এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




‘CAA একটা ছলনা’, মমতার বার্তা মতুয়াদের

Courtesy - Facebook and Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: অপেক্ষা ছিল, কী বার্তা দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী(Chief Minister of West Bengal)। অপেক্ষায় ছিল বাংলার মতুয়াসমাজ। বার্তা তিনি দিলেন। সাফ জানালেন, ‘CAA একটা ছলনা’। মাত্র ১ মাসের ব্যবধানে বাংলায় ঘুরে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(Amit Shah)। দুই দফাতেই তিনি বেশ জোরের সঙ্গে জানিয়েছে, ২৪’র ভোটের আগেই CAA লাগু হয়ে যাবে। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর পাশ হয়েছিল নাগরিক সংশোধনী বিল বা Citizenship Amendment Act, 2019 যাকে অধিকাংশ মানুষ CAA নামেই চেনেন। কিন্তু তারপর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এনিয়ে কোনও রুল তৈরি হয়নি। ফলে তা দেশজুড়ে লাগু ও হয়নি। আর সেই কারণেই বিজেপির এই CAA আশ্বাস নিয়ে ক্রমশই ক্ষোভ চড়ছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই ক্ষোভের মধ্যেই CAA নিয়ে বড় বার্তা দিয়ে দিলেন তিনি, মানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। উত্তর ২৪ পরগনা(North 24 Pargana) জেলার দেগঙ্গার(Deganga) বুকে দলের কর্মীসভার মঞ্চ থেকে।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন দলের কর্মীসভার মঞ্চ থেকে মতুয়াদের(Matua) উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সবাই নাগরিকত্ব নিয়ে ভাবছেন। আপনারা তো নাগরিকই। নাগরিক না হলে কী স্বাস্থ্যসাথী পেতেন? রেশন পেতেন? লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন? আপনাদের বার বার ভুল বোঝানো হচ্ছে। আপনারা নাগরিকই। আপনাদের থাকার যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার জন্য আমরা পাট্টা দিচ্ছি। নাগরিকত্ব নিয়ে ধর্মের ভাগাভাগির রাজনীতি করছে বিজেপি। CAA একটা ছলনা। ওদের এই ছলনায় ভুলবেন না। প্রতিবার ভোটের সময় ওরা এটা করে। এবারেও করবে। কিন্তু আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। আপনারা এদেশের নাগরিক। ওদের যদি ওতই প্রয়োজন থাকে তাহলে ডিএমদের দায়িত্ব দিক। ওরাই যা করার করে নেবে। যাকে যা দেওয়ার দিয়ে দেবেন। কিন্তু দেশের নাগরিক কে হবে আর কে হবে না সেটা তোমরা ঠিক করার কে?’

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমা মতুয়া অধ্যুষিত। এছাড়া বারাসত মহকুমার বেশ কিছু এলাকায় রয়েছে মতুয়াদের বসবাস। জেলার মধ্যে একমাত্র বনগাঁ মহকুমাতেই রয়েছে বিজেপির ৩ বিধায়ক। বনগাঁ লোকসভা দখলে রেখেছে বিজেপি। যদিও গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের বুথে হেরে গিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী। ক্ষুব্ধ মতুয়াদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি ঝুলে রয়েছে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচন এলেই বিজেপির দৌলতে তা আবার রাজনৈতিক ইস্যু হয়। ফলে, ক্ষোভ রয়েছে উদ্বাস্তু সমাজের একাংশের মধ্যে। CAA কার্যকর করা আটকে রেখেছে বিজেপিই। আসলে, ভোটের আগে পরিযায়ী পাখির মতো আসেন বিজেপির নেতারা, আর মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। বিজেপিকে জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত মতুয়ারা। শাহ অবশ্য জানিয়ে গিয়েছেন, ‘CAA বিজেপির অঙ্গীকার। CAA হবেই। কেউ আটকাতে পারবে না।’ এর পাল্টা মমতা এদিন জানিয়ে দিলেন, ‘CAA একটা ছলনা। নাগরিকত্ব নিয়ে অনেক কথা বলা হচ্ছে। আপনার সবাই নাগরিক। নাগরিক না হলে রেশন পান কী করে! নাগরিক না হলে প্যান কার্ড থাকে কী করে।’




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণায় নজর কাড়লেন বাঁকুড়ার অয়ন

রাজ্যের দুই প্রান্তে বৃষ্টির মধ্যে বাজ পড়ে মৃত্যু দুজনের

বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা অপসারিত

সিলিকোসিস আক্রান্তদের চিকিৎসায় রাজ্য জুড়ে শিবির করবে স্বাস্থ্য দফতর

বিজেপির পার্টি অফিসে চলল চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি, ধস্তাধস্তি, মারামারি

বদল হল এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচি, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর