এই মুহূর্তে

জগদ্ধাত্রী পূজা উপলক্ষে গোটা চন্দনগর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ব্যস্ততা তুঙ্গে

নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দননগর: এবছর চন্দননগর থানা এলাকায় ১৩৩ টি ও ভদ্রেশ্বর থানা এলাকায় ৪৪ টি জগদ্ধাত্রী পুজো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পুরসভার হিসাব অনুযায়ী, চন্দননগর কর্পোরেশন এলাকায় ১৪২ টি ভদ্রেশ্বর পুরসভা এলাকায় ২৪ টি ও চাঁপদানি পৌরসভা(Chapdani Municipality) এলাকায় ১১ টি জগদ্ধাত্রী পুজো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের জগদ্ধাত্রী পুজোয় মোট ৬৯ টি পুজো কমিটি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে। ২৪৫ টি ট্রাকে সুসজ্জিত আলোকসজ্জা শোলা যাত্রায় শোভা পাবে। ১১ নভেম্বর সন্ধ্যে ছটা থেকে এই বিসর্জনের শোভাযাত্রা শুরু হবে। এ বছর ৮ টি পুজো কমিটি তাদের জুবলি বর্ষ পালন করবে।

এ বছর শোভাযাত্রার জন্য ২০টি জোন তৈরি করা হচ্ছে। শোভাযাত্রা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে বিসর্জনের দিন ৪৭৪ জন কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সদস্য স্বেচ্ছাসেবক সিকিউরিটি গার্ড ব্যাচ করে রাস্তায় থাকবে। এ বছর  চাঁপদানি এলাকায় জগদ্ধাত্রী ঠাকুরকে গঙ্গা বক্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য রেল লাইনের যে অংশ দিয়ে মালগাড়ি চলাচল করে রেলের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে বিসর্জনের দিন সেই অংশে বৈদ্যুতিক সংযোগ রেল দপ্তর বিচ্ছিন্ন রাখবে।চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজোর সাংবাদিক সম্মেলন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় চন্দননগরের স্পোর্টিং ক্লাবে(Chandannagar Sporting Club)। প্রত্যেক বছরের মতন এই বছরেও চন্দননগরে মোট ১৭৭ টি পূজো কমিটি অংশগ্রহণ করছে এই চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পূজার মধ্যে ।তার মধ্যে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করছে মোট ৬৯ টি বারোয়ারি এবং ২৪৫ টি ট্রাক সহকারে।

এই বছর চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা হয়েছে, চন্দননগর পৌরনিগম এবং চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগধাত্রী পূজার উদ্যোগে। মোট কুড়িটি জোনে ভাগ করা হয়েছে পূজা কমিটি গুলিকে। এর পাশাপাশি চন্দননগরের বিভিন্ন পুজো কমিটির শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত ব্যস্ততা চলছে জোর কদমে। বিভিন্ন প্যান্ডেলে চলছে চরম প্রস্তুতি। অপরদিকে চন্দননগর দৈবক পাড়া এবছর ও নতুন চমক দিতে চলেছে শেষ মুহূর্তের জোর প্রস্তুতি। তাদের এ বছরে থিম আঁচল । প্রতিটি পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের মন্ডপে প্রবেশ এবং বাহির পথে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা(CCTV) বেশি করে লাগানো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মণ্ডপে প্রবেশ এবং বাহির পথ পৃথক পৃথক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জগদ্ধাত্রী প্রতিমার অলংকার তার নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেকটি কমিটিকে প্রাইভেট সিকিউরিটি মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে সকল পুজো কমিটি গুলি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে না তাদের ১১ নভেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা ছ’টার আগে বিসর্জন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ সন্ধ্যে ছটা থেকে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ৬৯ টি পুজো তাদের শোভাযাত্রা নিয়ে গঙ্গা-পক্ষের দিকে এগিয়ে যাবে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

কন্যাদের চলার পথে সর্বদা সঙ্গী রাজ্য সরকার, শিশুকন্যা দিবসে বার্তা মমতার

রেডরোডে কুচকাওয়াজের মহড়ায় বড় দুর্ঘটনা, গার্ডরেলে ধাক্কা বেপরোয়া গাড়ির

সুখবর মেট্রোর যাত্রীদের, ১৫ বছর পর ফিরল রিটার্ন টিকিটের সুবিধা

মার্চের প্রথম সপ্তাহে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা কমিশনের!

কয়লা পাচার ও আইপ্যাক তদন্তে বিশেষ দল গঠনের ভাবনা ইডির

রাজ্যে হালকা শীতের আমেজ, লেপ-কম্বল তুলে রাখবেন? কী বলছে হাওয়া অফিস?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ