চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

গার্ডেনরিচের ঘটনার জেরে একাধিক বাড়ির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) গার্ডেনরিচে(Gardenreach) বহুতল ভেঙে পড়ার(Building Collapse) ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯। যদিও রাতের দিকে পর্যাপ্ত আলো না থাকার জন্য উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিন সকাল থেকে ফের উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে পুরো দলে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুতলের পঞ্চম, চতুর্থ এবং তৃতীয় তল অবধি উদ্ধারকার্য সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে আর কেউ আটকে নেই। কিন্তু দ্বিতীয় ও প্রথম তল যা এই ওপরের ৩টি তলার ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও চাপা পড়ে আছে সেখানে এখনও ঢুকতেই পারেননি উদ্ধারকারীরা। অনুমান করা হচ্ছে ওই দুটি তলায় এখনও একাধিক মানুষ আটকে আছেন। যদিও তাঁরা বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। এদিকে কলকাতা পুরনিগমের(KMC) তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা সব বাড়িরই স্বাস্থ্য পরীক্ষা(Health Inspection for Building Structure) করে দেখা হবে। কেননা ১টি বহুতল ইতিমধ্যেই হেলে গিয়েছে আর আরও কিছু বহুতলে ফাটল ধরা পড়েছে। প্রয়োজনের ওই সব বাড়ি খালি করার নির্দেশও দেওয়া হতে পারে।

এদিন সকালে দুর্ঘটনাস্থলে ছোট কাটার নিয়ে স্ল্যাব কাটার কাজ চলছে। কেননা এখনও ওই ধ্বংসস্তূপে কয়েকজনের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘটনাস্থলে রাখা হয়েছে ৬টি অ্যাম্বুলেন্সও। বহু কসরত করে একটি ছোট আর্থ মুভারও আনা হয়েছে। তবে সেটি মূল দুর্ঘটনাস্থল অবধি গিয়ে পৌঁছাতে পারেনি। সেটিকে দুর্ঘটনাস্থল অবধি নিয়ে যেতে হলে একটি টালির ছাদের বাড়ি ভাঙতে হবে। গতকাল মুখ্যমন্তড়ী এই বাড়ির পাশ থেকে দাঁড়িয়েই মূল দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেছিলেন। সেই বাড়ি আদৌ ভাঙা যাবে কিনা তা নিয়ে এখন জটিলতা তৈরি হয়েছে। এদিকে বহুতল ভেঙে পড়ার পর বাড়তি সতর্ক হয়ে গিয়েছে কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ।

তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দুর্ঘটনাস্থলের একাধিক বাড়ির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে পুরনিগমের তালিকাভুক্ত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়াররা। এদিন সকালেই তাঁরা দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থলের আশেপাশের ৬টি নির্মাণ সন্দেহজনক। পুরকর্তারা জানাচ্ছেন, দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়া বাড়িটি সম্পূর্ণ ভাবে বেআইনি। যে জমিতে সেই বহুতল গড়ে উঠেছিল তা কলকাতা পুরনিগমের খাতায় ‘পুকুর ও পুকুর পাড়’ হিসাবে চিহ্নিত। কার্যত তা বুজিয়েই এই বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই জমি একাধিক বার হাত বদল হলেও তার মালিক হিসাবে পুরনিগমের খাতায় এখনও পুকুরের মালিকের নামই রয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ জমিটির মিউটেশনই হয়নি।  

একই সঙ্গে নজরে এসেছে আশেপাশের আরও ৬টি বহুতলের মধ্যে কোনওটি কার্যত আংশিক ভাবে বেআইনি, কোনওটা পুরোপুরি বেআইনি। তার মধ্যে ভেঙে পড়া নির্মীয়মান বাড়ির লাগোয়া একটি ৫ তলা বাড়ি রয়েছে, যেটি হেলে গিয়েছে। সেই বাড়ির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেবেন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়াররা। মোট ৬টি বাড়িতে কালকে রাতেই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২১ মার্চ থেকে শুনানি শুরু হবে। তারপর আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে পুরনিগমের তরফে। স্ট্রাকচারাল ফিটনেস সার্টিফিকেট পাওয়ার সমস্ত শর্ত পূরণ করতে পারলে বেআইনি নির্মাণগুলিকে কী আইনি বৈধতা দেওয়া হবে, এই প্রশ্নও উঠেছে। কেনন, ওই বাড়িগুলিতে বহু মানুষ বসবাস করেন। অপরদিকে যেগুলির পরিকাঠামোগত স্বাস্থ্য ভালো নয়, সেই বাড়িগুলি ভেঙে ফেলা হবে বলে পুরনিগমের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবটাই শুনানির পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

পুলিশের অনুমতি না মেলায় বৃহস্পতিবার রাহুল গান্ধির বঙ্গ সফর বাতিল

নন্দীগ্রামের পুলিশ পর্যবেক্ষক বদল কেন, সদুত্তর দিতে পারলেন না মনোজ

কলিন্স লেনে মিটিং করার অনুমতি না পেয়ে চা খেয়ে জনসংযোগ সারলেন মমতা

ফের রাজপথে মমতা, ২৭ এপ্রিল যাদবপুর থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত মিছিলে হাঁটবেন

বঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটে ২৩২১ কোম্পানি আধা সেনা, কলকাতায় কত?

বনগাঁ দক্ষিণে তৃণমূলের তফসিলি প্রচার গাড়িতে হামলা! চলল গুলি, কাঠগড়ায় বিজেপি

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ