Comm Ad 005 TBS

করোনা কালে সুখবর, পুজোর আগেই খুলে যাচ্ছে ‘ভোরের আলো’

Share Link:

করোনা কালে সুখবর, পুজোর আগেই খুলে যাচ্ছে ‘ভোরের আলো’

নিজস্ব প্রতিনিধি: যে বাঙালির পায়ের নীচে থাকে সর্ষে সেই বাঙালিকে এই করোনা কালে ঘরের অন্দরেই দিনের পর দিন বসে কাটাতে হচ্ছে। কাঁহাতক আর ভালো লাগে ভ্রমণ পিপাসু বাঙালির। প্রতিনিয়ত ইচ্ছা করছে সব কিছু ভেঙেচুরে প্রকৃতির কোলে ছুটে যেতে একটু মুক্তির আস্বাদ পেতে। কিন্তু পরক্ষনেই তাড়া করা শুরু করে কোভিডের আতঙ্ক। তখন মুখ শুকিয়ে আবারও নিজেকে বদ্ধ ঘরেই আটকে রাখতে হচ্ছে। এই যখন অবস্থা তখন কিছুটা হলেও আশার আলো শোনালো রাজ্য পর্যটন দফতর। সব কিছু ঠিক থাকলে পুজোর আগেই খুলে যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প ‘ভোরের আলো’। তিস্তার পারে গজলডোবায় গড়ে ওঠা এই ট্যুরিস্ট স্পটই আগামী দিনে রাজ্য পর্যটনের অন্যতম হটস্পট হয়ে উঠতে চলেছে। 
 
জানা গিয়েছে, বৈকুন্ঠপুরের জঙ্গলের ভিতর দিয়ে সড়ক পথে গজলডোবায় যাওয়ার রাস্তা তৈরি হয়ে গিয়েছে। বেঙ্গল সাফারি পার্কের উল্টো দিক দিয়ে জঙ্গলের বুক চিরে সেই রাস্তা যাবে সোজা গজলডোবার দিকে। জঙ্গলের পর কিছুটা সরস্বতীপুর চা বাগানের মধ্য দিয়েও সেই রাস্তা গিয়েছে। ফলে একদিকে পর্যটকেরা যেমন গজলডোবা যাওয়ার পথে গহন অরণ্যের মধ্য দিয়ে যেতে পারবেন তেমনি পারবেন চা বাগানের মধ্যে দিয়ে যেতেও। গজলডোবার পাশেই আবার তৈরি হয়েছে এলিফেন্ট রুট। হাতির পিঠে চেপে ‘ভোরের আলো’ থেকে সোজা সরস্বতীপুর চা বাগান ঘুরে আসতে পারবেন পর্যটকেরা। সব ঠিকঠাক চললে পুজোর আগেই এলিফেন্ট সাফারি চালু হবে গজলডোবায়। লকডাউনের আগে থেকেই বন্ধ রয়েছে গজলডোবা পর্যটন হাব। নেই নৌকা বিহারও! বর্ষা হওয়ায় মাঝিরাই এখন ব্যস্ত তিস্তায় মাছ ধরতে। আবার পর্যটক শূন্য ‘ভোরের আলোয়’ যেটুকু কাজ বাকি ছিল তাও দ্রুত শেষ করে আনা হচ্ছে।
 
এদিকে গজলডোবা পর্যটন হাব নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। কারন পর্যটকেরা এলেই বিকল্প রুটিরুজির রাস্তা বার হয়ে যাবে। এমনিতেই আনলক পর্বে ধীরে ধীরে সব পরিষেবাই স্বাভাবিক হচ্ছে। বিকেলের দিকে ভিড় জমতে শুরুও করেছে তিস্তা নদীর পারে। কিন্তু চেনা ছন্দে এখনও ফেরেনি। সম্প্রতি কলকাতায় এনিয়ে রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকও করেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। সেই বৈঠকে পর্যটনের উন্নয়নে কিছু প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তার কাজই এখন চলছে পুরোদস্তুর। পাশাপাশি নজর দেওয়া হচ্ছে ‘ভোরের আলো’ থেকে সাইট সিইংয়ের ওপরেও। বিশেষ করে গরুমারা, লাভা-লোলেগাঁও, ঝালং-বিন্দু, সুনতালেখোলা-রকি আইল্যান্ড প্রভৃতি জায়গা যাতে পর্যটকেরা যেতে পারেন সেই বিষয়ে নজর দেওয়া শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের পর্যটন দফতর। এই বিষয়ে রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানান, ‘কিছু পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে আনলক পর্ব শুরু হতেই। বাকিগুলিও ধাপে ধাপে খুলে দেওয়া হবে। পুজোর আগেই ভোরের আলো খুলে যাচ্ছে। পর্যটকেরা অনলাইনে বুকিং করাতে পারবেন। পাশাপাশি বেঙ্গল সাফারি পার্কের উল্টো দিকে বন দফতরের জমিতে তৈরী করা হবে কর্মতীর্থ। যেখানে নানান পণ্য সামগ্রী পাওয়া যাবে। স্থানীয়দের হাতে তৈরি নানা উপকরণ মিলবে সেখানে। আড়াই বছরের চেষ্টায় এই প্রকল্পটি তৈরি করা হচ্ছে।’

Comm Ad 020 Tantuja

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Mahalaya2020

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পতাকা উত্তলন দিয়ে শুরু হল শতবর্ষ পালনের উৎসব

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পতাকা উত্তলন দিয়ে শুরু হল শতবর্ষ পালনের উৎসব

তারপর প্রদীপ জ্বালালেন কর্মকর্তা ও প্রাক্তনেরা

তারপর প্রদীপ জ্বালালেন কর্মকর্তা ও প্রাক্তনেরা

ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রাজা সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী

ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রাজা সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী

উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও অন্যান্যরা

উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও অন্যান্যরা

তবে আইএসএল খেলা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্যই করলেন না কর্তারা

তবে আইএসএল খেলা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্যই করলেন না কর্তারা

মন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস মহাশয়কে পুষ্পস্তবক দিয়ে অভিবাদন জানান সভাপতি

মন্ত্রী শ্রী অরূপ বিশ্বাস মহাশয়কে পুষ্পস্তবক দিয়ে অভিবাদন জানান সভাপতি

শতবর্ষযাপনের কেক কাটেন অরূপ বিশ্বাস ও ক্লাবকর্তা এবং সভ্যবৃন্দ

শতবর্ষযাপনের কেক কাটেন অরূপ বিশ্বাস ও ক্লাবকর্তা এবং সভ্যবৃন্দ

উপস্থিত ছিলেন অতীতের অনেক দিকপাল খেলোয়াড়েরা

উপস্থিত ছিলেন অতীতের অনেক দিকপাল খেলোয়াড়েরা

উপস্থিত ছিলেন বহু সভ্য ও সমর্থক

উপস্থিত ছিলেন বহু সভ্য ও সমর্থক

প্রকাশ করা হয় বিশেষ স্মারক গ্রন্থও

প্রকাশ করা হয় বিশেষ স্মারক গ্রন্থও

কিন্তু আইএসএল নিয়ে কোনও কথা না বলায় প্রকাশ্যেই হতাশ সমর্থকেরা

কিন্তু আইএসএল নিয়ে কোনও কথা না বলায় প্রকাশ্যেই হতাশ সমর্থকেরা

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

পূবস্হলি দক্ষিণ বিধানসভার কালনা ১নং ব্লকের শাখাটি আদিবাসী পাড়ার বাহা পুজোর উৎসব

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

সেখানেই যান মাননীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান সুবিধা-অসুবিধার কথা

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

পরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন মন্ত্রী

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

জনগণের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানও দেখেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

প্রায় ঘণ্টাখানেক এই অনুষ্ঠানেই ছিলেন তিনি

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 025 Confed

Editors Choice

Comm Ad 023 MZP