corona 01

এলএসি-তে চিনের মার্শাল আর্ট ফাইটারের জবাবে প্রস্তুত ভারতের 'ঘাতক' কম্যান্ডো বাহিনী

Share Link:

এলএসি-তে চিনের মার্শাল আর্ট ফাইটারের জবাবে প্রস্তুত ভারতের 'ঘাতক' কম্যান্ডো বাহিনী

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতীয় সেনাদের লাদাখের পাহাড়ি অঞ্চলে মোকাবিলা করতে লাগবে একাধারে দক্ষ পর্বতরোহী ও মার্শাল আর্টে পটু সেনা। চিনের লাল ফৌজ তা ভালোই বুঝতে পেরেছে। গালওয়ান কার্ণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে তা বুঝতে পেরেছে বেজিং। সেই কারণে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সীমান্তেপর্বতারোহণ ও মার্শাল আর্ট জানা জওয়ানদের মোতায়েন করছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। এমনটাই জানা গিয়েছে চিনের সেনাবাহিনীর মুখপত্র ‘চায়না ন্যাশনাল ডিফেন্স নিউজ’থেকে।

এদিকে 'ইট কা জবাব পাত্থর সে', গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের মধ্যে সেনা সংঘর্ষের পর এই নীতিতেই এখন চলছে ভারতীয় বাহিনী। চিন যদি বেশি আগ্রাসী মনোভাব দেখায় তাহলে সেনাকে পুরো স্বাধীনতা দেওয়য়া রয়েছে তার জবাব দেওয়ার। আগেই একথা বলে দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এবার সীমান্তে চিনা বাহিনীকে জব্দ করতে বিশেষ ঘাতক প্ল্যাটুনকে মোতায়েল করল ভারতীয় সেনাবাহিনী।

এই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গিয়েছে, ১৫ জুনই তিব্বতের রাজধানী লাসায় মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি নতুন বিভাগের সদস্যদের। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকের সময় মাউন্ট এভারেস্টে মশাল দৌড়ে যে দলটি গিয়েছিল, সেই দলের সদস্যরাও এই বিভাগে রয়েছেন। এছাড়া মিক্সড মার্শাল আর্টস ক্লাবের সদস্যদেরও লাসায় আনা হয়। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি-তে সম্প্রচারিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, লাসায় লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকশো জওয়ান। তিব্বতের কম্যান্ডার ওয়াং হাইজিয়াং জানিয়েছেন, এনবো ফাইট ক্লাব থেকে যাঁদের নেওয়া হয়েছে, তাঁরা জওয়ানদের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সংহতি বাড়াতে সাহায্য করবেন। এছাড়া তাঁরা যে কোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং অন্যদের সাহায্য করতে পারবেন। পূর্ব লাদাখে ভারতীয় সেনার সঙ্গে সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতেই পর্বতারোহী ও মার্শাল আর্টস বিশেষজ্ঞদের মোতায়েন করছে চিন সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

গালওয়ান উপত্যকায় সেনা সংঘাতে ভারতের ২০ জন জওয়ান প্রাণ হারান। চিনের কতজন হতাহত, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তিব্বতে ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জওয়ানদের পাহাড়ে লড়াই করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে অধিক উচ্চতায় যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার বিষয়টিও। পাল্টা ভারতের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, চিনের মোকাবিলায় সীমান্তে জওয়ানের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। যার সব থেকে উল্লেখ যোগ্য বিষয়, অভিযানের জন্য তৈরি করে ফেলা হয়েছে বিশেষ ঘাতক প্ল্যাটুনকে।

মুখে কূটনৈতিক ভাবে সমস্যা সমাধানের কথা বললেও ভারতও চিনকে চাপে রাখতে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে ময়দানে নেমেছে। দেশের তিন বাহিনীকেই জল, স্থলে ও আকাশপথে কঠোরতম নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এর মাঝেই চিনের মার্শাল আর্ট জানা ফাইটারদের মোকাবিলা করতে ভারত সীমান্তে মোতায়েন করে ফেলেছ ঘাতক কম্যান্ডোদের। সেনার বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই কম্যান্ডোবাহিনী। শারীরিক ক্ষমতা আরও বাড়াতে কড়া প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় 'ঘাতক' কম্যান্ডোদের। কর্নাটকের বেলগামে ৪৩ দিন ধরে এই কম্যান্ডোদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের সময় ৩৫ কিলোগ্রাম ওজন নিয়ে টানা ৪০ কিলোমিটার ছুটতে হয়। অস্ত্র প্রশিক্ষণ ছাড়াও ঘাতক কম্যান্ডোদের 'হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাট'-এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি মার্শাল আর্টে দক্ষ হয় 'ঘাতক' কম্যান্ডোরা। মরুভূমি ও দুর্গম এলাকারজন্য আলাদা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এই 'ঘাতক' কম্যান্ডোদের।

জানা যাচ্ছে, ঘাতক কম্যান্ডোদের একটি ইউনিটে একজন অফিসার ও একজন জেসিও সহ ২২ জন কম্যান্ডো থাকেন । ঠিক একইরকমভাবে আরেকটি দল রিজার্ভে প্রস্তুত থাকে। ফলে সবমিলিয়ে একটি ইউনিটে ৪০ থেকে ৪৫ জন 'ঘাতক' কম্যান্ডো থাকেন।
 

corona 01

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 026 BM

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 023 MZP

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM

Editors Choice

corona 02