Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের নজরে ২ রাজনৈতিক ব্যক্তিও

Share Link:

গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের নজরে ২ রাজনৈতিক ব্যক্তিও

নিজস্ব প্রতিনিধি: জল বেশ ভালই গড়াতে শুরু করেছে গরু পাচার মামলায়। গতকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে সিবিআই। এদিনও সেই তল্লাশি চলছে নানা জায়গায়। সেই সঙ্গে জানা গিয়েছে, গরুপাচারের এই মামলায় সিবিআইয়ের নজরে এখন পড়ে গিয়েছেন ৫ জন কাস্টমস অফিসার, ৭জন বিএসএফ আধিকারিক ও ২জন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি। এমনকি কিছু সরকারি আমলার দিকেও এই বিষয়ে সিবিআইয়ের নজর পড়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এদের সবাইকে খুব শীঘ্রই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকতে পারে সিবিআই। অন্তত তেমনটাই জানা গিয়েছে। তবে বিএসএফ ও কাস্টমসের ১২জন অফিসার ও আধিকারিকের মদতেই যে ২০১৫ থেকে ২০১৭-র মধ্যে গরু পাচারের ব্যবসা জমে উঠেছিল সেটা জানতে পেরেছে সিবিআই।
 
বুধবার সকাল থেকে গরু পাচারের এই মামলার জেরে সিবিআই অভিযান চালানো শুরু করে এই রাজ্যে কলকাতার রাজারহাট, সল্টলেক, তপসিয়ার পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের বহরমপুর, লালগোলা এবং শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গায়। সল্টলেকের সিটি সেন্টার টু’র পাশেই বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারের বাড়িতেও চলে তল্লাশি। বর্তমানে ওই বিএসএফ কমানডেন্টের কর্মসূত্রে কর্ণাটকে থাকেন। তবে সূত্রের খবর, এর আগে সীমান্ত এলাকায় কাজ করতেন তিনি। সেই সময় গরু পাচারের ক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করেছিলেন সতীশ কুমার। তাঁর বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। যা তদন্তে নতুন করে দিশা দেখাতে পারবে বলেই আশা তদন্তকারীদের। সিবিআইয়ের এফআইআরে চমকে দেওয়ার মতো সব তথ্য রয়েছে। বলা হয়েছে, তদন্তে স্পষ্ট, বিএসএফ ও কাস্টমসের সঙ্গে আঁতাত ছিল মালদহ, মুর্শিদাবাদের স্থানীয় ব্যবসায়ী এনামুল হক, আনারুল শেখ এবং গুলাম মুস্তাফার। বিএসএফ এবং কাস্টমসের একজন করে অফিসারের নামও উঠে এসেছে সেই তদন্তে।
 
২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সীমান্তে প্রায় ২০ হাজার গোরু বাজেয়াপ্ত করে বিএসএফ। কিন্তু অদ্ভুতভাবে চোরাপথে মুর্শিদাবাদ-মালদহ দিয়ে বাংলাদেশ পাচারের চেষ্টা রোখা হলেও পাচারকারীর উল্লেখই থাকত না তাদের রিপোর্টে। এরপর কলমের কারসাজিতে গোরু হয়ে যেত ‘বাছুর’। ফলে নিলামে দামও যেত কমে। বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হতো সরকারের। গোরু পিছু বিএসএফের অফিসারদের দেওয়া হতো ২ হাজার টাকা করে। কাস্টমসের লোকজন পেত ৫০০ টাকা। নিলামের মোট টাকার ১০ শতাংশ দিতে হত বিএসএফ এবং কাস্টমসকে। এব্যাপারে ২০১৮ সালের এপ্রিলে তদন্তে নামে সিবিআই। উঠে আসে সতীশ কুমারের নাম। তখন মুর্শিদাবাদ ও মালদহের দায়িত্বে থাকা ৩৬ নম্বর ব্যাটালিয়ানের কমান্ডান্ট ছিলেন তিনি।

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Egg

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM

Editors Choice

Comm Ad 026 BM