2020 New Ad HDFC 04

দলই শেষ কথা, দলের উপরে কেউ নয়! কর্মীদের কড়া বার্তা অনুব্রত’র

Share Link:

দলই শেষ কথা, দলের উপরে কেউ নয়! কর্মীদের কড়া বার্তা অনুব্রত’র

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাতে গোনা আর মাত্র পাঁচ-ছয় মাস। তার মধ্যেই বেজে উঠবে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা। তাই সেই ভোটযুদ্ধের কমবেশি প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলগুলিতেই। কেউ ব্যস্ত প্রার্থী বাছতে, কেউ ব্যস্ত জোট গড়তে। আবার কেউ ব্যস্ত প্রচার কৌশল ঠিক করতে। ঠিক এই রকম অবস্থাতেই নিজের জেলার দলীয় কর্মীদের বেশ কড়া বার্তা দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘দলই শেষ কথা। দলের উপরে কেউ নয়। সকলকেই অনুশাসন মেনে চলতে হবে। হেরে গেলে পদ থেকে সরিয়ে দেব।’

বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি কার্যত দলের প্রথম আর শেষ কথা জেলায় দলের অন্দরে। তার কথার ওপর রা কাটার সাহস তাই কারোর নেই। একমাত্র তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব কোনও প্রয়োজন হলে অনুব্রতের সিদ্ধান্তের কাঁটাছেঁড়া করেন। তাও খুব প্রয়োজন হলে। সেই অনুব্রতবাবুর কাছেই জেলায় দলের বর্তমান বিধায়কদের নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ আসছিল দলের কর্মীস্তর থেকে। মূল অভিযোগ ছিল সময়ে অসময়ে তাঁদের না পাওয়া ও এলাকায় ঠিকঠাক চাহিদামতোন উন্নয়ন না হওয়া। এর ওপর গত লোকসভা নির্বাচনে এমন বেশ কিছু আসনে বিজেপি লিড তুলেছিল যেগুলিতে তৃণমূলের বিধায়ক রয়েছে। যেমন সিউড়ি, ময়ূরেশ্বর, দুবরাজপুর প্রভৃতি এলাকা। দল সেই ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখতে পায় যে রাজ্য সরকার তপশিলি জাতি ও উপজাতির উন্নয়নের জন্য যে সব কাজ করেছে তার অনেককিছুই নীচুতলা অবধি গিয়ে পৌঁছায়নি। তার জেরেই বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে ফায়দা লুটেছে। কিন্তু এবারে সময় থাকতে থাকতেই সেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই কারনেই তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এখন জেলায় কর্মীসভা করে বেড়াচ্ছেন আর সেখানেই দলীয় বিধায়কদের নিয়ে তাঁর কাছে ক্ষোভ জানাচ্ছেন দলেরই নেতা থেকে কর্মীরা।
 
কিন্তু সেই বিক্ষোভে এবার রাশ টানলেন দিদির কেষ্ট। দলের কর্মীদের সাফ জানিয়ে দিলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে কে কে টিকিট পাবেন আর কে কে নয়। তা নিয়ে দলের কর্মীদের মাথা না ঘামালেও চলবে। দলের ফল যদি জেলায় খারাপ হয় তাহলে তার ফল দলের কর্মীদেরও ভুগতে হবে। অনুব্রত মণ্ডলের কাছে সব থেকে বেশি অভিযোগ গিয়েছিল সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়িকা নীলাবতী সাহাকে নিয়ে। সেই নীলাবতীর পাশে দাঁড়িয়েই অনুব্রতবাবু জানিয়ে দেন, ‘নীলাবতী রানিং বিধায়ক। ভাল মেয়ে। এলাকায় উন্নয়ন করেছে। কর্মীরাও তাঁকেই চাইছে। দুই-একজন কী বললো তাতে কিছু যায় আসে না। চূড়ান্তভাবে নাম ঘোষণা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিদি যাকে প্রার্থী করবে আমি তাঁর জন্যই খাটবো, দলের সবাইকে তাঁর জন্যই কাজ করতে বলবো। ভোটটা তো দিদির ভোট। নীলাবতী সাহাকে তো দিদি বোধহয় প্রার্থী করবে। নীলাবতী ফের ভোটে দাঁড়াবে বোধহয়। ভোটে দাঁড়ালে নীলাবতীকে ভোট দেবেন তো? ওর হয়ে ভোট করবেন তো? হেরে গেলে কিন্তু দলের সব পদ থেকে সরিয়ে দেব। দলই শেষ কথা। দলের উপরে কেউ নয়। সকলকেই অনুশাসন মেনে চলতে হবে।’  

Comm Ad 2020-Valentine body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 006 TBS

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-himalaya RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo