Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

শিশিরকে অপসারণের পরে পরেই আমন্ত্রণ বিজেপির! আক্রমন গিরির

Share Link:

শিশিরকে অপসারণের পরে পরেই আমন্ত্রণ বিজেপির! আক্রমন গিরির

নিজস্ব প্রতিনিধি: মঙ্গলবার সকালেই দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শিশির অধিকারীকে। কাঁথির এই বর্ষীয়াণ তৃণমূল সাংসদ অবশ্য এখনও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দলীয় সভাপতি। তবে এদিন রামনগরের যে তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরির হাতে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে সেই মানুষটির হাতেই আগামী দিনে জেলার দলের দায়িত্বই উঠতে চলেছে বলে অনেকেই মনে করেছেন। আর শিশির অধিকারীর এই অপসারণ নিয়ে এদিন বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন রকমের প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। একদিনে ফিরহাদ হাকিম যেমন অনুতাপ করেছেন শিশিরবাবুকে নিয়ে তেমনি মিষ্টি সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন অখুল গিরি নিজেই। তবে সব থেকে বেশি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। তাঁরা শিশিরবাবুকে দলে রীতিমত আমন্ত্রণ জানিয়ে বসেছে। যদিও গোটা বিষয় নিয়ে এখনও অবধি মুখ খোলেননি শিশিরবাবু নিজে।
 
এদিন দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে শিশিরবাবুর অপসারণ প্রসঙ্গে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, বলেন, ‘‌ছেলের কাজে লজ্জিত শিশিরদা। অসুস্থ ছিলেন, তাই অব্যাহতি চেয়েছেন।’‌ আবার শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবি, ‘‌শিশিরবাবুর বয়স হওয়ায় ছোটাছুটিতে অসুবিধা হচ্ছে তাঁর। বয়স হয়েছে। তাই এটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।’‌ রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় আবার জানিয়েছেন, ‘দীর্ঘদিন কোনও পদে থাকলে তো রদবদল হয়। এটা তো সংসদীয় গণতন্ত্রের এক প্রথা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় আমারও অনেকবার দফতর বদল হয়েছে। তাতে তো আমি কখনও অপমানিত বোধ করিনি। আর অখিল গিরি তো আমেরিকার নয়!‌’‌ তবে অখিল গিরি কিছুটা আক্রমণের সুরেই বলেছেন, ‘পর্ষদের কোনও কাজ করেননি শিশির অধিকারী। কখনও কোনও বৈঠকও ডাকেননি তিনি। শুভেন্দুর বিজেপি–তে যোগ দেওয়ার জন্য এই অপসারণ নয়।’‌ এদিনের ঘটনার জেরে এখন প্রশ্ন উঠেছে, ছেলে শুভেন্দুর মতো কাঁথির সাংসদও কি এবার বিজেপি–তে যাবেন?‌
 
এই প্রশ্নের উত্তরে এদিন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন মুকুল রায়। তাঁর অভিমত, ‘তৃণমূল একটি পারিবারিক রাজনৈতিক দল। তাঁরা তাঁদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করাই ভাল।‌ আর শিশিরের আসা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ওঁর ছেলেরা তো এসেইছে, এবার উনিও চলে আসবেন। রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা আবার জানিয়েছেন, ‘‌ধ্বংস শুরু হয়েছে। সেই ধ্বংসের কাজকে এগিয়ে দিচ্ছে তৃণমূলের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি, বিজেপি–র দরজা সকলের জন্য খোলা। বিজেপি–তে যাঁরা আসতে চাইবেন তাঁদের সবাইকে স্বাগত। কারণ, বিজেপি কোনও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নয়। এটা জনগণের সম্পত্তি। জনগণের দল। তাই জনগণের জন্য দরজা খোলা।‌‌’‌

Comm Ad 2020-LDC epic

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Egg
Comm Ad 026 BM