ অঞ্জন দত্তও প্রৌঢ় হয়ে উঠলেন৷ ছোট্ট নীল বেশ প্রাপ্তবয়স্ত হয়ে উঠল৷

এই দু-দশকে এক-আলোকবর্ষ সমান পরিবর্তন এল বাঙালি সমাজে৷ প্রথমে ঘরে-ঘরে এল ল্যান্ডফোন৷ তারপর মোবাইল ফোন৷ আর তারও পরে একে-একে ইন্টারনেট, স্মার্ট ফোন, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, স্কাইপ...৷

পাবলিক টেলিফোনে গিয়ে ফোন করা সেই ঝক্কি আর আর কারোকে পোহাতে হয় না৷ স্মার্ট ফোন আর সোশাল মিডিয়ার যুগে প্রেম এখন অনেক বেশি অ্যাকসেসবল হয়ে গিয়েছে৷

তবে, স্টার্টিংয়েই ওরা এগারোশো দেবে তিনমাস পরে কনফার্ম, এমন দুঃসাহস বুকে নিয়ে প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখতে দুঃসাহস আর কেউ দেখাতে পারবে কি?

Comm Ad 018 Kalna

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 008 Myra

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

৩১তম জন্মদিনটা ভুটানে প্রকৃতির কোলে কাটিয়েছেন বিরাট কোহলি। সঙ্গে অবশ্যই ছিলেন স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা।

৩১তম জন্মদিনটা ভুটানে প্রকৃতির কোলে কাটিয়েছেন বিরাট কোহলি। সঙ্গে অবশ্যই ছিলেন স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা।

ভুটানে ট্রেকিংয়ে গিয়ে গরু-বাছুরদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেল বিরুষ্কাকে।

ভুটানে ট্রেকিংয়ে গিয়ে গরু-বাছুরদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেল বিরুষ্কাকে।

ভেগান বিরাটের পশুপ্রেম নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। প্রাণীজাত কোনও খাবার খান না তিনি। পথ কুকুরকে কোলে তুলে পোজও দিলেন।

ভেগান বিরাটের পশুপ্রেম নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। প্রাণীজাত কোনও খাবার খান না তিনি। পথ কুকুরকে কোলে তুলে পোজও দিলেন।

পাহাড়ি পশুকে কোলে তুলে নিলেন অনুষ্কাও। ফ্রেমবন্দি করলেন করলেন বিরাট।

পাহাড়ি পশুকে কোলে তুলে নিলেন অনুষ্কাও। ফ্রেমবন্দি করলেন করলেন বিরাট।

ভুটানের নৈসর্গিক দৃশ্যের সঙ্গে পশুদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটিয়েছেন বিরুষ্কা।

ভুটানের নৈসর্গিক দৃশ্যের সঙ্গে পশুদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটিয়েছেন বিরুষ্কা।

বুধবার চন্দননগরে একগুচ্ছ জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার চন্দননগরে একগুচ্ছ জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, 'চন্দনগরের কার্নিভ্যাল দেখেই রাজ্যের পুজো কার্নিভ্যাল শুরুর চিন্তাভাবনা।'

তিনি বলেন, 'চন্দনগরের কার্নিভ্যাল দেখেই রাজ্যের পুজো কার্নিভ্যাল শুরুর চিন্তাভাবনা।'

প্রতি বছরই নিয়ম করে চন্দননগরের বেশ কিছু পুজোতে যান মুখ্যমন্ত্রী। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

প্রতি বছরই নিয়ম করে চন্দননগরের বেশ কিছু পুজোতে যান মুখ্যমন্ত্রী। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

ইন্দ্রনীল সেন, অসীমা পাত্রের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী চন্দননগর কার্নিভ্যালে আরও বেশি সময় দেওয়ার নির্দেশ দেন।

ইন্দ্রনীল সেন, অসীমা পাত্রের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী চন্দননগর কার্নিভ্যালে আরও বেশি সময় দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বুধবার চন্দননগরের মানুষ মুখ্যমন্ত্রীকে হাতের কাছে পেয়ে আপ্লুত। উজাড় করে দেন অন্তরের ভালবাসা।

বুধবার চন্দননগরের মানুষ মুখ্যমন্ত্রীকে হাতের কাছে পেয়ে আপ্লুত। উজাড় করে দেন অন্তরের ভালবাসা।

একাধিক মন্ডপে গিয়ে দেবী জগদ্ধাত্রীর উদ্দেশ্যে ফুল নিবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

একাধিক মন্ডপে গিয়ে দেবী জগদ্ধাত্রীর উদ্দেশ্যে ফুল নিবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৮৮ সালের ৫ নভেম্বর দিল্লির ল ইয়ার প্রেম কোহলি ও সরোজ কোহলির কোল আলো করে আসে বিরাট।

১৯৮৮ সালের ৫ নভেম্বর দিল্লির ল ইয়ার প্রেম কোহলি ও সরোজ কোহলির কোল আলো করে আসে বিরাট।

৩১ বছরে পা দেওয়া বিরাট তাঁর ১১ বছরের ক্রিকেট কেরিয়ারে অনেক মণিমাণিক্য কুড়িয়েছেন।

৩১ বছরে পা দেওয়া বিরাট তাঁর ১১ বছরের ক্রিকেট কেরিয়ারে অনেক মণিমাণিক্য কুড়িয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি শতরানকারীর তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ভারত অধিনায়ক।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি শতরানকারীর তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ভারত অধিনায়ক।

৬৯টি শতরানের মধ্যে ৪৩টি ওয়ান ডে এবং ২৬টি টেস্ট শতরান রয়েছে তাঁর।

৬৯টি শতরানের মধ্যে ৪৩টি ওয়ান ডে এবং ২৬টি টেস্ট শতরান রয়েছে তাঁর।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুত ৮০০০, ৯০০০, ১০,০০০ এবং ১১,০০০-এর ক্লাবে প্রবেশ করা বিশ্বের একমাত্র ক্রিকেটার কোহলি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুত ৮০০০, ৯০০০, ১০,০০০ এবং ১১,০০০-এর ক্লাবে প্রবেশ করা বিশ্বের একমাত্র ক্রিকেটার কোহলি।

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুত শতরান হাঁকানো ভারতীয় ব্যাটসম্যান।

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুত শতরান হাঁকানো ভারতীয় ব্যাটসম্যান।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 023 MZP
Comm Ad 025 Confed