Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

শনি দুপুরে নাড্ডাকে ভিক্ষে দিয়েই রবি বিকালে তৃণমূলের কার্যালয়ে

Share Link:

শনি দুপুরে নাড্ডাকে ভিক্ষে দিয়েই রবি বিকালে তৃণমূলের কার্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলা দখলের জন্য দিল্লি থেকে বারে বারে নাড্ডা আর অমিত শাহ যতই এই রাজ্যে আসুন না কেন আদতে এই রাজ্যে যে গেরুয়া শিবিরের সংগঠনের জোর যে একদমই নেই তা আবারও বেআব্রু হল কাটোয়ার এক ঘটনায়। গত শনিবার কাটোয়ায় এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। কৃষকদের আবেগের কথা মাথায় রেখে বিজেপির পক্ষ থেকে মাস্থুলি গ্রামে কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল সংগ্রহ করার কর্মসূচি করানো হয়ে নাড্ডাকে দিয়ে। সেই সময় কার্যত নাড্ডাকে একদম ভগবান বানিয়ে দিয়েছিলেন সেই সব কৃষকদের বাড়ির সদস্যরা। এমনকি তাঁকে নলেন গুড়ের মিষ্টিও খাইয়েছিলেন তাঁরা। আর মুখে বলেছিলেন, ‘বাড়িতে ভগবান এলে যেমন আনন্দ হয়। ঠিক তেমনই আনন্দ হচ্ছে।’ রবি বিকালে দেখা গেল শনিবার যে ৫জন কৃষকের বাড়ি গিয়ে চাল সংগ্রহ করেছিলেন সেই পাঁচজন কৃষক কাটোয়ার তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয়ে বসে। আর তার জেরেই বেআব্রু হয়েছে বিজেপির বেহাল দশা।
 
শনিবার ‘কৃষক সুরক্ষা অভিযান’ কর্মসূচিতে পূর্ব বর্ধমানের মুস্থুলি গ্রামের বাসিন্দা নিতাই মণ্ডল, পাঁচকড়ি মণ্ডল, সনৎ মণ্ডল, উত্তম মণ্ডল এবং মথুরা মণ্ডল নামে পাঁচ কৃষকের বাড়ি গিয়ে চাল সংগ্রহ করেন নাড্ডা। রবিবার সন্ধ্যাবেলায় সেই ৫ কৃষককে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা গেল কাটোয়া শহরের স্টেশনরোডে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে। নাড্ডার সফরের ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই ওই কৃষক পরিবারগুলির ভোলবদলে এলাকায় রীতিমত চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, ওই পাঁচ কৃষক তাঁদের দলেরই সদস্য। তাঁদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপি তাঁদের কর্মসূচিতে সামিল করেছিল। যদিও বিজেপির দাবি, ভয় দেখিয়ে ওই কৃষকদের তৃণমূলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপির বর্ধমান পূর্ব(গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অনিল দত্ত জানান, ‘এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আমাদের নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গের যেখানেই কোনও পরিবারের বাড়িতে গিয়ে আতিথেয়তা গ্রহণ করেছেন বিজেপি নেতারা পরবর্তীকালে সেই পরিবারকে ভয় দেখিয়ে তাঁদের দলে নিয়ে যাচ্ছে। এভাবে বিজেপিকে দমানো যাবে না।’
 
যদিও গেরুয়া শিবিরের এই অভিযোগ খন্ডন করে কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘মুস্থুলি গ্রামের যেসব কৃষকদের বাড়িতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ভিক্ষাগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন ওই সমস্ত পরিবারের সদস্যরা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই বরাবর ছিলেন, আছেন, থাকবেন। বাংলার কৃষক পরিবারের বৈশিষ্ট্য হল সৌজন্যতা দেখানো। যে কেউ ভিক্ষা চাইতে গেলে কোনও গৃহস্থবাড়ির মহিলারা ফেরান না। তাই জেপি নাড্ডাকে তাঁরা ভিক্ষা দিয়েছেন মাত্র। যাতে এই পরিবারগুলি সম্পর্কে ভুল বার্তা না যায় তাই তাঁরা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে আমার সঙ্গে সৌজন্যমূলক দেখা করতে এসেছেন।’ তবে মজা এখানেই যে ২৪ ঘন্টা আগে নাড্ডাকে যারা শঙ্খ, উলুধ্বনি দিয়ে বরণ করে নিয়েছিলেন, তাঁর হাতে পেল্লায় সাইজের কুমড়ো, চাল, সবজি তুলে দিয়েছিলেন এখন তাঁরাই উঠতে বসতে বিজেপিকে গাল পাড়ছেন। তবে ঘটনা যাই হোক না কেন এরাজ্যে বিজেপির সংগঠন যে এখনই খুবই দুর্বল সেটা আবারই সামনে চলে এল।

corona 01

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 006 TBS

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM

Editors Choice

Comm Ad 008 Myra