এই মুহূর্তে

২ বছরের মধ্যে বাংলায় তৈরি হবে ১০টি Internet Cable Landing Station

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ বছরের মধ্যে রাজ্যে(West Bengal) ১০টি Internet Cable Landing Station বা ICLS তৈরি হতে চলেছে। এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ(10 Thousand Crore Rupees Investment) হতে পারে যা রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশসাধনের শায়ক হয়ে উঠতে চলেছে। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে রাজ্যে। Internet Cable Landing Station গড়ে তোলা নিয়ে বিশেষ নীতি তৈরি করেছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে নীতিতে। এটিকে জরুরি পরিষেবা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।  

Internet সংযোগ ব্যবস্থা আরও দ্রুত এবং মসৃণ করার জন্য সমুদ্রের তলা দিয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কেবল লাইন নিয়ে আসা হয়। উপকূল এলাকায় Cable Landing Station-গুলি তৈরি হয়। পূর্ব ভারতে এখনও পর্যন্ত কোনও স্টেশন তৈরি হয়নি। মুম্বই, কোচি ও চেন্নাইয়ে ইতিমধ্যেই এমন স্টেশন তৈরি হয়েছে। শ্রীলঙ্কা থেকে তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন পর্যন্ত Cable Landing Station-এ কেবল লাইন টানা হয়েছে। চেন্নাই ছাড়া বঙ্গোপসাগরের নীচে দিয়ে আর কোনও কেবল লাইন আসেনি। ICLS তৈরির ব্যাপারে বাংলার সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল বলে রাজ্য সরকার মনে করছে। তথ্যপ্রযুক্তি দফতর যে নীতি তৈরি করেছে, তাতে এই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি ছাড়াও নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ এই প্রকল্প থেকে সুবিধা পাবে। ICLS প্রকল্প এরাজ্যে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বড় বাজার আছে। গুগল, ফেসবুক, আমাজনের মতো তথ্যপ্রযুক্তির তাবড় সংস্থাগুলি সমুদ্রের নীচে দিয়ে ইন্টারনেট কেবল লাইন নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে খুবই আগ্রহী।  

রাজ্যে Cable Landing Station তৈরি হলে Internet সংযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ার পাশাপাশি খরচ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। এর ফলে রাজ্যের বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার খুবই সুবিধা হবে। Cable Landing Station তৈরি হলে আগামী দিনে রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের আরও বিকাশ হবে। ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে। তাই এই প্রকল্প রূপায়ণে আগ্রহী রাজ্য সরকার। যে নীতি তৈরি করা হয়েছে, তা রূপায়ণে বিশেষ নজর দিতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। নীতি রূপায়ণে কোনও সমস্যা তৈরি হলে, তা দূর করতে কমিটি উদ্যোগ নেবে। সমন্বয় সাধনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের এই কমিটিতে রাখা হয়েছে। ICLS প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের বেশ কিছু ছাড় দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। Stamp Duty ও Registration Fee-তে পুরো ছাড় দেওয়া হবে। বাণিজ্যিকভাবে কাজ শুরুর পর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ মাশুলের ওপর সরকারি ডিউটি ছাড় দেওয়া হবে। পুরো ছাড় দেওয়া হয়েছে লেবার সেসের ওপর।

Published by:

Koushik Dey Sarkar

Share Link:

More Releted News:

ভুয়ো আইপ্যাক কর্মীকে ৮৬ হাজার টাকা দিয়ে প্রতারিত হুমায়ুন কবীর

ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে ১৫০ কোম্পানি আধা সেনা

ব্যারাকপুরে অপরাধ রুখতে সমস্ত থানায় ‘সাইবার বন্ধু’ প্রকল্পের সূচনা

বীরভূমে মাছ চাষের পুকুরে মুক্তো চাষ করার প্রশিক্ষণ

ঝাড়গ্রামে নিম গাছে গুজবের দুধকে ঘিরে মাতোয়ারা চারদিক

হাইকোর্ট অনুমতি দিলেই ১০ দিনের মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান :পার্থ

Advertisement

এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর