Comm AD 12 Myra

রাজ্যকে না জানিয়েই জঙ্গলমহল থেকে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার

Share Link:

রাজ্যকে না জানিয়েই জঙ্গলমহল থেকে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিঃসন্দেহে বাংলায় মাওবাদী কার্যকলাপ এখন অনেকটাই স্থিমিত। কিন্তু তা যে একদম বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাও কিন্তু নয়। বরঞ্চ রাজ্যের গোয়েন্দা বাহিনী মারফত নবান্নে খবর আসছে যে ঝাড়খন্ড-বাংলা ও বাংলা-ওডিশার সীমান্ত এলাকায় মাওবাদীদের আনাগোনা বেশ বেড়ে গিয়েছে। জঙ্গলমহলের বুকেও যে তাঁদের আনাগোনা আছে তা বেশ ভালই বুঝতে পারছেন সেখানকার পুলিশকর্তারাও। এই রকম অবস্থায় আগামী ২৪ নভেম্বর যেমন মাওনেতা কিষাণজীর মৃত্যুদিবস রয়েছে ঠিক তেমনি সামনের বছর রয়েছে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। অথচ ঠিক তার আগে রাজ্য সরকারকে না জানিয়েই জঙ্গলমহল থেকে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনার জেরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে নবান্নে। রাজ্য রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে বিতর্ক।
 
রাজ্যের শাসক দলের সাফ দাবি, রাজ্য সরকারকে না জানিয়ে এত বড় সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে নেওয়া সংক্রান্ত কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনীতি রয়েছে। বড়সড় কোনও ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে যা বাস্তবায়িত করতেই রাজ্য সরকারকে না জানিয়েই এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। ঘটনার জেরে কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কারন গত কয়েক দিন ধরেই দিলীপ ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়, সায়ন্তন বসুরা লাগাতার বলে চলেছিলেন বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। সেই হুমকিকে ইতিমধ্যেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসুরা জানিয়ে দিয়েছেন সাহস থাকলে তা করে দেখাক। এই অবস্থায় একসঙ্গে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যেভাবে তুলে নেওয়া হল তা দেখে কেউ বলবেই না কেন্দ্র সরকার রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পথে হাঁটতে চলেছে। বস্তুত কেন্দ্রের এই পদক্ষেপই বলে দিচ্ছে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের জারি করার মতো কোনও পরিস্থিতি বা প্রয়োজনীয়তাও নেই। এখানকার আইন-শৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতিও স্বাভাবিকই। স্বভাবতই কেন্দ্রের পদক্ষেপে এখন মুখ পুড়ছে রাজ্য বিজেপির।
 
যে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী জঙ্গলমহল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা সিআরপিএফের। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সিআরপিএফের ৫০ ও ১৬৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের মোট ১৪ কোম্পানি আধাসেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে এই জেলাগুলিতে নজরদারির ক্ষেত্রে এখন থেকে যেমন রাজ্য পুলিশকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে তেমনি ঘাটতি পড়বে টহলদারির ক্ষেত্রেও যা মাওবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধির পথে সহায়ক হয়ে উঠবে। এদিন তাই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়ে রাজ্যের রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো জানান, ‘দুই ব্যাটেলিয়নের ১৪ কোম্পানি বাহিনী তুলে নেওয়ার পেছনে কেন্দ্রের রাজনীতি রয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে জঙ্গলমহলকে অশান্ত করতে চাইছে বিজেপি সরকার। ফি বছর কিষাণজির মৃত্যুবার্ষিকীতে সিপিআই (মাওবাদী) দেশের মাওবাদী প্রভাবিত রাজ্যগুলিতে শহিদ সপ্তাহ পালন করে। ঠিক তার আগে কেন রাজ্যকে কিছু না জানিয়ে কেন্দ্র বাহিনী প্রত্যাহার করলো!’ রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গলমহলে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, বীরভূম মিলিয়ে সিআরপিএফের মোট ৭টি ব্যাটেলিয়ন ছিল। তার মধ্যে দুই ব্যাটেলিয়ন চলে যাওয়ায় জঙ্গলমহলে রইল মাত্র ৫টি ব্যাটেলিয়ন কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে ৬৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের ২ কোম্পানি করে মোট ৪ কোম্পানি বাহিনী রয়েছে ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। ১৮৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের ৭টি কোম্পানির মধ্যে ঝাড়গ্রামে রইল ৫ কোম্পানি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ও বাঁকুড়ায় রইলো ১টি করে কোম্পানি। 

corona 01

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo