এই মুহূর্তে




ঐতিহাসিক মুদ্রা থেকে দেশ বিদেশের ডাকটিকিট, মাইক্রোবায়োলজিস্টের সংগ্রহ দেখলে চমকে যাবেন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি! বিপুলা পৃথিবীর অনেক কিছুই জানা যায় যদি মালদহের একটি বাড়িতে যাওয়া যায়। সেই বাড়ি যেন এক আস্ত সংগ্রহশালা। তাতে রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক আমলের মুদ্রা সহ বহু দুর্লভ, দুষ্প্রাপ্য সামগ্রীর ভাণ্ডার। এমনই নানা দুষ্প্রাপ্য সামগ্রী সংগ্রহের নেশায় বিভোর হয়ে রয়েছেন মালদহের ছেলে অম্লান চক্রবর্তী।

মালদহের ঘরের ছেলে অম্লান। তাঁর বাড়ি মালদহ শহরের রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায়। তিনি বিজ্ঞানের ছাত্র। বর্তমানে চেন্নাইয়ে গবেষণা করছেন মাইক্রো বায়োলজির উপর। তবে ভালবাসা এবং পেশা বিজ্ঞান হলেও, নেশা ইতিহাস নিয়ে চর্চা। সেই নেশা থেকেই অম্লান চক্রবর্তী বিভিন্ন ঐতিহাসিক আমলের মুদ্রা, দেশ-বিদেশের ডাক টিকিট সহ নানা দুর্লভ, দুষ্প্রাপ্য সামগ্রী সংগ্রহ করতে শুরু করেন। সেই সংগ্রহের কারণেই বর্তমানে তাঁর বাড়ি হয়ে উঠেছে যেন আস্ত এক সংগ্রহশালা।

অম্লান চক্রবর্তীর সংগ্রহশালায় রয়েছে সুলতানি, মুঘল আমল সহ টিপু সুলতানের আমলের বহু দুর্লভ মুদ্রা। যার মধ্যে রয়েছে রৌপ্য এবং স্বর্ণ মুদ্রাও। এমনকি বিশ্বের সব থেকে ছোটো মুদ্রা ফানামও রয়েছে তার সংগ্রহশালায়। এছাড়াও রয়েছে প্রায় দেড়শো বছর আগের হাতির দাঁত দিয়ে তৈরি অলঙ্কার বাক্স, আতরদানি সহ নানান দুর্লভ, দুষ্প্রাপ্ত সামগ্রী। এই সব কিছুই যে এক কথায় দূর্দান্ত নজরকাড়া এবং আকর্ষণীয় তা বলা বাহুল্য।

তবে মানুষ কতখানি দেখতে আসল তা নিয়ে ভাবিত নন অম্লান চক্রবর্তী স্বয়ং। তিনি এসব সংগ্রহ কইরেন আপন খেয়ালে। এমন দুষ্প্রাপ্য জিনিস সব, দামও প্রচুর। কিন্তু শখের কাছে দামও তুচ্ছ। তাই অম্লান বদনে আপন খেয়ালে নিজ সংগ্রহশালা পরিপূর্ণ করে চলেছেন  অম্লান চক্রবর্তী।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

এক মিনিটে ৩৩১ টি ঘুষি মেরে গিনেস বুকে বারাসতের দিব্যজ্যোতি

ঝাড়গ্রামে হাতির তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড ঘরবাড়ি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা বৃদ্ধের

২২ বছর আগে দুই বাংলাদেশি ভুয়ো বাবা সাজিয়ে মঙ্গলকোটে নাম তোলেন,বাবা ও ছেলের বয়সের ব্যবধান ‘৫’

বর্ধমান শহরে এটিএম ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা লুটের ঘটনায় রাজস্থান থেকে গ্রেফতার কিং পিং হাসামদ্দিন

বনগাঁয় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সোনার চেন লুট করতে এসে গ্রেফতার বান্ডেলের ৪ মহিলা

১৩ বছর বাদে কলকাতায় এআর রহমান ও অনুষ্কা, নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ