এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




রিমলই বাঁচিয়ে দিল বাংলাকে, তীব্র দাবদাহ জীবন কাড়ছে ভারতের

Courtesy - Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: অসময়ের ঝড় নয়, কিন্তু যে সময়ে এই ঝড়ের জন্ম হওয়ার কথা তার থেকে অনেকটাই পরে জন্ম নিয়েছিল রিমল(Cyclone Remal)। বঙ্গোপসাগরের(Bay of Bengal) বুকে জন্ম নেওয়া এই ঘূর্ণিঝড় এপার বাংলা ছুঁয়ে পা রেখেছিল ওপার বাংলায়। আর থেকেও বড় কথা, এই ঝড় ধেয়ে আসার আগে অনুমান করা হয়েছিল, তা তাণ্ডব চালাবে এ রাজ্যের(West Bengal) বুকে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সে পদে পদে বাঁচিয়ে দিচ্ছে এ রাজ্যকে। ঘূর্ণিঝড় রিমলের Eye ছিল বাংলাদেশ অভিমুখী। আর তাই সে উত্তরের হাওয়া টেনে এনেছিল যা বাঁচিয়ে দেয় সুন্দরবনের নদীবাঁধগুলিকে। বাঁচিয়ে দেয় গ্রামীণ সুন্দরবন এলাকার মানুষদের ঘরবাড়িকেও। আর তাই রিমল যখন বাংলাদেশে তাণ্ডব চালিয়েছে, এপার বাংলায় তখন কিন্তু অনেকটাই নিরাপদে থেকে গিয়েছে। আর এখন দেখা যাচ্ছে, রিমলের হাত ধরে বাংলার পরিমণ্ডলে ঢুকে পড়া জলীয় বাষ্প(Water Vapor) ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছে, উত্তর ও মধ্য ভারতে বহু মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া তাপপ্রবাহের(Heat Wave) সামনে। আর তাই বাংলার মানুষকে তীব্র দাবদাহের মুখে পড়তে হচ্ছে না। অথচ বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশায় চলছে মৃত্যু মিছিল।  

গত ৩-৪ দিন ধরেই দেখা যাচ্ছে, অসহ্য গরমে জেরবার উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, দিল্লি ও রাজস্থানের জনজীবন। তাপপ্রবাহের জেরে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। দাবদাহের জেরে এই সব রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলার বুকে কিন্তু সেই দাবদাহ না দেখা গিয়েছে, না কেউ মারা গিয়েছেন। আবহাওয়াবিদদের দাবি, যে কোনও ঘূর্ণিঝড় পাড়ে আছড়ে পড়ে ঝড়বৃষ্টি ঘটায়। কিন্তু যে অঞ্চলে সেই এই খেলা দেখায় তার ৩-৪ গুণ এলাকা থেকে সে জন্মের সময় সব জলীয় বাষ্প শুষে নেয়। আর তাই সেই ঝড়-বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরে একটা বড় এলাকা জুড়ে জলীয় বাষ্পের শূণ্যতা নেমে আসে। এবারেও তাই হয়েছে। রিমলের খেলা শেষ হতেই উত্তর ও পূর্ব ভারতের একটা বড় অংশ জুড়ে জলীয় বাষ্পের শূণ্যতা তৈরি হয়। সেই সুযোগে হুড়মুড় করে উত্তর, মধ্য ও পূর্ব ভারতে ঢুকে পড়েছে পশ্চিমের গরম হাওয়া। কিন্তু তা বিহার, ঝাড়খন্ড ও ওড়িশার বুকে বহু মানুষের জীবন কেড়ে নিলেও পা রাখতে পারেনি বাংলার বুকে। কেননা রিমলের হাত ধরে যে জলীয় বাষ্প সাগর থেকে বাংলার পরিমণ্ডলে ঢুকেছে ও এখন যা রয়ে গিয়েছে সেটাই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছে এই তাপপ্রবাহের সামনে। এই জলীয় বাষ্প না থাকলে বাংলার বুকে কার্যত মৃত্যু মিছিল দেখা যেত তাপপ্রবাহের জেরে যা এখন দেশের একটা বড় অংশ জুড়ে দেখা যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদদের দাবি, বঙ্গোপসাগরের বুকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম হয় বর্ষার আসার মুখে কিংবা তা চলে যাওয়ার পরে পরেই। সেই হিসাবে মে মাস ও অক্টোবর মাস ঘূর্ণিঝড় প্রবণ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বঙ্গোপসাগরের বুকে গত এক দেড় দশকে যত ঘূর্ণিঝড় জন্ম নিয়েছে তার বেশিরভাগেরই জন্ম হয়েছে মে মাসের প্রথম দিকে। রিমল সেই জায়গায় ব্যতিক্রম। তার জন্ম মে মাসের শেষ লগ্নে। আর সেটাই এখন ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে বঙ্গবাসীর কাছে। যদি রিমলের জন্ম মে মাসের প্রথম দিকে হতো তাহলে এখন বাংলাকে এই তাপপ্রবাহের হাত থেকে কেউ বাঁচাবার জন্য থাকতো না। আবার রিমল যদি মায়ানমার বা বংলাদেশের চট্টগ্রামের দিকে চলে যেত তাহলেও বাংলাকে এই তাপপ্রবাহের মুখে পড়তে হতো। রিমলের জেরে কিছুটা তরান্বিত হয়েছে মৌসুমি বায়ুও। সে নির্দিষ্ট সময়ের কিছুটা আগেই বাংলায় পা রেখেছে। আর দিন দুইয়ের মধ্যে তা কলকাতায় পা রাখতে চলেছে। তাই উত্তর, মধ্য ও পূর্ব ভারতে তাপপ্রবাহ যদি বজায়ও থাকে বাংলাকে এই বছর আর অন্তত তাপপ্রবাহের মুখে পড়তে হবে না। ধন্যবাদ কিন্তু প্রাপ্ত রিমলের। বঙ্গবাসী তা তাকে দেবে কিনা সেটা বঙ্গবাসীকেই ঠিক করে নিতে হবে।




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

চন্দ্রকোনাতে আকাশ থেকে পড়লো যন্ত্র,তাতে আবার মিটমিট করে জ্বলছে আলো

নবদ্বীপের নৃত্যশিল্পীর রহস্যজনক মৃত্যু বিহারে, খুনের অভিযোগ পরিবারের

দশোহারা তিথিতে গাছই ভগবান রূপে পূজিত হয় নদীয়ার হাঁসখালির ফতেপুরে

সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলের যোগ দিলেন জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পঙ্কজ

বহরমপুরে তৃণমূল বিজেপি’র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বোমাবাজি, এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

দুর্ঘটনায় বাইক আরোহীর মৃত্যুতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ,দেগঙ্গায়  হুলুস্থুল কাণ্ড  

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর