Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

'ডার্বির ইতিহাস নিয়ে ম্যাচের আগে ভাবব’

Share Link:

'ডার্বির ইতিহাস নিয়ে  ম্যাচের আগে ভাবব’

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাহাত্তর ঘণ্টা আগে মাদ্রিদ থেকে তিনি পৌঁছেছেন গোয়ার এটিকে মোহনবাগান টিম হোটেলে। এসেই হেডস্যর নেমে পড়েছেন ছাত্রদের শরীরিক সক্ষমতার পাঠ দিতে। সেই ব্যস্ততার মাঝেই নতুন মরসুম শুরুর আগে এটিকেএমবি মিডিয়া টিমকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সফলতম কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।

প্রশ্ন: এ বারের আইএসএলের প্রথম কোচ হিসাবে গোয়ায় পা রেখেছেন। টিম হোটেলে পা দেওয়ার পর কী রকম লাগছে? যে ব্যবস্থা ক্লাব ম্যানেজমেন্ট টিমের জন্য করেছে তা দেখে আপনি সন্তুষ্ট?

হাবাস: বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পেন থেকে ভারতে আসাটা কঠিন ছিল। ক্লাব ম্যানেজমেন্ট যেভাবে গোয়ায় আমাদের আসার সব কাগজপত্রের বন্দোবস্ত করেছেন তা করাও সহজ ছিল না। গোয়ায় যেখানে আমাদের দল আছে তার পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা খুবই ভাল। আমরা খুশি। সবাই খুব ইতিবাচক।

প্রশ্ন: সাধরণত ৪৫ দিন প্রি-সিজন ট্রেনিং করানোর পক্ষপাতি আপনি। এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে এক মাস মতো প্রস্তুতির সময় পাবেন। অনুশীলন ম্যাচ খেলারও সুযোগ নেই। তা ছাড়া সব বিদেশিকেও পুরো অনুশীলনে পাচ্ছেন না। এর প্রভাব কী পারফরম্যান্সে পড়তে পারে?

হাবাস: কোভিডের এই ব্যাতিক্রমী পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আইএসএল কর্তৃপক্ষ যে গাইডলাইন বেঁধে দিয়েছেন সেটা মেনে সঠিক পথেই এগোচ্ছি আমরা। এখানে সময় কম পাব ধরে নিয়েই গোয়ায় প্রি-সিজন শুরুর এক মাস আগে মাদ্রিদ থেকেই ফুটবলারদের অনলাইন ক্লাস শুরু করে দিয়েছিলাম। এখন দলের বেশিরভাগ ফুটবলারকেই শিবিরে পেয়ে গিয়েছি। আমাদের ফিজিক্যাল কোচ অ্যালভারো রোস প্রত্যেক ফুটবলারদের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেনিংয়ের সূচি তৈরি করেছে। কে কতদিন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে সেই অনুযায়ী এক একরকম সূচি তৈরি হয়েছে। গোয়ায় এখন তিনটি সেশন চলছে নানা দলে ফুটবলারদের ভাগ করে। তবে রয় কৃষ্ণ, ডেভিড উইলিয়ামস, জন জনসনদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারদের এখনও শিবিরে পাইনি। আশা করছি ওদেরও দ্রুত শিবিরে পাব।

প্রশ্ন: এখন আপনি কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এই অবস্থায় আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী? কবে থেকে বল পায়ে মাঠে নামবেন?

হাবাস: সবার কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ হওয়ার পর আমরা মাঠে নামব। শুধু আমি একা নই, ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদেরও নিয়ম মেনে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সবার সুযোগ সুবিধা দেখে বল পায়ে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে যাব।

প্রশ্ন: আপনি বরাবরই সমর্থক ভর্তি স্টেডিয়ামে খেলতে পছন্দ করেন। আপনি সবসময়ই চান সদস্য-সমর্থকরা মাঠে এসে গ্যালারি ভর্তি করে দলকে উদ্ভুদ্ধ করুক। এ বার তো গোয়ায় ফাঁকা মাঠে খেলতে হবে। এতে কী মানসিকভাবে ফুটবলারদের উপর কোনও প্রভাব পড়তে পারে?

হাবাস: এটা ঘটনা যে, সদস্য সমর্থকরা গ্যালারিতে না থাকলে প্রতিযোগিতার জৌলুস একটু হলেও কমে যায়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কারও কিছু করার নেই। খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার চেয়ে ফাঁকা মাঠে খেলা হলেও সেটা ভালই। আর দর্শক মাঠে না থাকলে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স খারাপ হবে এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না। সব দলের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। বাড়তি মোটিভেশন এবং পজিটিভ মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে ফুটবলারদের।

প্রশ্ন: ইস্টবেঙ্গল এ বার আইএসএল খেলছে। ফলে দু”বার আপনাকে কলকাতা ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের মুখোমুখি হতে হবে। মাদ্রিদ ডার্বির মতোই কলকাতা ডার্বির উত্তেজনা। এই ম্যাচ শুধু কলকাতা বা বাংলা নয়, সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সবুজ-মেরুন সদস্য সমর্থকদের কাছে প্রায় একশো বছর ধরে সম্মানের ম্যাচ । চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতোই এই ম্যাচকে গুরুত্ব দেন তাঁরা। ব্যক্তিগতভবে এই লিগ ম্যাচকে আপনি কতটা গুরুত্ব দেবেন ?

হাবাস: কলকাতা ডার্বির ইতিহাস জানি। এটাও জানি শুধু বাংলা নয়, সারা ভারতে এই ম্যাচটা সমর্থকদের কাছে কতটা গুরুত্ব পায়। কিন্তু আমার কাছে এটা লিগের আর একটা ম্যাচ মাত্র। অন্য যে কোনও ম্যাচের মতোই ডার্বি থেকেও তিন পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই নামব। অন্য ম্যাচের মতোই তাই কলকাতা ডার্বিও আমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে ডার্বি নিয়ে এখনই ভাবতে রাজি নই। সূচিতে খেলা যেদিন পড়বে সেদিন এই ম্যাচ নিয়ে ভাবব। যখন যে ম্যাচটা সামনে পড়বে, সেটা নিয়েই রণনীতি তৈরি করি। তবে এটা বলছি, কলকাতা ডার্বি আইএসএলের জৌলুস এ বার আরও অনেক বাড়িয়ে দেবে।

প্রশ্ন: মরসুম শুরুর আগে এটিকে মোহনবাগানের সমর্থকদের জন্য কোচ হিসাবে আপনার বার্তা কী ?

হাবাস: আমি জানি, নতুন মরসুমেও আমাদের দলের সদস্য-সমর্থকরা অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষা করে থাকবেন। আমরা প্রতিপক্ষকে যোগ্য সম্মান দেব এবং এমন কিছু করার চেষ্টা করব যাতে সবুজ মেরুন সমর্থকরা গৌরব বোধ করতে পারেন।

Pujo2020-T03

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 026 BM

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Egg

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo