Comm Ad 020 Tantuja

রেফারিং ছেড়ে কেউ ধান কাটছেন, কেউ ভ্যান চালাচ্ছেন

Share Link:

রেফারিং ছেড়ে কেউ ধান কাটছেন, কেউ ভ্যান চালাচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। করোনার জেরে লকডাউনে সেই স্বপ্নে ধাক্কা। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে কলকাতা ময়দানে এসে রেফারিং। সেই সমস্ত আদিবাসী মহিলারা পারিবারিক, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূরে সরিয়ে বাঁশি তুলে নিয়েছিলেন মুখে। লকডাউনে খেলা বন্ধ। এবারে কলকাতা লিগ হবে কিনা তা সংশয়ে। চরম সংঙ্কটে দিন কাটছে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর মহিলা রেফারি অ্যাকাডেমির ছাত্রীদের। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মাহি টুডু, রাজর্ষি হেমব্রম, মনি খিলাড়ি, আরতি টুডু, অঞ্জলি সোরেন, পূজা সিং, অনিতা মুদীরা খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

লকডাউনে পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, কেউ কেউ রেফারিং ছেড়ে দেওয়ার ভাবনা–চিন্তা শুরু করেছেন। পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ লোকের জমিতে ধান কাটতে, জঙ্গলে কাঠ কাটতে এমনকী ভ্যান চালাতে শুরু করেছেন। জঙ্গলমহল থেকে ফুটবলারের পাশাপাশি পুরুষ,মহিলা রেফারিও উঠে এসেছেন। যঁারা কলকাতা ময়দানে ম্যাচ খেলিয়েছেন। কিছু ফুটবলারের সিভিক পুলিশে চাকরি হলেও, রেফারিদের হয়নি। ম্যাচ খেলিয়ে যৎসামান্য রোজগারের টাকাতেই সংসার চলে। এআইএফএফের রেফারি বিভাগের প্রাক্তন কর্তা গৌতম কর খবর পেয়ে আর্থিক সাহায্য করেছেন। কলকাতার ফিফা রেফারি প্রাঞ্জল ব্যানার্জিও পাশে দাঁড়াচ্ছেন। বলছিলেন, ‘খুবই খারাপ অবস্থা। অনেক লড়াই করে ওরা রেফারিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। লকডাউন সেই স্বপ্নে জল ঢেলে দিল।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঝাড়গ্রামের সিনিয়র রেফারি বলছিলেন, ‘পরিস্থিতির চাপে পড়ে লকডাউনের মাঝেই দুই মহিলা রেফািরকে বাড়ি থেকে বিয়ে দিয়েছে। এর থেকেই স্পষ্ট কী ভয়ঙ্কর দিন আসছে।’

2020 New Ad HDFC 04

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 006 TBS

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 025 Confed

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

নবান্নের কন্ট্রোলরুমে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার সারারাত নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ অন্য কর্তারা।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবারের পর বুধবার বিকেলেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় যান মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিন খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ ফাঁড়ির মতো দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গায় যান।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এদিনও স্থানীয়দের লকডাউন মেনে চলার অনুরোধ করেন তিনি।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই নিয়ে পরপর দু'দিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

তাঁর এই কাজকে তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন বিরোধীরা।

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 008 Myra

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS