Comm Ad 005 TBS

‘দিদি’,‘ঘরের মেয়ে’,‘অগ্নিকন্যা’! অজন্তার কলমে মমতা

Share Link:

‘দিদি’,‘ঘরের মেয়ে’,‘অগ্নিকন্যা’! অজন্তার কলমে মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাম ব্রিগেডকে বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে দিলেন প্রয়াত বাম নেতা অনিল বিশ্বাসের কন্যা অজন্তা বিশ্বাস। এই ‘বাম বিশ্বাসঘাতক’-কে দলে রাখা হবে না ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হবে, নাকি ‘শাস্তি’ দেওয়া হবে সেটাই এখন ভাবাচ্ছে রাজ্যের কমরেডদের। কেননা এখন তো আর লালপার্টির রাজত্ব নাই, যে ঘরে হার্মাদ পাঠিয়ে দেবে। বিধানসভায় এখন তাঁরা শূন্য। আর সেই শূণ্যের ক্ষমতা নিয়ে অনেক বড় বড় ডায়লগ দেওয়া গেলেও বাস্তব অর্থে অনিলকন্যার জীবনকে এখন আর যাই হোক, ‘নন্দীগ্রাম’ বানিয়ে দেওয়া যাবে না। তাই বোধহয় বাম বাহিনীকে মুখ বুজেই অনিলকন্যার মুখে মমতা স্তুতি হজম করতে হবে। আর যদি দল থেকে তাড়িয়েই দেওয়া হয় তাতেই বা কী? দলটাই তো বাংলা থেকে ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে। ‘চিনের প্রেসিডেন্ট আমাদের প্রেসিডেন্ট’, ‘নেতাজী তোজোর কুকুর’, এইসব ডায়লগ আওড়াবার, শ্লোগান তোলার কমরেডরাও গেছেন সব ভ্যানিশ হয়ে। তাঁরা এখন রামভক্ত হনুমান হয়ে গিয়েছেন। তবে একুশের ভোটে মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁরা ‘জয় ছিঃরাম’ শ্লোগানটি দিতে ভুলে গিয়েছেন। এরা আর অনিলকন্যার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেবে!
 
সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র সম্পাদকীয়তে বঙ্গ রাজনীতিতে নারীশক্তি নিয়ে কয়েক কিস্তির নিবন্ধে লিখছেন অনিল বিশ্বাসের মেয়ে অজন্তা বিশ্বাস। প্রথম দিন থেকেই এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মূল প্রশ্ন, বাম কন্যার নেতা হয়ে রাজ্য সিপিএমের অধ্যাপক কমিটির সদস্য হয়ে বিরোধী বুর্জোয়া তৃণমূলের মুখপত্রে কেন কলম ধরেছেন অজন্তা? এ পাপে গুরুদন্ড অবশ্যই প্রয়োজন, মনে করেন বাংলা থেকে অধুনা বিলুপ্ত লালপার্টির নেতারা। তাই তাঁদের হয়ে সেই অধ্যাপক কমিটি অজন্তার কাছ থেকে জবাবদিহি চাইতে পারে। মায়ের চেয়ে মাসির দরদটাই বেশি কিনা! তা সেই অজন্তা ইতিমধ্যেই তিনটি কিস্তিতে তাঁর লেখা প্রকাশ করেছেন। তবে সেখানে স্থান পেয়েছিল প্রাক স্বাধীনতা ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে মহিলা রাজনীতিকদের অবদানের প্রসঙ্গ। সেখানে বামপন্থী, অবামপন্থী একাধিক আন্দোলন ও তাতে মহিলাদের অবদানের কথা উল্লেখ থাকলেও মমতার প্রসঙ্গ আসেনি। মমতা এলেন এদিন প্রকাশিত চতুর্থ কিস্তির লেখায়।   
 
কী লিখলেন অনিলকন্যা তথা রবীন্দ্রভারতীর ইতিহাসের অধ্যাপক? তিনি লিখেছেন, ‘মহিলা নেত্রী হিসেবে রাজনীতির অসম লড়াইয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন যে নেত্রী, তিনি হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বার বার কঠিন লড়াই জিতে অগ্নিকন্যা, দিদি, ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছেন মমতা। সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁর উত্থান বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে মহিলাদের সামগ্রিক অবস্থানে পরিবর্তন এনেছে। কঠিন লড়াইয়ে একক শক্তি হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে নারীশক্তির জয়ের বন্দনাই প্রতিফলতিত হয়েছে তাঁর কন্ঠস্বরে। একজন রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে নজির গড়েছেন সমগ্র বিশ্বের সম্মুখে নিজের যোগ্যতায়। সিঙ্গুরে টাটা কারখানা স্থাপনের বিষয়ে জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে গণবিক্ষোভ শুরু হয়। সেই গণবিক্ষোভে নেতৃত্ব দান করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনিচ্ছুক কৃষকদের সংগঠিত করে গণআন্দোলনের রূপদান করেন জননেত্রী। এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলেও নির্বাচনে মানুষের রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষেই যায়। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বাঙালি মুখ্যমন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করেন এবং পুনর্বার ইতিহাস রচনা করেন। সমস্ত বাধা পেরিয়ে সাফল্যের লক্ষ্যে এগিয়েছেন সরকারি কর্মসূচিগুলির ভিন্নধর্মী রূপায়ণের মাধ্যমে। ২১-এর বিধানসভায় একটিও আসন পায়নি বামেরা। ‘কন্যাশ্রী’, ‘রূপশ্রী’, ‘সবলা’র মতো মহিলাদের জন্য তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মমতা বাংলার মেয়েদের আরও কাছের হয়ে উঠেছেন।’
 
এখন ঘরের মেয়ে যদি বিভীষণ হয়ে যায় তাহলে কী করা যাবে, সেটাই এখন ভাবাচ্ছে রাজ্যের বাম নেতাদের। কারন অজন্তা শুধু অনিলকন্যা নন, তিনি নিজেও বামমনস্ক। তাঁর এই মনোভাব সামগ্রিক ভাবে বাংলার অবশিষ্ট বামপন্থীদের মনোভাবও হতে পারে। সেই মনোভাবের প্রতিফলনও হতে পারে। তাই অজন্তাকে শাস্তি দিলে বা তাঁর মাথাটা কেটে নেওয়ার তালিবানি হুকুম জারি করিলে আদতে বঙ্গের বাম নেতাদের বিপদ বাড়িবে বই কমিবে না। সেটা তাঁরা নিজেরাও বিলক্ষণ জানেন। তাই যেখানে নিজেদেরই পায়ের তলায় মাটি নেই, সেখানে কিল খেয়ে তা হজম করায় শ্রেয় বলে মনে করছেন কিছু বাম নেতা। অনেকে তো এটাও ভাবতে শুরু করেছেন, মমতার স্নেহে এবার অজন্তার রাজ্যসভার যাত্রা কার্যত পাকা। আজ না হোক কাল তিনি যাচ্ছেনই রাজ্যসভায়।  

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-himalaya RC

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM
corona 02