Comm Ad 005 TBS

শয্যাসঙ্গী হবে একজনই, করোনার আবহে তুঘলকি আইন ব্রিটেনে

Share Link:

শয্যাসঙ্গী হবে একজনই, করোনার আবহে তুঘলকি আইন ব্রিটেনে

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশটার নাম গ্রেট ব্রিটেন। এখনও এ দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী স্বয়ং রানি। এখনও পর্যন্ত এ দেশের সংবিধানই বিশ্বের সব থেকে ক্ষুদ্রতম লিখিত সংবিধান। এখনও পর্যন্ত এ দেশের শাসনব্যবস্থা দাঁড়িয়ে আছে প্রচলিত রীতিনীতি আর প্রথার ওপরে। আজও এদেশের মানুষ একনিষ্ঠ ভাবে সেই সব প্রথা ও রীতিনীতি মেনে চলেন।

আজও এদেশের নাগরিকেরা শাসকের প্রথা লঙ্ঘন ও রীতিনীতি ভঙ্গ করাকে ভালো চোখে দেখেন না। এদেশই বিশ্বের গণতন্ত্রের মাতৃভূমি। এ দেশই বিশ্বের মধ্যে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করেছে। এদেশের সংবিধানই বিশ্বের বেশ কিছু রাষ্ট্রের সংবিধানের মূল উৎস্য। অথচ এদেশেই কিনা করোনার আবহে ব্যক্তিগত জীবনে তুঘলকি হস্তক্ষেপ করছে রাষ্ট্র! এও কী সম্ভব! টেমস পাড়ের বাসিন্দারা কি মুখ বুজে মেনে নেবেন? রানিও কি চুপ করে থাকবেন? চরম বিতর্কের মুখে বরিস জনসনের সরকার।
 
হয়েছেটা ঠিক কী? ইংল্যান্ডকেই বলা হয় বিশ্বের উদারতম গণতন্ত্র। কারণ সেখানে ব্যক্তিগত জীবনে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নেই বললেই চলে। সেখানে নাগরিকদের অধিকার আছে, কিন্তু রাষ্ট্রের চোখ রাঙানি নেই। আর তাই ব্রিটেনে নাগরিক জীবন খুবই উপভোগ্যের। একথা বিশ্বের সব দেশ এক বাক্যে স্বীকার করে। কিন্তু মারণ ভাইরাস নভেল করোনার আবহে এই দেশটিও বিস্তর মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েছে। তাই করোনাকে ঠেকাতে বরিস জনসনের সরকার একটি নিয়ম চালু করেছে।

আর সেই নিয়ম হল, কেউ নিজের বাড়ির সদস্য ভিন্ন অন্য কারোর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারবেন না। এই নিয়ম চালু নিয়েই ব্রিটেনে এখন বিস্তর সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই একে নাগরিকের ব্যক্তিগত জীবনে রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে চিহ্নিত করেছেন। অনেকেই সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন কে কার সঙ্গে বিছানায় শোবেন সেটাও কী এবার বরিস জনসনের সরকার ঠিক করে দেবে! আর বরিস জনসন মানে ব্রিটেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তিনি নিজে কী বলছেন?

তিনি দেশের নাগরিকদের একটা কথাই জানিয়েছেন, এটা কোনও আইন নয়, সাময়িক একটা নিষেধাজ্ঞা মাত্র। করোনার প্রকোপ কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তাঁরা প্রত্যাহার করে নেবেন।   
 
কিন্তু বরিস জনসনের এই বক্তব্য মানতে নারাজ রানির দেশের মানুষ। তাঁরা একে ব্যক্তিজীবনে রাষ্ট্রের নজরদারি হিসাবেই দেখছেন। আসলে হয়েছে কী ব্রিটেনের সামাজিক ব্যবস্থা এমনই যে সেখানে বিয়ে না করেও তরুণ-তরুণীরা লিভ ইন করেন বিস্তর। আবার বিবাহিত দম্পতিও আলাদা আলাদা থাকেন। এরা প্রত্যেকেই বিস্তর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা উপভোগ করেন ও কেউ কারও বিষয়ে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করেন না। আর এই কারনের জন্যই সেখানে বহুগামীতার অভ্যাস কার্যত সমাজের নীচু তলা থেকে একদম ওপরতলা অবধি বেশ ভালো রকমই ছড়িয়েছে।

এই বহুগামীতার হাত ধরেই দেশে দ্রুত ছড়িয়েছে মারণ ভাইরাসও। সেটা বুঝতে পেরেই এবার এক বাড়িতে থাকা দম্পতি বা লিভ ইন কাপল ছাড়া সব ধরনের সেক্স নিষিদ্ধ করেছে বরিস জনসনের সরকার। সমস্যাটা সেখানেই বেঁধেছে। আমি কার সঙ্গে বিছানয় শোব সেটা তুমি বলার কে? এই প্রশ্নের মুখেই দাঁড়িয়ে বরিস জনসনের নিষেধাজ্ঞা।  

Comm Ad 005 TBS

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

#

#

Voting Poll (Ratio)

corona 02

Editors Choice

Comm Ad 025 Confed